২০২২-এর ড্যাপ আইন অপরিকল্পিত। রাজউক যে শ্রেণির জন্য ড্যাপ করেছে তা জনস্বার্থে নয়। বৈষম্যপূর্ণ ড্যাপ বাতিল করে সংশোধনী আনা জরুরি। এ ছাড়া রাজউককে গৃহায়ন ব্যবসা বন্ধের দাবি জানানো হয়। আর এই দাবি না মানলে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। তবে ড. ইউনূস সরকারকে চাপ না দিয়ে সহযোগিতা করতে হবে। গতকাল শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে তফাজ্জল হোসেন হলরুমে ‘আবাসন সেক্টরের সংকট ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব কথা বলেন।
ঢাকা সাউথ ডেভেলপারস ফোরামের (ডিএসএফ) সভাপতি মো. ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন এফবিসিসিআইএর সাবেক সহসভাপতি আবুল কাসেম হায়দার, ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্ট বাংলাদেশের (আইএবি) সহসভাপতি স্থপতি ড. আবু সৈয়দ মোস্তাক আহমেদ, রিহ্যাব ফাইন্যান্সের ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. আব্দুর রাজ্জাক, ঢাকা সিটি ল্যান্ড অনার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ডিসিএলএ) প্রধান সমন্বয়ক ড. দেওয়ান এমএ সাজ্জাদ, উত্তরা ডেভেলপারস ফোরামের সভাপতি মো. ইব্রাহিম সরকার, মিরপুর রিয়েল এস্টেট ফোরামের জেনারেল সেক্রেটারি মুহাম্মদ শামীম হাসান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, প্রকৃতপক্ষে ডেভেলপার বিজনেসে যারা নিয়মিত তাদের সংগঠন করা উচিত। রাজনৈতিক দলের কোনো নেতা বা এই ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত নেই তাদের এখানে প্রয়োজন নেই। আপনাদের কষ্ট ও ব্যথা আপনারা ভালো বুঝবেন। আপনাদের যৌক্তিক আন্দোলনের মাধ্যমে রাজউকের যে নিয়ম বা সিস্টেম আছে তা ভেঙে দিতে হবে।
