একটি মিনিটও রিয়াল মাদ্রিদের জার্সিতে খেলার সুযোগ পেলেন না রেইনিয়ের জেসুস। ইউরোপে টানা পাঁচ বছরের ধারে খেলা শেষে এই ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার অবশেষে নিজ দেশে ফিরছেন—এবার আতলেতিকো মিনেইরোর হয়ে ক্যারিয়ার পুনর্গঠনের আশায় মাঠে নামবেন তিনি। ট্রান্সফার ফি ছিল মিলিয়ন ডলারের, অথচ রিয়াল তাঁকে ছেড়ে দিয়েছে একেবারে বিনামূল্যে।
২০২০ সালের জানুয়ারিতে মাত্র ১৮ বছর বয়সে ব্রাজিলের ফ্লামেঙ্গো থেকে রেইনিয়েরকে দলে টানে রিয়াল মাদ্রিদ। ট্রান্সফার ফি ছিল প্রায় ৩০ মিলিয়ন ইউরো, ঠিক যেভাবে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও রদ্রিগোকেও দলে এনেছিল ক্লাবটি। ছয় বছরের চুক্তিতে রেইনিয়ের শুরু করেন রিয়াল মাদ্রিদ কাস্তিয়ায়, মূল দলে জায়গা পাওয়ার আশায়। কিন্তু করোনা মহামারি, ইনজুরি আর কোচের পরিকল্পনায় না থাকার কারণে তিনি আর মাঠেই নামতে পারেননি রিয়ালের মূল দলে।
২০২১ সালে তাকে ধারে পাঠানো হয় বুন্দেসলিগার বরুশিয়া ডর্টমুন্ডে। সেখানে দুই মৌসুমে ৩৯ ম্যাচে মাত্র ৭৪৫ মিনিট খেলেছেন, করেছেন একটি গোল। এরপর ২০২২-২৩ মৌসুমে জিরোনা, তারপর ইতালির ফ্রোসিনোনে, সর্বশেষ গত মৌসুমে খেলেছেন গ্রানাদায়। প্রতিটি ক্লাবেই ছিলেন ধারহীন, ধারাবাহিকতা ছিল না কোথাও। গ্রানাদার হয়ে সেকুন্দা ডিভিশনে খেলেও তিনি কেবল একটি গোল ও চারটি অ্যাসিস্ট করতে পেরেছেন।
এই গ্রীষ্মে মাদ্রিদে ফিরলেও রেইনিয়ের বুঝে যান, এবারও কোচের পরিকল্পনায় তার নাম নেই। ফলে ২২ বছর বয়সী মিডফিল্ডার নিজেই সিদ্ধান্ত নেন নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার। তার নিজের কথায়, 'আমি আমার সুখ খুঁজছিলাম। পাঁচ বছর ধারে খেলে কখনোই খুশি ছিলাম না। কোচ কুকার সঙ্গে কথা হয়েছে। এই প্রজেক্ট আমাকে আশাবাদী করেছে। আমি বিশ্বাস করি, এটা ভালোই হবে।'
রেইনিয়েরের ৫০ শতাংশ অর্থনৈতিক অধিকার বিনামূল্যে অধিগ্রহণ করেছে আতলেতিকো মিনেইরো। বাকি অর্ধেক এখনো থাকবে রিয়াল মাদ্রিদের হাতে।
২৮ বছর বয়সে ফুটবল ছেড়ে হয়ে গেছেন ভ্যাকুয়াম ক্লিনার বিক্রেতা
লিভারপুলের দারউইন নুনেজকে সাড়ে ৭শ' কোটি টাকায় কিনছে আল হিলাল