মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে গতকাল বল হাতে চমক দেখালেন মোস্তাফিজুর রহমান। কাটার, সেøায়ার আর গতির হেরফেরে পাকিস্তানি ব্যাটারদের যেন ছেলেখেলা বানিয়ে ফেললেন তিনি। ৪ ওভারে খরচ করেন মাত্র ৬ রান, তুলে নেন মূল্যবান ২ উইকেট।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের কোনো বোলারের এটি সবচেয়ে কম রান খরচে পূর্ণ ৪ ওভার বল করার রেকর্ড। আগের রেকর্ডও ছিল মোস্তাফিজের দখলে ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নেপালের বিপক্ষে ৪ ওভারে ১ মেডেনসহ ৭ রানে ৩ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। একই ম্যাচে তানজিম হাসান নিয়েছিলেন ৭ রানে ৪ উইকেট, দুটি মেডেনসহ।
গত বছরের মে-তে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে রিশাদ হোসেনও ৪ ওভারে মাত্র ৭ রান খরচে একটি উইকেট নিয়েছিলেন।
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে মোস্তাফিজ এর মধ্যেই চারবার ১০ রানের নিচে রান দিয়ে ৪ ওভার বোলিং করেছেন। শুধু বাংলাদেশ নয়, আইসিসির পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর মধ্যেও এমন কীর্তি নেই আর কারও। এর কাছাকাছি আছেন কেবল সাকিব আল হাসান, ভুবনেশ্বর কুমার ও ইমাদ ওয়াসিম তিনজনেরই আছে তিনটি করে ম্যাচে ১০ রানের নিচে রান দেওয়ার রেকর্ড।
রবিবার পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে প্রথমবারের মতো আক্রমণে আসেন মোস্তাফিজ। প্রথম বলেই দেন একটি রান, এরপর টানা পাঁচ বল ডট। ওই ওভারে হাসান নাওয়াজ ক্যাচ তুলে দেন ডিপ থার্ডম্যান অঞ্চলে। ১২তম ওভারে আবারও বোলিংয়ে এসে দেন মাত্র ২ রান। তার সেøায়ার ও কাটারের বিপরীতে খুশদিল শাহ পুরোপুরি নাকাল ছিলেন। ওই ওভারেই রানআউটে কাটা পড়েন ফখর জামান। ডেথ ওভারে আরও একবার বল হাতে তুলে নেন মোস্তাফিজ। ১৭তম ওভারে খুশদিল শাহকে আউট করার পাশাপাশি ফাহিম আশরাফের বিপক্ষেও এলবিডব্লিউর সুযোগ তৈরি করেন, তবে লিটন রিভিউ না নেওয়ায় সেই সম্ভাবনা হারিয়ে যায়। ওভারটি শেষ করেন মাত্র ২ রান দিয়ে।
১৯তম ওভারেও মোস্তাফিজের নিয়ন্ত্রিত বোলিং ছিল চোখে পড়ার মতো। উইকেট না পেলেও দেন মাত্র ১ রান। পুরো ইনিংসে তার বোলিং থেকে আসে ১৮টি ডট বল।
