এতদিন সকাল থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত বহির্বিভাগে আসা গর্ভবতী নারীরা শুধু প্রসব-সংক্রান্ত সেবা পেতেন, তাৎক্ষণিকভাবে সন্তান প্রসবের কোনো ব্যবস্থা ছিল না। কিন্তু এখন থেকে দুপুর আড়াইটা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আসা গর্ভবতী নারীদের স্বাভাবিক ও সিজারিয়ান উভয়ভাবে সন্তান প্রসবের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
রাজধানীর উত্তরার কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে গত শনিবার থেকে এই বৈকালিক সিজারিয়ান সেকশন কার্যক্রম শুরু হয়। উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম। এই সেবার প্রথম রোগী ছিলেন ২৮ বছর বয়সী আরিফা। তিনি ফরিদাবাদের বাসিন্দা। আরিফা এসেছিলেন ৩৬ সপ্তাহের গর্ভাবস্থার জটিলতা নিয়ে। তাৎক্ষণিকভাবে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে (সিজারিয়ান) তার সন্তান প্রসব করানো হয়। এই সেবার ব্যাপারে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মিজানুর রহমান দেশ রূপান্তরকে বলেন, এতদিন সকাল থেকে আড়াইটা পর্যন্ত বহির্বিভাগে আসা সব ধরনের রোগীরা সেবা পান। সেখানে গর্ভবতী নারীরাও প্রসবকালীন সেবা পেতেন। ভর্তি থাকা রোগীদের স্বাভাবিক ও অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে (সিজারিয়ান) সন্তান প্রসব করানো হতো। এখন এই সেবাটা রাত ৮টা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
