নির্বাচন নিয়ে গোলকধাঁধা

আপডেট : ০১ জুন ২০২৫, ০৫:৫৬ পিএম

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে দেশের অন্যতম বড় রাজনৈতিক দল বিএনপির মনোমালিন্য প্রকাশ্যে চলে এসেছে বলা যায়। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বহুদিন ধরেই চলতি বছরের ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে নির্বাচনের কথা বলে আসছেন। নির্বাচনের দিনক্ষণ বা রোডম্যাপ না দিলেও, তিনি এ সময়ের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করতে চান। জাপান সফরে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস একই অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন, যেকোনো পরিস্থিতিতে আগামী বছরের জুনের মধ্যে বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, যা বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার গৃহীত সংস্কার কার্যক্রম সামনে এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে।  তিনি বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকার তিনটি প্রধান বিষয়ে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে। তা হলোÑ সংস্কার, খুনিদের বিচার ও সাধারণ নির্বাচন আয়োজন। পক্ষান্তরে বিএনপি শুরু থেকেই সরকারের কাছে নির্বাচনী রোডম্যাপ চাইছে। না পেয়ে সাম্প্রতিক সময়ে চলতি বছর ডিসেম্বরের মধ্যে তারা নির্বাচন দাবি করেছে। গত বৃহস্পতিবার দলের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান অনেকটা আল্টিমেটামের সুরেই বলেছেন, ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন হতে হবে। অন্য একটি অনুষ্ঠানে আবার বলেছেন, ডিসেম্বরের আগেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব। তার এই বক্তব্যের জেরে জাপান সফররত প্রধান উপদেষ্টা বলেছেনÑ দেশের সব দল নয়, একটি নির্দিষ্ট দল ডিসেম্বরে নির্বাচন চাইছে। প্রতিউত্তরে বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস বলেছেনÑ একজন মাত্র ব্যক্তি ডিসেম্বরে নির্বাচন চান না, তিনি ড. ইউনূস। ‘ডিসেম্বরে মাত্র একটি দল নির্বাচন চায়’ প্রধান উপদেষ্টার এমন বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে ১২ দলীয় জোটের নেতারা ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন দাবি করে বিবৃতি প্রকাশ করেছে। বিবৃতিতে তার বলেছেনÑ এ বছরের ডিসেম্বরে কেবল একটি দল নয়, দেশের সব গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল নির্বাচন চায়। এর ফলে নির্বাচন নিয়ে সরকারের সঙ্গে কথার যুদ্ধ শুরু হয়েছে বিএনপি ও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে।

সম্প্রতি সেনাবাহিনীর প্রধান ওয়াকার-উজ-জামান সেনাবাহিনীর একটি অনুষ্ঠানে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন। সেনাপ্রধান এর আগেও একই মতামত দিয়েছিলেন। তবে নতুন গঠিত রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি এবং জামায়াতসহ ইসলামি কয়েকটি দল নির্বাচন নিয়ে সরকারকে চাপ দিতে চায় না। জাপানে ড. ইউনূসের নির্বাচন ঘিরে বক্তব্যের জেরে জামায়াতের সুনির্দিষ্ট মন্তব্য পাওয়া যায়নি। জামায়াত মনে করে, আগামী ফেব্রæয়ারি বা এপ্রিলে নির্বাচন আয়োজন করা যেতে পারে। আর এনসিপি চায় সংস্কার, জুলাই সনদ ও বিচারের পর নির্বাচন নিয়ে অগ্রসর হওয়া যায়। এর ফলে নির্বাচন নিয়ে এক প্রকার গোলকধাঁধা সৃষ্টি হয়েছে। মনে হচ্ছে, বিষয়টি নিয়ে রাজনীতির মাঠ গরম হতে পারে। সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টার পদত্যাগ করতে চাওয়ার পর রাজনৈতিক দলের নেতারা তার সঙ্গে দেখা করে তার প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। পাশাপাশি দ্রæত নির্বাচন করারও পরামর্শ দিয়েছেন তারা। এরপর প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে স্পষ্ট করা হয়, আগামী বছর ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন হবে। ৩০ জুনের পর এই সরকার আর একদিনও থাকবে না। অন্য উপদেষ্টাদের মুখ থেকেও আমরা এ কথা শুনেছি। 

