ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাবেক সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের বিরুদ্ধে রমনা থানায় অস্ত্র আইনের মামলায় অভিযোগ (চার্জ) গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারিসহ ১৭ ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ঠিক করেছে আদালত। ফলে অস্ত্র আইনের মামলায় তার বিচার শুরু হলো।
১৬ জানুয়ারি ঢাকার বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক ইব্রাহিম মিয়া এসব আদেশ দেয়। গতকাল আদেশের বিষয়টি জানা যায়। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী শাহাদাত আলী এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
সম্রাট এ মামলায় জামিনে ছিলেন। ১৬ জানুয়ারি আদালতে উপস্থিত না থাকায় জামিন বাতিল করে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আদালত। ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর ভোরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে সম্রাট ও তার সহযোগী এনামুল হক আরমানকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। পরে তাকে নিয়ে দুপুর দেড়টার দিকে তার কাকরাইলের কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ভেতর থেকে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ, পিস্তল ও বিরল প্রজাতির বন্যপ্রাণীর চামড়া উদ্ধার করা হয়। বন্যপ্রাণীর চামড়া রাখার দায়ে তাকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত। ওইদিনই রাত পৌনে ৯টার দিকে সম্রাটকে কারাগারে পাঠানো হয়। একই বছরের ৭ অক্টোবর বিকেলে র্যাব-১-এর ডিএডি আবদুল খালেক বাদী হয়ে রমনা থানায় অস্ত্র ও মাদক মামলা করেন। ২০২০ সালের ৬ নভেম্বর অস্ত্র আইনের মামলায় সম্রাটের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা র্যাব-১-এর উপপরিদর্শক শেখর চন্দ্র মল্লিক।
