সুন্দরগঞ্জে চাচা মাগুরায় স্ত্রীকে হত্যা

আপডেট : ১৩ জুলাই ২০২৫, ০৭:৩৪ এএম

মাগুরায় দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামী মিজানুর মোল্যার রডের আঘাতে সোনালী বেগম (৪০) নামের এক নারী নিহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে শালিখা উপজেলার হরিশপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে গত শুক্রবার রাতে ভাতিজার ছুরিকাঘাতে জিয়ারুল ইসলাম (৪৪) নামের এক ব্যক্তি নিহত হন।

শালিখায় অভিযুক্ত মিজানুরের প্রতিবেশী জুয়েল হাসান জানান, শনিবার ভোরে মিজানুরকে তার বাড়ির সিঁড়িতে বসে থাকতে দেখেন। মিজানুর ঘরে ঢুকতে চাইলেও স্ত্রী সোনালী বেগম দরজা খুলছিলেন না। জুয়েল হাসান কাজে চলে যাওয়ার সময় বাড়ি থেকে চিৎকারের শব্দ শুনে ফিরে এসে দেখেন মিজানুরের মেয়ে মদিনা খাতুন চিৎকার করে বলছে, ‘আব্বা মাকে মেরে ফেলেছে।’ পরে পুলিশ সোনালী বেগমের লাশ উদ্ধার করে।

শালিখা থানার ওসি মোহাম্মদ ওলি মিয়া জানান, পারিবারিক কলহের জেরেই স্বামী মিজানুর মোল্যা শিশু সন্তান মদিনা খাতুনের সামনে সোনালী বেগমকে রড দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করেছে। ঘটনার পর থেকে মিজানুর মোল্যা পলাতক রয়েছে।

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে পারিবারিক কলহের জেরে ভাতিজার ছুরিকাঘাতে জিয়ারুল ইসলাম (৪৪) নামের এক ব্যক্তি নিহত হন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন নিহতের স্ত্রী ও ছেলে। গুরুতর অবস্থায় তাদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

গত শুক্রবার গভীর রাতে উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের তালুক বেলকা (মাঝবাড়ি) গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত জিয়ারুল ওই গ্রামের মৃত জাফর আলীর ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক বিরোধের জেরে ইব্রাহিম আলীর ছেলে সাইফুল ইসলাম (২২) রাতে চাচা জিয়ারুল ইসলামের ঘরে ঢুকে ধারালো ছুরি দিয়ে তাকে আঘাত করে। ঘটনাস্থলেই জিয়ারুল মারা যান। এ সময় তাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে তার স্ত্রী আছমা বেগম (৩৫) ও ছেলে মো. ইসমাইল হোসেনকেও (১৭) ছুরিকাঘাতে গুরুতর জখম করা হয়। তাদের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে সাইফুল পালিয়ে যান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গাছ থেকে আম পাড়াকে কেন্দ্র করে ইব্রাহিম আলী তার মা নছিরন বেওয়াকে গালিগালাজ করেন। এ ঘটনায় ভাই জিয়ারুল প্রতিবাদ করলে উভয়ের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে ইব্রাহিম আলীর ছেলে সাইফুল ইসলাম এসে চাচা জিয়ারুল, তার স্ত্রী ও ছেলেকে ধারালো ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আঘাত করে পালিয়ে যায়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত