মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের খলিলপুর গ্রামের রায়হান আহমেদ বাড়ির পাশের এক শতক জায়গায় সেপ্টেম্বর মাসে লাগিয়েছিলেন গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ। সেই গাছ এখন বড় হয়ে এসেছে ফলন। বড় পেঁয়াজগুলো মাটির নিচ থেকে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে। ক্ষেত থেকে পেঁয়াজ সংগ্রহে এখন ব্যস্ত কৃষক রায়হান।
কৃষক রায়হান আহমেদ জানান, লাল তীর সিড লিমিটেডের কাছ থেকে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজের বীজ ও চাষাবাদ পদ্ধতি জানতে পারেন তিনি। বীজতলা তৈরি করে এই পেঁয়াজের বীজ লাগান তিনি। গাছ বড় হলে ছত্রাকনাশক ছিটিয়ে দেন। এখন প্রতিটি গাছের নিচে বড় বড় পেঁয়াজ ধরেছে। পেঁয়াজগুলো দেশি পেঁয়াজের মতো স্বাদ। আগামীতে বেশি জমিতে পেঁয়াজ চাষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
সিলেট বিভাগে এর আগে বাণিজ্যিকভাবে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ চাষাবাদ হয়নি। এবারই প্রথম কৃষক রায়হান গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজের আবাদ করেন। শ্রীমঙ্গল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন জানান, খলিলপুরে লাল তীরের প্রদর্শনী মাঠে অনেক ভালো ফলন হয়েছে। আমরা চাই কৃষকরা এই পেয়াজ চাষে আগ্রহী হোক। পেঁয়াজ অন্যান্য ফসলের থেকে লাভজনক এবং এর উৎপাদন খরচও অনেক কম। যদি গ্রীষ্ম ও শীতে পেঁয়াজ সমানভাবে আবাদ করা যায়, তবে আমাদের আমদানি নির্ভরতা কমবে।
