রিয়ালের সঙ্গে ব্যবধান কমাল বার্সা

আপডেট : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৭:৪২ এএম

সেপ্টেম্বরে ঘরের মাঠে যে এস্পানিওলকে ৪-১ গোলে হারিয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ, তাদের কাছেই ফিরতি পর্বে ১-০ গোল হারল তারা। লা লিগায় টানা চার জয়ের এই হার রিয়ালের। সব মিলিয়ে তৃতীয় হারে দ্বিতীয় স্থানের আতলেতিকো মাদ্রিদের সঙ্গে পয়েন্টের ব্যবধান ১-এ নেমে এসেছে। শনিবার আতলেতিকো ২-০ গোলে হারিয়েছে মায়ার্কাকে। আর রবিবার ১-০ গোলে আলাভেসকে হারিয়ে বার্সেলোনা আছে তিনে। রিয়ালের সঙ্গে তাদের ব্যবধান এখন ৪ পয়েন্টের।

শনিবার সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে ম্যাচের ১৫ মিনিটে পায়ে অস্বস্তি অনুভব করায় মাঠ ছাড়েন রিয়ালের অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার আন্টোনিও রুডিগার। তার বদলি নামেন তরুণ রাউল আসেনসিও। ২২ মিনিটে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র বক্স থেকে বল জালে পাঠালেও গোল হয়নি। ৩৯ মিনিটে জুড বেলিংহ্যামের শট রুখে দেন এস্পানিওল গোলকিপার। ৭২ মিনিটে বেলিংহ্যামের কোনাকুনি শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে উড়ে যায়। ৭৬ মিনিটে কাছ থেকে রদ্রিগোর শট গোলরক্ষকের হাত ছুঁয়ে পোস্টে লাগে। ৮৫ মিনিটে পাল্টা আক্রমণে বক্সের কোনা থেকে ভলিতে গোল করে রিয়ালকে স্তব্ধ করে দেন রোমেরো।

এর আগে ৬১ মিনিটে কিলিয়ান এমবাপ্পে দৌড়ানো অবস্থায় তাকে ট্যাকল করে ফেলে দেন রোমেরো। খালি চোখেই বোঝা যাচ্ছিল, রোমেরো ইচ্ছাকৃতভাবে বিপজ্জনক ফাউলটি করেছেন। এ ঘটনায় রেফারি তাকে হলুদ কার্ড দেখান, যা নিয়ে ম্যাচ শেষে আপত্তি তোলেন রিয়াল কোচ কার্লো আনচেলত্তি। ‘রেফারি ও ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, সেটা ব্যাখ্যার কিছু নেই। সবাই দেখেছে কী ঘটেছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে খেলোয়াড়ের সুরক্ষা নিশ্চিত করা। সে জায়গায় পরিষ্কার ফাউল হলো। খুবই কুৎসিত। সৌভাগ্যবশত খারাপ কিছু ঘটেনি। কিন্তু এটা দেখার জন্য ভিএআর ছিল। এ ঘটনায় লাল কার্ড না দেখানোটা আমাদের কাছে ব্যাখ্যাতীত।’ ফাউল করা রোমেরো নিজেও পরে স্বীকার করেছেন এমবাপ্পের ফাউলটি কুৎসিত ছিল। এজন্য এমবাপ্পের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন তিনি।

অলিম্পিক স্টেডিয়ামে বার্সেলোনা ও আলাভেসের ম্যাচ প্রথমার্ধে ছিল গোলশূন্য। এই উল্লেখযোগ্য ঘটনাটা ঘটে সপ্তম মিনিটে একে অপরের সঙ্গে সংঘর্ষে আঘাত পান বার্সেলোনার গাভি ও আলাভেসের তমাস কোনেচেনি। তাতে খেলা বন্ধ থাকে লম্বা সময়। স্ট্রেচারে বাইরে নেওয়া হয় কোনেচেনিকে। গাভি উঠে দাঁড়িয়ে আবার খেলতে চাইলেও তার বদলি নামানো হয় ফের্মিন লোপেসকে। ৬১ মিনিটে গোলের দেখা পায় বার্সেলোনা। পেদ্রির ক্রসে ইয়ামালের ভলি আলাভেসের এক খেলোয়াড়ের পিঠে লাগার পর দূরের পোস্টে ভলিতে বল জালে পাঠান লেভানডফস্কি। মৌসুমে লা লিগার সর্বোচ্চ স্কোরার লেভার গোল হলো ২১ ম্যাচে ১৮টি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত