কক্সবাজারের টেকনাফে সীমান্তবর্তী জালিয়ার দ্বীপ ও শাহ্পরীর দ্বীপের মধ্যবর্তী জলসীমায় বিজিবি অভিযান চালিয়ে ২ লাখ ৪০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে। ঘটনায় তিনজনকে পলাতক আসামি করা হয়েছে।
আসামিরা হলেন— মৃত সুলতান আহমদের ছেলে আব্দুর রহিম বাদশাহ, নুর আলমের ছেলে মোহাম্মদ আয়াজ ওরফে রুবেল এবং ইসমাইলের ছেলে জসিম উদ্দিন।
টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত পৌনে ২টার দিকে গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, মিয়ানমার থেকে একটি বড় মাদক চালান নাফ নদীর মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রবেশ করবে। গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী অধিনায়ক পরিকল্পনা তৈরি করে, নজরদারি ও বিশেষ টহল জোরদার করেন।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট দিনে তার নেতৃত্বে ২ বিজিবির কয়েকটি অভিযানিক দল নাফ নদীর কৌশলগত স্থানে ফাঁদ বসায়। গভীর রাতে আন্তর্জাতিক সীমানা অতিক্রম করে তিনজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে সাঁতরে আসতে দেখা যায়। ওঁৎ পেতে থাকা নৌ-টহল দলগুলো সতর্কভাবে জালিয়ার দ্বীপ ও শোয়ার দ্বীপের মধ্যবর্তী এলাকায় অভিযান শুরু করে। মাদক পাচারকারীরা লক্ষ্যভেদ বুঝে প্যাকেট নদীতে ফেলে দ্রুত মায়ানমারের দিকে পালিয়ে যায়।
বিজিবির চৌকস টহল দলগুলো দ্রুত সমন্বয় ও দক্ষতার সঙ্গে পানিতে ভাসমান ইয়াবার প্যাকেট উদ্ধার করে ডাঙ্গায় নিয়ে আসে। সীমান্ত অতিক্রমের কারণে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানান লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান।
ফেব্রুয়ারির পর চলে যেতে হবে, তার আগে কিছু করে যেতে চাই
শিক্ষক হত্যা মামলায় ছেলে গ্রেফতার