বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে কোটা সংস্কার আন্দোলন শুরু হয় ২০২৪ সালের ১ জুলাই। ওই আন্দোলন দমাতে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার ১৬ জুলাই থেকে ব্যাপক মাত্রায় বলপ্রয়োগ শুরু করে। ১৬ জুলাই এক দিনেই ছয়জনের মৃত্যু হয়। সেদিন পুলিশের গুলিতে নিহত হন রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ। তাকে হত্যা করার দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে প্রতিবাদে ফেটে পড়ে দেশের মানুষ। শুরু হয় এক দফার সরকার পতন আন্দোলন। ১৮ থেকে ২১ জুলাই টানা চার দিন আন্দোলন দমাতে নির্বিচার গুলি করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তবে বিপুলসংখ্যক মানুষকে হত্যার পরও আন্দোলন দমাতে না পেরে ১৯ জুলাই রাত ১২টা থেকে দেশ জুড়ে কারফিউ জারি করেছিল তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার। ওই ঘোষণা দেওয়ার সময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, ‘শুট অ্যাট সাইট’ বা দেখামাত্র গুলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু দমানো যায়নি অগ্নিস্ফুলিঙ্গ। জনতার ওই আন্দোলনে নতি স্বীকার করতে বাধ্য হয় তৎকালীন শাসক দল। ফলশ্রুতিতে ৫ আগস্ট ক্ষমতা ছেড়ে ভারত চলে যেতে বাধ্য হন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সমাপ্তি ঘটে দীর্ঘ ১৭ বছরের দুঃশাসনের। সরকারি গেজেট অনুযায়ী, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হয়েছেন ৮৪৪ জন। জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তরের তথ্যানুসন্ধান প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয় গত ফেব্রুয়ারি মাসে। ওই প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ওই সময়ে (১৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্টের মধ্যে) ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বিক্ষোভ চলাকালে নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ৬৬ শতাংশ মিলিটারি রাইফেলসে (এমন অস্ত্র সশস্ত্র বাহিনী ব্যবহার করে), ১২ শতাংশ শটগানের গুলিতে এবং ২ শতাংশ পিস্তলের গুলিতে প্রাণ হারান।
আবারও জুলাই এসেছে। এক বছর হয়ে গেল ফ্যাসিস্ট সরকার দেশ ছেড়েছে। দেশ গণতান্ত্রিক ধারায় ফেরার অপেক্ষা করছে। একঝাঁক তরুণের স্পিরিট ও জনতার তীব্র প্রতিবাদে দেশ থেকে ফ্যাসিবাদের বিদায় ঘটিয়েছে। লক্ষ্য বৈষম্যহীন, শঙ্কাহীন ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশের। গত এক বছরে আমাদের সেই চেষ্টাই ক্রমাগত হচ্ছে। ৫ আগস্টের পর ৮ আগস্ট গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার সংস্কার বিচার ও নির্বাচনকে সামনে রেখে কাজ করে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে সংস্কারের অনেক কিছুই এগিয়েছে। বিচার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা চলছে। আশা করা যায়, সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী বছরের প্রথমার্ধেই আমরা দেশে নতুন গণতান্ত্রিক সরকার পাব। বলা যায়, অন্তর্বর্তী সরকার তার কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু তারপরও কোথাও যেন একটা অগোছালো ভাব, কোনো শঙ্কা কাজ করছে। আসছে আগস্টে অন্তর্বর্তী সরকারের এক বছর পূর্ণ হবে। গণঅভ্যুত্থানের এক বছর পর এবং অন্তর্বর্তী সরকারের এক বছর পর আমরা যদি এ সময়ের ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশের চিত্র মূল্যায়ন করতে চাই, তবে কতটা স্বস্তি পাব?
