কুমিল্লার বরুড়া উপজেলায় শিশু ও কিশোরী ধর্ষণের পৃথক ঘটনায় দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে বরুড়া থানা পুলিশ। উপজেলার ভাউকসার ইউনিয়নের পরানপুর গ্রাম ও বরুড়া পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের কাসেড্ডা গ্রামে পৃথক এ ঘটনা দুটি ঘটে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- ভাউকসার ইউনিয়নের পরানপুর গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে এনামুল হক এনাম (২১) ও উপজেলার পৌর এলাকাধীন ৭ নং ওয়ার্ডের কাসেড্ডা গ্রামের মনির হোসেনের ছেলে তোফাজ্জল হোসেন হৃদয় (২৪)। শনিবার (১৪ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেন বরুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী নাজমুল হক।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় আট বছরের এক শিশুকে পার্শ্ববর্তী ধানের জমিতে নিয়ে ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করেন একই এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে এনামুল হক এনাম। এতে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে পরবর্তী হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে ধর্ষণ করেছে মর্মে পরিবারকে অবহিত করেন।
ওইদিনে পরিবারের পক্ষ থেকে বরুড়া থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ শুক্রবার (১৩ জুন) রাতে অভিযুক্ত এনামুল হক এনামকে গ্রেপ্তার করে।
অপর ঘটনাযর মামলার বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, বরুড়া উপজেলার মনির হোসেনের ছেলে তোফাজ্জল হোসেন হৃদয় (২৪) সম্প্রতি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার এক কিশোরীর সাথে মোবাইল ফোনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। একপর্যায়ে তোফাজ্জল হোসেন হৃদয় ওই কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে তার বাড়িতে নিয়ে আসে। সেখানে তিন দিন যাবত আটক রেখে ধর্ষণ করে। পরে ওই কিশোরীকে বিয়ে না করে তাড়িয়ে দেয় তোফাজ্জল। এই ঘটনায় ওই কিশোরী বাদী হয়ে বরুড়া থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ তোফাজ্জল হোসেন হৃদয়কে গ্রেপ্তার করে।
বরুড়া থানার ওসি কাজী নাজমুল হক জানান, আমরা পৃথক দুই ঘটনার অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করেছি। ধর্ষণের শিকার শিশু ও কিশোরীকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে ও গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
সিলেটের কোনো পাথর কোয়ারি আর লিজ দেওয়া হবে না: রিজওয়ানা
মানুষকে মামলার অভিশাপ থেকে মুক্তি দিতে কাজ করছি