মিরপুরে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে আগে ব্যাটিংয়ে নামা বাংলাদেশের শুরুটা হয়েছিল খুব বাজে। পাওয়ার প্লে শেষ হওয়ার আগেই সাজঘরে ফিরে যান টপ অর্ডারের চার ব্যাটসম্যান। সেখান থেকে ফিফটি প্লাস জুটি গড়ে ধাক্কা সামলান জাকের-মেহেদি। শেষ পর্যন্ত জাকেরের ফিফটিতে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৩৩ রান।
তানজিদ হাসান তামিমের জায়গায় একাদশে সুযোগ পেয়েছিলেন নাঈম শেখ, পেয়েছিলেন পছন্দের জায়গা ওপেনিংয়ে নামার সুযোগ। সেই সুযোগের সদ্ব্যবহার তো দূরে থাক, উল্টো দ্বিতীয় ওভারেই দলকে বিপদে ফেলে যান নাঈম। করেন ৭ বল খেলে মাত্র ৩ রান। চতুর্থ ওভারে চার-ছক্কা হাঁকান পারভেজ ইমন। কিন্তু পরের ওভারেই ঘটে বিপত্তি। প্রথম বলে হাফ হার্টেড শট খেলে বাউন্ডারিতে ক্যা্চ হয়ে ফেরেন ৮ রান করা লিটন দাস। দুই বল পরেই রান আউট হয়ে কাটা পড়েন তাওহীদ হৃদয়। রানের খাতাই খুলতে পারেননি তিনি। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে মিড অনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ১৪ বলে ১৩ রান করা ইমন। অভিষিক্ত আহমেদ দানিয়ালের প্রথম শিকার বনেন ইমন। ৬ ওভার শেষে স্কোর দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ২৯ রান।
২৮ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর ক্রিজে আসেন শেখ মেহেদি। জাকের আলী অনিক ও তিনি মিলে গড়ে তোলেন পঞ্চাশোর্ধ্ব জুটি। তাতে শুরু দিকের ধাক্কাটা কোনোরকমে সামাল দেয় বাংলাদেশ। কিন্তু ১৪তম ওভারের শেষ বলে মোহাম্মদ নাওয়াজের শিকার হয়ে থামে মেহেদির ইনিংস। আউট হওয়ার আগের বলেই ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন তিনি। ২৫ বলের ইনিংসে দুটি করে চার-ছক্কা হাঁকিয়ে ৩৩ রান করেন মেহেদি। দুজনের জুটিতে আসে ৪৯ বলে ৫৩ রান। বাংলাদেশ পঞ্চম উইকেট হারায় দলের ৮১ রানে।
এর পর শামীম পাটোয়ারীও দ্রুত ফিরে যান। অভিষিক্ত দানিয়ালের বলে বোল্ড হয়ে যান ৪ বলে মাত্র ১ রান করা শামীম। ৯ বলের ব্যবধানে এর পর ফেরেন তানজিম হাসান সাকিব ও রিশাদ হোসেন। দুজনেই খেলেন চার বল করে। রান করেন ৭ ও ৮। ১১১ রানে অষ্টম উইকেটের পতন হয় বাংলাদেশের।
তবে এক প্রান্ত আগলে ধরে ছিলেন জাকের আলী অনিক। শেষের দিকে রানের গতি বাড়ানোর চেষ্টায় কিছু বাউন্ডারিও হাঁকান তিনি। তুলে নেন ক্যারিয়ারের তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ফিফটি। তাতে বাংলাদেশের রান গিয়ে দাঁড়ায় ৯ উইকেটে ১৩৩। ইনিংসের শেষ বলে আউট হওয়ার সময় জাকেরের নামের পাশে ৪৮ বলে ৫৫ রান। ইনিংসে ১ চারের সঙ্গে ছক্কা ৫টি হাঁকান জাকের।
বাবার করা প্রথম বলেই ছক্কা
মাথা ঠান্ডা রেখে ভবিষ্যতে আরও ভালো করতে চান সাগরিকা