শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় অবৈধ বালুর গাড়ি আটক করায় ইউএনও অফিস ঘেরাও ও রাস্তা অবরোধের ঘটনা ঘটেছে। গত সোমবার রাতে বালু ব্যবসায়ীরা ইউএনও অফিস ঘেরাও ও রাস্তা অবরোধ করেন। এ সময় তারা ইউএনও এবং স্থানীয় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সেøাগান দেন। পরে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যায় অবৈধ বালু লুটপাট বন্ধের অভিযানে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অনিন্দা রানী বালু ভর্তি একটি মাহিন্দ্র আটক করেন। এ সময় বালু লুটপাটের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে হেলাল মিয়া (৩০), হযরত (২৮), আজিম উদ্দিন (৩১), মনিরাজ (২৫) এবং মাসুদকে (৪৫) এক মাসের জেল ও ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে অবৈধ বালু ব্যবসায়ীরা রাত ৮টার দিকে ইউএনও অফিস ঘেরাও এবং উপজেলা পরিষদের সামনের রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। এতে নেতৃত্ব দেন শ্রমিক দল নেতা মাসুদ আরমান ও শাহীন। এ সময় বিক্ষোভকারীরা ইউএনও এবং সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সেøাগান দেন। পুলিশ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে ব্যর্থ হওয়ায় পরে সেনাবাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।
এ বিষয়ে শ্রমিক দল নেতা মাসুদ আরমান বলেন, ‘বালুর বৈধ কাগজ থাকার পরও উপজেলা প্রশাসন আমার বালুর গাড়ি আটক করে এবং শ্রমিকদের সাজা দেয়।’
ইউএনও আশরাফুল আলম রাসেল বলেন, ‘ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে অবৈধ বালুর গাড়ি আটক ও শ্রমিকদের সাজা দেওয়ায় বালু লুটপাটকারীরা আটককৃত গাড়ি ও শ্রমিকদের ছিনিয়ে নিতে ইউএনও অফিস ঘেরাও ও রাস্তা অবরোধ করেন। পরে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।’
