ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে ময়মনসিংহের ভালুকা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) জারজীর্ণ সীমানাপ্রাচীরে ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে অন্তত ১০টি পরিবার। দীর্ঘদিনের পুরনো দেয়ালটি এসব পরিবারে ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত বুধবার বিষয়টি সমাধানের জন্য সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী বরাবর আবেদন করেছেন ভুক্তভোগী শহিদুল ইসলাম। এর আগে সওজের স্থানীয় অফিস, পৌরসভা এবং উপজেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে লিখিত ও মৌখিকভাবে বিষয়টি অবহিত করেছেন ভুক্তভোগীরা।
প্রধান প্রকৌশলী বরাবর দেওয়া আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ভালুকা পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড এলাকায় অবস্থিত মহাসড়কঘেঁষা সড়ক ও জনপথ বিভাগের পরিদর্শন বাংলোর সীমানাপ্রাচীর অনেক পুরনো। অনেক জায়গায় এই প্রাচীর ধসে পড়ছে। প্রাচীরের পেছনে থাকা একটি পরিবার এতে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। কিছু জায়গায় জারজীর্ণ অবস্থায় আছে। জরাজীর্ণ সীমানাপ্রচীর ধসে যেকোনো মুহূর্তে ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা।
ভুক্তভোগীরা বলছেন, সওজের সীমানাপ্রচীরের কারণে তারা নাগরিকসেবা থেকে বঞ্চিত। সড়ক ও জনপথ বিভাগের পরিদর্শন বাংলোর সীমানাপ্রাচীরের কিছু অংশ অপসারণ করে, একমাত্র চলাচলের সরু পথটি (সংযোগ সড়ক) প্রশস্ত করলে বাসিন্দাদের চলাচলে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ ও ভোগান্তির অবসান হবে।
শহিদুল ইসলাম বলেন, সওজের বাংলোর সীমানাপ্রাচীরের কারণে স্বাভাবিক যাতায়াত করা সম্ভব হচ্ছে না। হেঁটে সওজের সীমানাপ্রাচীরের কাছে গিয়ে মাথা নুয়ে বা দূরবর্তী স্থান দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। বাড়িতে প্রয়োজনীয় মালামাল নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। সড়ক ও জনপথ বিভাগের পরিদর্শন বাংলোর উত্তর পাশ দিয়ে চলাচলের একমাত্র সরু পথ দিয়ে খাটিয়ায় করে লাশ বহন করাও সম্ভব হয়না।
ভালুকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জানান, এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
