লাহোরে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে ২০২ রানের লক্ষ্যে ঝড়ো শুরুই করেছিল বাংলাদেশ। দলীয় ৪৪ রানে বাংলাদেশ যখন প্রথম উইকেট হারায়, তখন ইনিংসের চতুর্থ ওভারের পঞ্চম বল। সেই থেকে শুরু। ১০ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর দাঁড়ায় ৭ উইকেটে ৭৭ রান। তবে তানজিম সাকিবের প্রথম টি-টোয়েন্টি ফিফটিতে শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ ১৪৪ রান তোলে।
পাকিস্তান ম্যাচটি জেতে ৫৭ রানে। তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথমটি স্বাগিতকরা জিতেছিল ৩৭ রানে। ফলে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত হলো পাকিস্তানের। ২০২১'র ডিসেম্বরের পর এই প্রথম ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতল পাকিস্তান।
গত সপ্তাহে আরব আমিরাতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ হারে বাংলাদেশ। এবার পাকিস্তানের বিপক্ষেও সিরিজ হারলেন লিটনরা।
রান তাড়া করতে নেমে প্রথমে ব্যক্তিগত ৮ রান করে ফিরে যান পারভেজ ইমন। তিনি ফেরার চার বলের মধ্যে আউট হন আরেক ওপেনার তানজিদ হাসানও। ফাহিম আশরাফের বলে শর্ট লেগে আবরার আহমেদের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন এই বাঁহাতি। তানজিদ ৫ চার, ১ ছক্কায় ১৯ বলে করেন ৩৩ রান। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে হাসান আলির স্লোয়ারে মিড অনে ক্যাচ দেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। শততম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে লিটন করেন ৯ বলে ৬ রান।
ইনিংসের সপ্তম ওভারে আবরার আহমেদ পর পর দুই বলে আউট করেন তাওহীদ হৃদয় (৫) ও জাকের আলী অনিককে (০)। হাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগালেও সেটি করতে পারেননি আবরার। ১৮ বলের মধ্যে ৫ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
এরপর আবরার ফেরন শামীম পাটোয়ারীকেও (৭)। আসা-যাওয়ার মিছিলে যোগ দেন রিশাদ হোসেন (১)। তাতে ৪৪/০ থেকে ৭৭/৭ এ পরিণত হয় বাংলাদেশের স্কোর। ৩৩ বলের মধ্যে ৭ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মাঝে এক প্রান্ত আগলে রেখেছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তার সঙ্গে তানজিম হাসান সাকিব এর ৩৩ রানের জুটিতে একশো পেরোয় বাংলাদেশ। মিরাজ ১৭ বলে ২৩ রান করে খুশদিলের বলে হারিস রউফের হাতে ধরা পড়লে জুটি ভাঙে।
এরপর পর বাংলাদেশের হারটা ছিল সময়ের ব্যাপার। কারণ শরিফুল ইসলাম আঘাত পেয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন পাকিস্তানের ব্যাটিং ইনিংসের দ্বিতীয় ওভরেই। তবে তানজিম সাকিবের ৩১ বলে ৫০ রানের ইনিংসে হারের ব্যবধান কমায় বাংলাদেশ। তানজিম সাকিবের ইনিংসে ছিল ৫ ছক্কা ও ১ চার।
আবরার আহমেদ ১৯ রানে নেন ৩ উইকেট।
