ফেডারেশন কাপের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে প্রিমিয়ার লিগের হারের বদলা নিয়েছে মোহামেডান। কাগজে কলমে গুরুত্ব না থাকলেও ফকিরেরপুল ইয়ং মেনসকে ৫-২ গোলে হারিয়েছে তারা। তবে চোখ ছিল আজকের আবাহনী-রহমতগঞ্জ ম্যাচে। বিজয়ী দল গ্রুপ সেরা হয়ে খেলবে কোয়ালিফায়ার- এমন সমীকরণের সামনে দাঁড়িয়ে দাপট দেখিয়েছে আবাহনী। ২-০ গোলে ম্যাচ জিতে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ধানমণ্ডির ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটি।
চারটি ম্যাচ জিতেই মারুফুল হকের দল আবাহনী হয়েছে গ্রুপ সেরা। পুরো মৌসুমেই আবাহনীর পারফরম্যান্স নজর কাড়ছে। বিশেষ করে বিদেশিবিহীন দল হয়েও তারা খেলছে ছকে বাঁধা ফুটবল। রহমতগঞ্জের বিপক্ষেও দলটি খেলেছে প্রাধান্য বজায় রেখে। শুরুতেই এনামুল হক গাজীর গোলে লিড নেয় আবাহনী। দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন মোহাম্মদ হৃদয়।
ম্যাচে শুরু থেকেই আবাহনীকে বেশ আক্রমণাত্মক হয়ে খেলতে দেখা যায়। ১২ মিনিটেই তার সুফল পায় তারা। ডান দিক দিয়ে আক্রমণে ওঠা শাহরিয়ার ইমনের কাট ব্যাকে নিখুঁত প্লেসিংয়ে গোলের দেখা পান এনামুল। এই লিড ধরে রেখে বিরতিতে যায়। বিরতি থেকে ফিরে রহমতগঞ্জ অবশ্য গোলের সুযোগ তৈরি করেছিল। তবে তাজ উদ্দিনের ক্রসে স্যামুয়েল বোয়েটাংয়ের প্রচেষ্টা লক্ষ্যে থাকেনি একটুর জন্য। ম্যাচের ৫৭ মিনিটে রহমতগঞ্জকে সমতায় ফেরানোর সেরা সুযোগ নষ্ট করেন নাবিব নেওয়াজ জীবন। পুরনো ক্লাবের বিপক্ষে গোলের সুযোগটা কাজে লাগাতে পারেননি জীবন। মাঝমাঠ থেকে আসা বলে ফ্লিক করে সুবিধাজনক জায়গায় জীবনকে ফ্লিক করে পাঠিয়েছিলেন মামুদ ওশী। তবে আবাহনী কিপার মিতুল মারমাকে একা পেয়েও ছয় গজ দূর থেকে ভলিতে বল পোস্টে রাখতে পারেননি দারুণ ফর্মে থাকা এই অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ড।
এর তিন মিনিট পর ব্যবধান বাড়ায় আবাহনী। শর্ট কর্নার থেকে বল পেয়ে ইব্রাহিম ক্রস করেছিলেন বক্সে। তাতে হেড করে দলের জয় নিশ্চিত করেন অধিনায়ক হৃদয়। আবাহনীর জয়ের ব্যবধানটা বাড়েনি মাহাদী ইউসুফের জোরালো শট ক্রসবারে লেগে ফিরলে।
প্রথম তিন ম্যাচের দুটিতে হেরে বিদায় নেওয়া মোহামেডান শেষটা করেছে বড় জয়ে। লিগে কয়েকদিন আগেই যাদের কাছে প্রথম হারের হতাশায় ডুবতে হয়েছিল, সেই ফকিরেরপুলকে মইনুল ইসলাম মইন ও আরিফ হোসেনের জোড়া গোলে হারায় মোহামেডান।। অন্য গোলটি ছিল আত্মঘাতী।
চ্যাম্পিয়নস লিগ প্লে অফ: ম্যানসিটির প্রতিপক্ষ রিয়াল
বিপিএল মাতিয়ে পাকিস্তান দলে ফাহিম ও খুশদিল