২০১৫ সালে ওয়ানডে সিরিজে পাকিস্তানকে প্রথমবার হারানোর পর একমাত্র টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি জিতেছিল বাংলাদেশ। এর আগে পরে আরও পাঁচটি সিরিজে দেখা হলেও কখনো জিততে পারেননি লিটন দাসরা। অবশেষে ঘরের মাঠে পাকিস্তানকে একাধিক ম্যাচে টি-টোয়েন্টি সিরিজে হারানোর স্বাদ পেল বাংলাদেশ। আর গতকাল মাইলস্টোন স্কুল ও কলেজে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় হতাহতদের উদ্দেশ্যে এ জয় উৎসর্গ করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক লিটন দাস।
মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের ১৩৩ রানের জবাবে চার বল বাকি থাকতে পাকিস্তান অলআউট হয়ে যায় ১২৫ রানে। শোককে শক্তিতে পরিণত করে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানকে ৮ রানে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের।
ক্যারিয়ারের তৃতীয় ফিফটির দিনে দেশকে লড়াইয়ে পুঁজি এনে দিয়ে ম্যাচসেরা হন জাকের আলী অনিক। পুরস্কার বিতরণীতে তিনি বলেন, ‘শুরুতে দ্রুত উইকেট পড়ে যাওয়ায় কাজটা কঠিন হয়ে পড়েছিল। মেহেদি ঝুঁকি নিয়েছে, আমি চেষ্টা করেছি তাকে সাপোর্ট দিতে। এটাই ছিল আমার পরিকল্পনা। আমি চেষ্টা করি ম্যাচটা যতদূর সম্ভব টেনে নিয়ে যেতে। আমার জোনে বল আসার অপেক্ষায় ছিলাম। আমাদের বোলাররা পুরো সিরিজে ভালো করেছে, আজও দুর্দান্ত একটি ম্যাচ হয়েছে। পাকিস্তান কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে, কিন্তু শেষ হাসিটা আমরাই হেসেছি।’
শ্রীলঙ্কার মাটিতে তাদেরকে হারানোর পর পাকিস্তানের বিপক্ষেও সিরিজ জিতল বাংলাদেশ। টানা দুই সিরিজ জেতার পর লিটন বলেন, ‘আমাদের দল ভালো খেলেছে। পাওয়ারপ্লেতে ভালো ব্যাটিং করা দরকার ছিল, কিন্তু সেটা আমরা করতে পারিনি। মেহেদি আর জাকের আলীর ব্যাটিং দেখাটা ছিল দারুণ। উইকেটটা ১৩০-১৪০ রানের মতো মনে হচ্ছিলো। আমরা জানতাম এমন স্কোর ডিফেন্ড করা সম্ভব। প্রথম ১২-১৫ ওভারে আমরা দারুণ বোলিং করেছি। নতুন বলের সময় ব্যাট করা কঠিন ছিল। আমরা কিছু ভুল করেছি, কয়েকটা ক্যাচ ফেলেছি। যার কারণে মিডল-ওভারে কিছু রান বেশি হয়ে গেছে।’
নাটকীয় ম্যাচে পাকিস্তানকে হারিয়ে প্রথমবার সিরিজ জয় বাংলাদেশের
জাকের-মেহেদির ব্যাটে চড়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৩৩