প্রকৃত অর্থে, গত এক বছরে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। যদিও সরকারের প্রেস উইং থেকে বলা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতির তথ্যটি সঠিক নয়। প্রেস উইংয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘চলতি বছর দেশে বড় ধরনের অপরাধ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে যে খবর প্রকাশিত হয়েছে, তা ঠিক নয়। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত এমন খবরে জনমনে আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে বলা হয়, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত সরকারি অপরাধ পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, চলতি বছর বড় ধরনের অপরাধের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে এমন দাবি সঠিক নয়। পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১০ মাসে বড় ধরনের অপরাধের প্রবণতা স্থিতিশীল রয়েছে।’
কিন্তু গণমাধ্যমের খবর তো আর বানানো নয়। সমাজে যা ঘটছে, তাই গণমাধ্যমে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়। সম্প্রতি ঢাকায় মিটফোর্ড হাসপাতাল এলাকায় রাস্তায় প্রকাশ্য দিবালোকে নৃশংস হত্যাকা-ের ঘটনাটি সত্য। ভিডিও ফুটেজে সেই নৃশংসতার চিত্রই তো দেখা গেছে। এ ছাড়া খুলনায় যুবদলের এক নেতাকে হত্যার পর পায়ের রগ কেটে দেওয়া, চাঁদপুরে মসজিদের ভেতরে ইমামকে চাপাতি দিয়ে কোপানোসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় হামলা, চাঁদাবাজিসহ বহু ঘটনা ঘটছে। এর আগে মার্চ মাসে ঢাকার কাছে মাদারীপুর জেলার সদর উপজেলায় আপন দুই ভাইসহ তিনজনকে মসজিদের ভেতরে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় ব্যাপক আলোড়ন তৈরি হয়েছিল। মব বা দলবদ্ধ বিশৃঙ্খলা, বিভিন্ন স্থানে হামলা, খুন-ধর্ষণের মতো ঘটনা ঘটছে। এর মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে একের পর এক ‘মব সন্ত্রাস’ জনজীবনে আরেক উপসর্গ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে, যেসব ঘটনার সময় অনেকে ক্ষেত্রেই সরকার কিংবা পুলিশ দেখেও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে পরিস্থিতির ক্রমাবনতির জন্য ‘সরকারের সদিচ্ছা’ কতটা আছে, সেই প্রশ্নও উঠেছে বিভিন্ন সময়। মিটফোর্ড হত্যাকা-ের পর, কোনো কোনো পক্ষ বিএনপিকে দায়ী করে মিছিল করার পর দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ‘মব’ সৃষ্টি করে একটি পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টার পেছনে সরকারের কোনো প্রচ্ছন্ন প্রশ্রয় আছে কিনা, সে প্রশ্ন তুলেছেন। এমনকি নির্বাচন বিলম্বিত করতে প্রশাসনকে নিষ্ক্রিয় করে রাখার অভিযোগ করা হয়েছে বিএনপির পক্ষ থেকে। প্রকৃত অর্থে এসব সহিংস ঘটনার দায় চলমান সরকারের ওপর বর্তায় বলেই গণমাধ্যমে তথ্য প্রচার হচ্ছে। কাউকে দোষারোপ করে নয়। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর হিসাবে, গত ছয় মাসে অন্তত ১৪১টি মবের ঘটনায় ৮৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের হিসাবে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ৩৩০টি, যার মধ্যে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ছিল ৬৬টি। এর মধ্যে বাইশটি হলো ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনা। হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি নামের একটি সংগঠন সূত্রমতে, ২০২৫ সালের প্রথম ছয় মাসের রাজনৈতিক সহিংসতায় মৃত্যু, গণপিটুনিতে নির্যাতন ও হত্যা, নারী নিপীড়ন ও ধর্ষণ, শিশু নির্যাতন ও সাংবাদিকদের ওপর হামলা বৃদ্ধি পেয়েছে। সংস্থাটি বলছে এ সময় চাঁদাবাজি, চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি ও হত্যাসহ বেশ কিছু সামাজিক অপরাধ ঘটেছে, যা জনমনে ভয় ও আতঙ্ক তৈরি করেছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে এক ব্যক্তির জামাকাপড় খুলে নিচ্ছে ছিনতাইকারীরা। অতীতে এ ধরনের ছিনতাই দেখা যায়নি। অন্যদিকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ব্যানারে চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটছে, যা গণমাধ্যমে প্রকাশ পাচ্ছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভিডিও ফুটেজসহ।
এ সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতি করতে সরকারের নানা পদক্ষেপও আমরা দেখেছি। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অপরাধীদের নির্মূলে চিরুনি অভিযান চালানোর ঘোষণা দিয়েছেন। বলেছেন, নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির জন্য সব কিছু করা হবে। এতে বোঝা যায়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতির জন্য সরকারের চেষ্টার কমতি নেই। উপদেষ্টারা বিভিন্ন সময়ে মবসহ সব ধরনের সন্ত্রাসবাদকে জিরো টলারেন্স দিচ্ছেন। প্রশ্ন থেকে যায়, তাহলে হচ্ছে না কেন? তাহলে কিছু কিছ ুক্ষেত্রে শৈথিল্যই কি এমন পরিস্থিতির জন্য দায়ী!
