খুলনায় চরমপন্থি নেতা ও দিঘলিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য নাসিমকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে ২৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত পরিচয়ে আরও ২৫-৩০ জনকে আসামি করে থানায় মামলা করে।
বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) মামলা দায়ের পর অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত দুই জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- দিঘলিয়া উপজেলার ফরমাইশখানা এলাকার বাসিন্দা রেজাউল করিম এবং আল মামুন।
স্থানীয়রা জানান, বুধবার সন্ধ্যায় দিঘলিয়া থানার কয়েকজন অফিসার চরমপন্থি নেতা নাসিমের অবস্থান জানতে পেরে উপজেলার ফরমাইশখানার গোলারঘাট এলাকায় অভিযান চালায়। তারা একটি চায়ের দোকান থেকে নাসিমকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের ঘটনাটি জানতে পেরে ৫০-৬০ জন সেখানে উপস্থিত হয়ে পুলিশের কাছ থেকে নাসিমকে ছিনিয়ে নেয়। পরবর্তীতে নাসিম সেখান থেকে সটকে পড়ে। পুলিশ তাকে আর গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
দিঘলিয়াথানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এইচ এম শামিম বলেন, নাসিম এক সময়ে পূর্ব বাংলার সক্রিয় সদস্য ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি আওয়ামী লীগের যোগদান করেন। তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে দুটি হত্যা মামলা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গেল ৫ আগস্ট পর তার বিরুদ্ধে দিঘলিয়া থানায় নাশকতা মামলা হয়। সেই মামলায় তাকে গ্রেপ্তারের জন্য থানা থেকে কয়েকজন অফিসার উপজেলার গোলাঘাট এলাকায় গিয়ে তাকে গ্রেপ্তার। পরে তাকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটে। সরকারি কাজে বাঁধা দেওয়ার অভিযোগে সেনহাটি পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এস আই তাইজুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। নাসিমকে গ্রেপ্তার করতে সম্ভাব্য স্থানে অভিযান চালানো হচ্ছে।
চৌদ্দগ্রামে কাভার্ডভ্যান চাপায় যুবকের মৃত্যু
শাবিপ্রবি ছাত্রীকে অচেতন করে ‘ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ’, দুই সহপাঠী আটক