ভুয়া সনদে প্রধান শিক্ষক, সাময়িক বরখাস্ত

আপডেট : ০৭ মে ২০২৫, ১২:৫৫ এএম

রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বড় বদনাপাড়া নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠার পর কেরানী হিসেবে নিয়োগ পান মোর্শেদা বেগম। পরে ভুয়া সনদ দেখিয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ নেন তিনি। এ ঘটনায় অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক মোর্শেদা বেগমকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

বিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা বলেন, মোর্শেদা বেগম বিদ্যালয়টি এমপিওভুক্তির পর রাতারাতি ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ নেন। এ কাজে তাকে সহায়তা করেন বিদ্যালয়টির সভাপতি ও তার স্বামী রেজাউল করিম।

তারা আরও জানান, এ ব্যাপারে অভিযোগের প্রেক্ষিতে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির রিপোর্ট পাওয়ার পর গত ২৫ এপ্রিল বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাদিজা বেগম তাকে সাময়িক বহিষ্কার করেন।

তদন্ত রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়, ২০০৫ সালে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার সময় মোর্শেদা বেগম চতরা ডিগ্রি কলেজ থেকে বিএ পাসের যে সনদ প্রদান করেছেন, তা সম্পূর্ণ ভুয়া। ওই সময় চতরা ডিগ্রি কলেজে ডিগ্রি কোর্স খোলা হয়নি। পরে তিনি ২০১০ সালে উন্মুক্ত বিশ^বিদ্যালয় থেকে বিএ পাসের সনদ দাখিল করে পুনরায় ২০১৪ সালে নিয়োগ গ্রহণ করেন। তিনি সেই নিয়োগ সংক্রান্তের কোনো প্রমাণপত্রও দেখাতে পারেননি।

তদন্তে আরও উল্লেখ করা হয়, মোর্শেদা বেগমকে ওই প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পদে দেখা গেছে। কিন্তু ২০০৫ সালের পর ওই বিদ্যালয়ে আর কোনো নিয়োগই হয়নি। এজন্য মোর্শেদা বেগমের প্রধান শিক্ষক হিসেবে থাকার কোনো বৈধতা নেই।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত