মাগুরা সদর উপজেলার হাজিপুর ইউনিয়নের শ্রীমন্তপুর গ্রামে দুই সতীনের পারিবারিক ঝগড়া ও মারধরের জেরে আগুনে দগ্ধ হয়েছেন স্বামী বাহারুল ইসলাম (৫৫), তৃতীয় স্ত্রী লাভলী বেগম (৩০) এবং তাদের ১৩ মাস বয়সী পুত্র রোহান।
ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার মধ্যরাতে। পরের দিন শনিবার সকালে প্রথম স্ত্রী সুমি আক্তার (৪২) নিজে হাজিপুর পুলিশ ক্যাম্পের মাধ্যমে মাগুরা সদর থানায় এসে আত্মসমর্পণ করেন।
মাগুরা সদর থানার ওসি আইয়ুব আলী জানান, বাহারুল ইসলাম তিন বিয়ে করেছেন। প্রথম স্ত্রী সুমি আক্তার গ্রামে থাকেন। দ্বিতীয় স্ত্রীকে তিনি অনেক আগে ছাড়াছাড়ি করেছেন। তৃতীয় স্ত্রী লাভলী বেগম তার পুত্র রোহানকে নিয়ে ঢাকায় থাকেন। চার দিন আগে পুত্রকে সঙ্গে নিয়ে তিনি মাগুরা শশুরবাড়িতে আসেন।
শুক্রবার বিকালে পারিবারিক বিষয় নিয়ে প্রথম স্ত্রী ও তৃতীয় স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। এ সময় স্বামী দুই স্ত্রীকে মারধর করলে প্রথম স্ত্রী বাড়ি ত্যাগ করেন।
রাতের স্বামী বাহারুল তৃতীয় স্ত্রী ও পুত্রকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। এরপর মধ্যরাতে সুমি আক্তার ঘরে গোপনে আগুন ধরিয়ে দেন। আগুনে দগ্ধ হন বাহারুল, লাভলী এবং রোহান। প্রতিবেশিরা তাদের চিৎকার শুনে দ্রুত এসে উদ্ধার করে মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে তাদের ঢাকায় পাঠানো হয়।
মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালের চিকিৎসক মামুনুর রশীদ জানান, তিনজনই মারাত্মকভাবে অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন এবং ঢাকায় মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসা চলছে।
ঘটনায় বাহারুলের ছোট ভাই মনিরুল ইসলাম, প্রথম স্ত্রী সুমি আক্তারকে আসামী করে সদর থানায় মামলা করেছেন।
নুরের শর্ট-টাইম মেমোরি লস হচ্ছে: রাশেদ খাঁন
গাজার অধিবাসীদের শহর ছাড়ার নির্দেশ