বগুড়ার শেরপুর থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মোক্কাছ আলীর (৪৮) বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ ও তদন্তে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠেছে। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে এ বিষয়ে ইউএনও বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন এক নারী। অভিযোগকারী উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের দড়িমুকুন্দ গ্রামের বাসিন্দা রুবি আক্তার ঊর্মী।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কয়েকজন ব্যক্তি রুবির বোন ঊর্মীলা খাতুনের জমি জবরদখল করে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এ ঘটনায় গত ৬ ফেব্রুয়ারি শেরপুর থানায় ঊর্মীলা লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্তের দায়িত্ব পান এএসআই মোক্কাছ আলী। তদন্ত করতে গিয়ে তিনি ভুক্তভোগীদের থেকে দুই দফায় ২ হাজার টাকা নেন। এরপর গত মঙ্গলবার রাতে হোয়াটসঅ্যাপে রুবিকে কল দেন মোক্কাছ আলী। এরপর অসাবধানতাবশত তিনি কল না কাটলে অপর প্রান্তে বিবাদীদের সঙ্গে তার কথোপকথন শুনতে পান রুবি। ওই কথোপকথনে এএসআই বিবাদীদের থেকে ২০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন এবং তাদের পক্ষাবলম্বন করছেন।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে মোক্কাছ আলী বলেন, ‘আমি নিয়ম মেনে তদন্ত করছি। আগামী সোমবার দুই পক্ষকে নিয়ে থানায় বৈঠক করার কথা রয়েছে।’