এদিকে বিবিসির সঙ্গে সাক্ষাৎকারে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা চ্যালেঞ্জিং হলেও নির্বাচন সম্ভব। বিশৃঙ্খলা টিকে থাকার জন্য নির্বাচনের সময় একটা বড় ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলো উদ্দেশ্যহীনভাবে ছোটাছুটি করছে। আগামী নির্বাচনে নিজেদের প্রার্থিতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে নেতাকর্মীরা নানা রকম সহিংসতায় জড়িয়ে যাচ্ছে। যদিও আগামী ফেব্রুয়ারি বা এপ্রিলে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা বলা হচ্ছে। তারপরও তারিখ কিংবা মাস নির্দিষ্ট না হওয়ায় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যেও এক ধরনের শঙ্কা সন্দেহ কাজ করছে। এ ছাড়া একেক দল নির্বাচন নিয়ে একেক ধরনের মন্তব্য করছে। যার প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের ওপর। দেশ যখন নির্বাচনমুখী হয়ে যাবে তখন সহিংসতা সামাজিক অপরাধ অনেকাংশে কমে যাবে। কারণ আমাদের দেশের মানুষ নির্বাচনকে উৎসবের মতোই উদযাপন করে, যা বিগত ১৭ বছর ধরে অনুপস্থিত।
অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর দাবি আদায়ের নামে প্রতিদিনই কোনো না কোনো বিক্ষোভ হয়েছে। এই প্রক্রিয়া কিছুটা কমলেও এখনো আছে। এখানে একটি বিষয় মনে রাখা প্রয়োজন, সব দাবি অন্তর্বর্তী সরকার পূরণ করতে পারবে না। পারলেও ঠিক হবে না। কিছু কিছু বিষয়ে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের প্রয়োজন রয়েছে। ফলে যারা মনে করছেন শেখ হাসিনার আমলে হয়নি, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে হয়ে যাবে সেটা ভুল।
২০১০ সালে শুরু হওয়া আরব বসন্ত ছিল মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার দেশগুলোতে গণতন্ত্রপন্থি বিক্ষোভ ও বিদ্রোহের একটি ঢেউ। মূলত রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দুর্দশা, স্বৈরাচারী শাসন এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ এই আন্দোলনের প্রধান কারণ ছিল। ওই সময় তিউনিসিয়া, মিসর, লিবিয়াসহ বেশ কিছু দেশে শাসনব্যবস্থার বিরাট পরিবর্তন ঘটে। কিন্তু আরব বসন্তের পরবর্তী অবস্থা খুবই জটিল এবং বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন রকম হয়েছে। কিছু দেশে ক্ষমতা দখলের চেষ্টা, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং গৃহযুদ্ধ দেখা গেছে। আবার কিছু দেশে কিছু সংস্কার হলেও, গণতন্ত্রের পথে যাত্রা মসৃণ হয়নি। সামগ্রিকভাবে, এই অঞ্চলের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও অস্থিতিশীল হয়েছে। যে তিউনিসিয়াকে আরব বসন্তের ‘আঁতুড়ঘর’ বলা হয়, সেখানে প্রায় বছর বছরই সরকার পরিবর্তন হয়েছে। মিসরে এক বছরও টিকতে পারেনি মুরসি সরকার। ফলে আবর বসন্তের অভিজ্ঞতা কোনো অংশেই ভালো ছিল না। আমাদের ২০২৪ সালের গণআন্দোলনকে অনেকে আরব বসন্তের আদলে ভাবার চেষ্টা করেন। যদিও পরিস্থিতি তেমনটা নয়। আমাদের দেশের মানুষ বেশ শান্তিপ্রিয়। দেশের মানুষ একটি সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে সৎ সরকারের অপেক্ষা করছে। ওই সব বসন্ত আমাদের প্রভাবিত করবে না।
প্রকৃত অর্থে ২০২৪-এর আন্দোলনটি ছিল দীর্ঘ বঞ্চনা, শোষণ, অবহেলা ও বৈষম্যের। যা থেকে মুক্তি পেতে একটি স্ফুলিঙ্গের অপেক্ষায় ছিল গোটা দেশ। সেই স্ফুলিঙ্গেই উচ্ছেদ হয়েছে বিগত আওয়ামী লীগ সরকার। বর্তমান সরকার দেশের গণতান্ত্রিক ধারা ফেরাতে যেসব সংস্কার কাজে হাত দিয়েছে, সেগুলোতে ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হলেই দেশের আগামীর গণতন্ত্রের সুফল পাবে মানুষ। পাশাপাশি লক্ষ্যচ্যুতি যেন না হই আমরা, সে বিষয়েও সজাগ থাকতে হবে। ইতিমধ্যে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকা ছাত্ররা রাজনৈতিক দল গঠন করেছে। তাদের কাছে জনগণের প্রত্যাশা আছে। কিন্তু ভাবিয়ে তুলে কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা। তবে নতুন দল হিসেবে নতুন বাংলাদেশ গড়ার যে অঙ্গীকার তারা করেছে, সে লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়াই কাম্য। ভুল করেও ভুল করা যাবে না তাহলে লক্ষ্যচ্যুত হবে এতগুলো প্রাণের বিনিময়। পাশাপাশি ভবিষ্যতে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে দেশের কল্যাণ ও সার্বিক অর্র্থনৈতিক মুক্তি আন্দোলনের প্রতি সাধারণ মানুষের এক ধরনের উন্নাসিকতা দেখা দিতে পারে।
লেখক: সিনিয়র সাংবাদিক ও সংবাদ বিশ্লেষক
