রাজধানীর সূত্রাপুরের কাগজীটোলা এলাকায় একটি বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে সৃষ্ট বিস্ফোরণে একই পরিবারের পাঁচ সদস্য দগ্ধ হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছে এক দেড় বছর বয়সী শিশু। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক। ঘটনাটি ঘটে গত বৃহস্পতিবার রাত ২টার দিকে।
পুলিশ দগ্ধদের উদ্ধার করে রাত সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। দগ্ধরা হলেন ভ্যানচালক রিপন (৩৫), তার স্ত্রী মোছা. চাঁদনী, তাদের সন্তান মো. তামিম, মো. রোকন এবং মোছা. আয়েশা।
বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, তারা সবাই আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন। তিনি বলেন, রিপনের শরীরের ৬০ শতাংশ, চাঁদনীর ৪৫, তামিমের ৪২, রোকনের ৬০ এবং আয়েশার ৬৩ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। এ ছাড়া তাদের শ্বাসনালিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
পরিবারটির গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী থানার জুগির হাওলা এলাকায়। তারা কাগজীটোলার দেবেন্দ্র দাস লেনের ৩২/১ নম্বর পাঁচতলা ভবনের নিচতলায় ভাড়া থাকেন। রিপনের মামা জাকির হোসেন জানান, সূত্রাপুরের কাগজীটোলায় সাঈদ চেয়ারম্যানের বাড়ির পাশের একটি পাঁচতলা ভবনের নিচতলায় ভাড়া থাকত পরিবারটি। রাতে সবাই ঘুমিয়ে ছিলেন, হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে তারা আগুনে দগ্ধ হন। বাসার আসবাবপত্রও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আশপাশের ভাড়াটিয়ারা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
সূত্রাপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহমুদ হাসান নাঈম জানান, জমে থাকা গ্যাসের সঙ্গে মশার কয়েল বা সিগারেটের আগুন থেকে এ ঘটনা ঘটতে পারে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। আগুনে প্রায় ১ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।
