নরসিংদীতে চাঁদার দাবিতে কারখানায় হামলা, আহত ৫

আপডেট : ১৭ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫১ এএম

নরসিংদীতে ২০ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় একটি টেক্সটাইল কারখানার মালিক শ্রমিকসহ পাঁচজনকে পিটিয়ে ও ছুরিকাঘাতে জখম করা হয়েছে। এ ঘটনায় কারখানার মালিক মেহেদী হাসান ইমন নরসিংদী সদর থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন।

গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নরসিংদী সদর উপজেলার টাওয়াদী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় সন্ত্রাসীদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নারী শ্রমিকসহ পাঁচজন আহত হন। আহত মেহেদী হাসান ইমন নরসিংদী শহরতলীর টাওয়াদী এলাকার আসাদুজ্জামান ভূঁইয়ার ছেলে এবং নাবিলা টেক্সটাইলের মালিক। আহত অন্যরা হলেন, ইমনের বাবা আসাদুজ্জামান ভূঁইয়া, শ্রমিক সুজন মিয়া, রমজান আলী ও আছিয়া বেগম।

পুলিশ ও থানায় দেওয়া অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, টাওয়াদী এলাকার দোবাই ও সাগর দীর্ঘদিন যাবৎ নাবিলা টেক্সটাইলের মালিক মেহেদী হাসান ইমনের কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছে। এরই জের ধরে শনিবার সকালে দোবাইয়ের নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একটি সশস্ত্র দল ওই কারখানায় ঢুকে কর্মরত শ্রমিকদের মারপিট করে বের করে দেয় এবং কারখানার যন্ত্রে লাগানো বিভিন্ন কাপড় ও সুতা কেটে ফেলে। শ্রমিকরা সন্ত্রাসীদের বাধা দিলে তারা চারজনকে ছুরিকাঘাতে গুরুতর জখম করে। এ সময় প্রতিষ্ঠানের মালিক ইমন এসে তাদের বাধা দিলে হামলাকারীরা তাকেও ছুরিকাঘাত করে। এতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন দৌঁড়ে আসতে থাকলে সন্ত্রাসীরা হত্যাসহ লাশ গুম করে ফেলার হুমকি দিয়ে চলে যায়। পরে আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

মেহেদী হাসান ইমন বলেন, ‘আমার কারখানা বর্তমানে বন্ধ রয়েছে।  শ্রমিকরা ভয়ে কারখানায় আসছে না। তারা আমার কারখানার প্রায় ৫ লাখ টাকার ক্ষতি করেছে। আমাকে একা  পেলে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছে। আমরা এখন নিরাপত্তাহীনতায় আছি। আমরা ব্যবসা করার পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।’

নরসিংদী  মডেল থানার ওসি এমদাদুল হক বলেন, ‘খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে একটি অভিযোগও পেয়েছি। বিষয়টি তদন্তপূর্বক পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত