ময়মনসিংহের নান্দাইলে সকালে প্রাইভেট পড়তে আসা ষষ্ঠ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে মুখচেপে ধরে পরিত্যাক্ত ভবনের ছাদে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালায় তিন সন্তানের জনক কবির হোসেন নামে এক যুবক। পরে স্থানীয় দুই ব্যক্তি তাকে হাতেনাতে ধরে উত্তম মধ্যম দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে।
রবিবার সকালে উপজেলার নান্দাইল রোড নামক বাজারে এই ঘটনা ঘটে। কবির মিয়া বরাইগ্রাম এলাকার আব্বাস আলীর ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার সকালে নান্দাইল উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রী বিদ্যালয়ের পাশে নান্দাইলরোড বাজারে একটি বাসায় প্রাইভেট পড়তে যায়। প্রাইভেট শেষে সকাল ৮টার দিকে বাড়ি যাবার জন্য সে বাজারের একটি রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে ইজিবাইকের জন্য অপেক্ষা করতে থাকে।
সকালে বাজারে লোকজনের উপস্থিতি ছিল একেবারেই কম। এ সময় অভিযুক্ত কবির মিয়া মেয়েটিকে একা পেয়ে মূখ চেপে ধরে চ্যাংদোলা করে কাছাকাছি আওয়ালের একটি পরিত্যাক্ত পাকা ভবনের দুতলায় নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে মেয়েটির গায়ে থাকা কাপড়-চোপড় খুলে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়।
স্থানীয় অনয় মাইক সার্ভিসের কর্মচারী আমিন শেখ বিষয়টি টের পেয়ে বাজারের অন্য ব্যবসায়ী ইব্রাহিম মিয়াকে ঘটনাটি জানায়। পরে দুজনে মিলে ঘটনাস্থলে গিয়ে ধর্ষণের হাত থেকে মেয়েটিকে রক্ষার পাশাপাশি কবির মিয়াকে আটক করে। পরে খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন এসে অভিযুক্তকে বেঁধে রেখে পুলিশকে খবর দেয়।
প্রত্যক্ষদর্শী আমিন শেখ জানান, তার বাড়ি মোহনগঞ্জ উপজেলার দৌলতপুর গ্রামে। এখানে চাকরি করার কারণে কাউকেই তিনি চেনেন না, তাই একা প্রতিরোধ করতে সাহস না পেয়ে ইব্রাহিম মিয়াকে ঘটনাটি জানান।
ইব্রাহিম মিয়া জানান, আমিন শেখের কাছ থেকে শুনেই ঘটনাস্থলের দিকে ছুটে যান তারা। তবে অভিযুক্ত কবির তাকে ছেড়ে দিতে অনুরোধ জানিয়ে দুই হাজার টাকাও দিতে চেয়েছিল।
নান্দাইল থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকার জালাল উদ্দিন মাহমুদ সত্যতা শিকার করে জানান, ওই শিক্ষার্থীর স্বজনরা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। ধর্ষণ চেষ্টায় আটক কবিরকে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করে আদালতে প্রেরণ করা হবে।