তবে নির্বাচন কবে? জাপানের নিক্কেই ফোরামে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধান উপদেষ্টা জানিয়েছেন, অন্তর্বর্তী সরকার তিনটি লক্ষ্যে কাজ করছে। এগুলো হলোÑ সংস্কার, বিচার এবং নির্বাচন। এর মানে, সংস্কারকে ড. ইউনূস সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। তাহলে সংস্কার কার্যক্রম কত এগিয়েছে সেটার খোঁজ করা যেতে পারে। সম্প্রতি একটি দৈনিক পত্রিকায় সংস্কারের অবস্থা নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ওই প্রতিবেদন থেকে জানা যায়Ñ সংবিধান, নির্বাচন ব্যবস্থা, বিচার বিভাগ, জনপ্রশাসন এবং দুর্নীতি দমন কমিশন সংস্কারে ১৬৬ সুপারিশের অধিকাংশেই রাজনৈতিক দলগুলো একমত বা আংশিক একমত হয়েছে। গত ১৩ ফেব্রæয়ারি ঐকমত্য কমিশন গঠন হয়। ইতিমধ্যে ঐকমত্য কমিশন ৩৩টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে প্রথম ধাপে বৈঠক করেছে। বেশ কিছু ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দূরত্ব থাকায় কমিশন ঈদের পর রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দ্বিতীয় দফা বৈঠক করবে। প্রথম দফার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ, নির্বাচন পদ্ধতি, প্রধানমন্ত্রী দলীয় প্রধান হতে পারবেন না, সংসদীয় দলের নেতা হতে পারবেন না, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা হ্রাস, সংখ্যানুপাতিক উচ্চকক্ষ, জাতীয় সাংবিধানিক কাউন্সিল (এনসিসি), এনসিসির মাধ্যমে সাংবিধানিক নিয়োগ, নারী আসনে সরসরি নির্বাচন, সংবিধান সংশোধনে গণভোট, সংস্কার বাস্তবায়ন পদ্ধতি, জ্যেষ্ঠতম বিচারপতি প্রধান বিচারপতি, রাষ্ট্রমূল নীতিতে বহুত্ববাদের মতো বিষয়গুলো রাজনৈতিক দলগুলোতে মতপার্থক্য রয়েছে। বিশেষ করে বিএনপি, জামায়াত ও জুলাই অভ্যুত্থানের পর ছাত্রনেতৃত্বে গঠিত এনসিপির মতকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে উপদেষ্টা পরিষদ রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত ছাড়াই যে ১২১টি সংস্কার প্রস্তাব ‘আশু বাস্তবায়নযোগ্য’ ঘোষণা করেছিল, গত আড়াই মাসেও সেগুলো বাস্তবায়িত হয়নি। পাঁচটি সংস্কার কমিশনের সুপারিশ থেকে উপদেষ্টা পরিষদ এই সুপারিশগুলো নিজেরা সরাসরি বাস্তবায়নের জন্য বাছাই করে। গত ২২ মে উপদেষ্টা পরিষদ সুপারিশগুলোর বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে কিছু দিকনির্দশনা দিয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, এই সুপারিশগুলো আদৌ বাস্তবায়নযোগ্য কিনা, বাস্তবায়নযোগ্য হলে বাস্তবায়নের সম্ভাব্য সময়সীমা, বাস্তবায়নের প্রভাব কী হবে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগ থেকে মতামত নিতে হবে। এরপর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ তা আবার উপদেষ্টা পরিষদে উপস্থাপন করবে। আড়াই মাস পর এই নির্দেশনা এসেছে। এখন সব বিভাগ, মন্ত্রণালয় থেকে মতামত পেতে আরও কয়েক মাস লাগতে পারে। যদিও মন্ত্রণালয়ের সচিবরা বলতে পারছেন না, এ কাজ শেষ হতে কত সময় লাগবে।

এদিকে সংস্কারের সুপারিশগুলো কীভাবে বাস্তবায়ন হবে, এ নিয়েও রাজনৈতিক দলগুলো বিপরীতমুখী অবস্থানে রয়েছে। বিএনপি চায়, কমিশনের সঙ্গে সংলাপে রাজনৈতিক দলগুলোর যেসব বিষয়ে ঐকমত্য হবে, তা নিয়ে সই হবে জুলাই সনদ। এর ভিত্তিতে পরবর্তী সংসদে সাংবিধানিক সংস্কার হবে। জামায়াত এতে রাজি নয়। দলটির ভাষ্য, অতীতে সংবিধানের ১৭টি সংশোধনীর ছয়টি আদালতে আংশিক বা পুরোপুরি বাতিল হয়েছে। ঐকমত্যের মাধ্যমে সাংবিধানিক সংশোধনী হলে আবারও একই পরিণতি হতে পারে। তাই দ্বাদশ সংশোধনীর মতো এবারের সাংবিধানিক সংস্কার হতে পারে গণভোটের মাধ্যমে, যাতে ভবিষ্যতে কেউ প্রশ্ন তুলতে না পারে। আর এনসিপির দাবি, গণপরিষদে সংবিধান সংশোধন হোক। জাতীয় সংসদ ও গণপরিষদ নির্বাচন একই সঙ্গে হবে। পরবর্তী আইনসভাই গণপরিষদের ভ‚মিকায় থাকবে। সংবিধান সংস্কারের পর তা সংসদে আইনে রূপান্তরিত হবে। তবে গণসংহতি আন্দোলনসহ কয়েকটি দল গণপরিষদের ধারণাকে সমর্থন দিলেও, বিএনপি-জামায়াত এর ঘোরবিরোধী। বিএনপি নেতারা মনে করেন, আগামীতে একটিই নির্বাচন হবে, তা হবে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সংসদ সাংবিধানিক সংস্কার করবে। এ ছাড়া সংবিধান সংশোধনের আর কোনো পথ নেই। গণপরিষদ সেসব দেশে হয়, যেখানে নতুন সংবিধান প্রণয়ন করতে হয়। বাংলাদেশের সংবিধান আছে। অন্যদিকে জামায়াত নেতারা মনে করেন, সংসদে পাস হওয়া সংবিধানে সংশোধনী প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বদল হয়ে যায়। এ অভিজ্ঞতার কারণে গণভোট টেকসই পদ্ধতি। আর এনসিপি নেতাদের মতে, পাকিস্তানের সত্তরের নির্বাচনে গঠিত গণপরিষদে বাহাত্তর সালে বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন ও অনুমোদন করা হয়েছিল। সেখানে আওয়ামী লীগের আদর্শ স্থান পেয়েছে। এখন হতে হবে চব্বিশের অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশের প্রত্যাশা, জনগণের অভিব্যক্তি ধারণ করে এমন সংবিধান।

এ থেকে যেটা বোঝা যায়, ড. ইউনূস সংস্কারকে বেশি গুরুত্ব দিলেও এই সংস্কার নিয়ে অনেক ব্যবধান আছে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে। ব্যবধান কিন্তু কম নয়, অনেক বেশি। যে দূরত্ব দু-এক মাসে বা ছয়-নয় মাসে কমানো সম্ভব নয়। কোনো দলই চাইবে না, নিজেদের গুরুত্বহীন করে তুলতে। যার প্রেক্ষিতে ঐক্যের জন্য ছাড় দিলেও সেটা খুব বেশি ফল দেবে না। ছাত্রদের দল এনসিপির প্রতি ড. ইউনূসের বিশেষ দুর্বলতা রয়েছে বলে রাজনৈতিক মহল থেকে দাবি করা হয়। সেটা অমূলক নয়। কারণ জুলাই বিপ্লবের পর ড. ইউনূসকে ক্ষমতায় বসিয়েছে ছাত্ররা। এ ছাড়া ছাত্রদের বিপ্লবকে ড. ইউনূস মর্যাদা দেন। এর প্রেক্ষিতে এনসিপির চাহিদা মতো সংস্কার এগিয়ে নিতে গেলে নির্বাচন নিয়ে আগামী কয়েক বছর ভাবা যাবে না। কিছুদিন আগে আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল নতুন সংবিধান প্রণয়ন প্রসঙ্গে বলেছেন, নতুন সংবিধান প্রণয়নে দুই থেকে তিন বছর সময় লাগতে পারে। পার্শ্ববর্তী দেশে এমন উদাহরণ আছে যে আট থেকে নয় বছর লেগেছে।

জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচারও নির্বাচনের আগে করতে চায় সরকার। শেখ হাসিনাসহ তিনজন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে তদন্ত সংস্থার জমা দেওয়া পাঁচটি অভিযোগই চ‚ড়ান্ত করেছে প্রসিকিউশন। গত ২৮ ডিসেম্বর আইন উপদেষ্টা বলেছিলেন, আগামী ১৬ ডিসেম্বরের আগে জুলাই গণহত্যার বিচার শেষ করা হবে। বিচার সম্পন্ন করে বিজয় উদযাপন করা হবে। আইন উপদেষ্টার ওই বক্তব্য অনুসারে, আগামী ৬ মাসের মধ্যে জুলাই গণহত্যার বিচার শেষ হওয়ার কথা। তবে সম্প্রতি আইন উপদেষ্টা তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রধান আসামি হিসেবে শেখ হাসিনার মামলার বিচারের শুনানি পর্ব শুরু হচ্ছে অচিরেই। ইনশাল্লাহ্, ড. ইউনূস স্যারের সরকারের শাসনামলেই এই বিচারের রায় পেয়ে যাব আমরা। অন্যদিকে এ মামলায় প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে আনুমানিক ৫০ জন সাক্ষী দিতে পারেন বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামীম। যিনি একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াত নেতাদের আইনজীবী ছিলেন। তিনি একা নন, ওই ট্রাইব্যুনালে অভিযুক্তদের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন, তাদের অনেকে এখন প্রসিকিউশন টিমে এসেছেন। পরিবর্তিত এই ট্রাইব্যুনাল এখন জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হত্যাকাণ্ডের বিচার করছে। এতে আইনগত বাধা না থাকলেও এ নিয়ে ভবিষ্যতে বিতর্ক হতে পারে। ২০১০ সালের ২৫ মার্চ একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। ২০১৩ সালে প্রথম রায় আসে। অর্থাৎ প্রায় তিন বছর লেগেছিল ওই বিচারে। তবে শেখ হাসিনার বিচারে এত সময় লাগবে না খুবই স্বাভাবিক। তার অপরাধের সকল রেকর্ডপত্র তৈরি আছে। নিয়মিত মামলা চললে ডিসেম্বরের বিজয় দিবসে আইন উপদেষ্টা বিজয় উদযাপন করতে পারবেন বৈ কি।

মূলত সংস্কার ও বিচারকে ড. ইউনূস প্রাধান্য দিয়েছেন। কিন্তু ড. ইউনূসের নির্বাচনের ঘোষিত তারিখ অনুসারে তার হাতে সময় আছে প্রায় এক বছর। এ সময়ে সংস্কারে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠা করতে হবে। পাশাপাশি মামলার বিচার দ্রæত করতে হবে। ড. ইউনূস বলছেন, আমার কোনো রাজনৈতিক অভিলাষ নেই। নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করাই আমার প্রধান লক্ষ্য। মানুষের ন্যায়বিচার, সমতা, স্বাধীনতা, মর্যাদা নিশ্চিত এবং গণতন্ত্র মসৃণ রূপান্তরের লক্ষ্যে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য সাধারণ নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার। তবে নির্বাচন প্রশ্নে সব পক্ষের ঐক্য তিনি গড়তে পারবেন কিনাÑ এ নিয়ে এখনো সংশয় আছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত