দীর্ঘশ্বাস ও আশ্বাস : পরিণতি কী? 

আপডেট : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৩:২৮ এএম

রাজধানীবাসীর কাছে দিন দিন অসহনীয় দুর্ভোগের কারণ হয়ে উঠছে, গণপরিবহন ব্যবস্থার অপ্রতুলতা। ভোগান্তির তালিকা দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে পরিবহনব্যবস্থা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, সড়কের সার্বিক পরিস্থিতি ক্রমেই নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ছে। যাচ্ছেতাইভাবে সবকিছু চলাই যেন রেওয়াজে পরিণত হয়েছে। নাগরিকরা সবচেয়ে অসহায় বোধ করে, পরিবহনের জন্য অপেক্ষার সময়। এই বাস্তবতায়, একটি আশার খবর দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এখন থেকে ঢাকায় চলাচলকারী সব বাস একক একটি ব্যবস্থার অধীনে চলবে বলে জানিয়েছে সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং। বলা হয়, ঢাকার বাস পরিবহন দীর্ঘদিন ধরে কোনো নিয়ন্ত্রণ ছাড়া চলছে। ফলে যাত্রীরা প্রতিদিন জ্যাম, দুর্ঘটনা, ভাড়া প্রতারণা ও ভোগান্তির শিকার হন। যেসব যাত্রী তরুণ এবং শারীরিকভাবে সক্ষম, তারা কোনোরকমে বাসে উঠতে পারেন। কিন্তু নারী, শিশু এবং বয়স্কদের জন্য এটি অনেক কঠিন। ঢাকার যানজটের একটি বড় কারণ অকার্যকর রুটে চলা বাস। এ কারণে বছরে প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হচ্ছে এবং প্রতিদিন ৩২ লাখ কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে। প্রেস উইং জানায়, সব বাস একক ব্যবস্থার অধীনে চলবে। কোম্পানিগুলোকে নির্ধারিত রুট ও স্টপেজ মানতে হবে। ফলে রুট শৃঙ্খলা ও ভালোভাবে পরিচালিত বাস সার্ভিসের মাধ্যমে সার্বিক যানজট, ভাড়া প্রতারণা এবং বিশৃঙ্খলা কমবে। যাত্রীদের জন্য নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্য বাড়বে এবং গণপরিবহন হবে আরও কার্যকর। আরও জানানো হয়, রাজধানীতে বাসে চলাচলের সময় যাত্রীদের আর বাসে উঠতে লড়াই করতে হবে না এবং ভাড়া প্রতারণার শিকার হতে হবে না। লাখ লাখ মানুষের জন্য, বাসযাত্রা হবে সহজ, দ্রুত এবং স্বাচ্ছন্দ্যময়।

সত্যি বলতে কি,  গণপরিবহনের অব্যবস্থাপনা দুঃসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে অনেক আগে। কোথাও যাওয়ার জন্য নাগরিকদের রাস্তায় নেমেই বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়। গন্তব্যে যাওয়ার জন্য তাড়া আছে, কিন্তু যানবাহনের তীব্র সংকট। অফিসে যাওয়া, বাচ্চার স্কুল, বিয়ে-দাওয়াত, পার্টিতে যাওয়া, এমনকি রোগী নিয়ে হাসপাতালে যাওয়া প্রয়োজনীয় কোনো গন্তব্যেই যে সময়মতোপ পৌঁছানো যাবে তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। বাসে উঠতে গেলে, তিল ধারণের ঠাঁই নেই। ট্যাক্সিক্যাব অপ্রতুল, ভাড়াও অতিরিক্ত। সিএনজিচালিত অটো রিকশা, মিটার বহির্ভূত অধিক ভাড়া নিয়েও প্রয়োজনীয় গন্তব্যে যেতে নারাজ। এর বাইরে বিকল্প যানবাহনও অপ্রতুল। এ অবস্থায় মানুষজনের ভোগান্তির সীমা-পরিসীমা নেই। যানজটের কারণে রাজধানী স্থবির হয়ে থাকে অধিকাংশ সময়। অথচ একটি দেশের রাজধানীর কর্মচঞ্চলতা যদি এভাবে রাস্তাতেই নষ্ট হয়, তাহলে সেই দেশের ভবিষ্যৎ যে কী, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। যানজটের ফলে নষ্ট হচ্ছে কর্মঘণ্টা বাড়ছে রোগ-ব্যাধি। এছাড়া যানজট একটি স্থায়ী সমস্যা হিসেবে দেখা দেওয়ায় পরিবহন খাতে বড় ধরনের পরিকল্পনা নিয়ে এগোনো ছাড়া উপায় নেই। যানজট সমস্যার সমাধান না হওয়ায়, প্রতিদিনই অনেক কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে। পিছিয়ে যাচ্ছে উন্নয়ন। বাধাগ্রস্ত হচ্ছে অগ্রগতি। শুধু তাই নয়, শব্দদূষণ ও বায়ুদূষণে নানা সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছে রাজধানীর বিপুলসংখ্যক মানুষ। যানজটে নগরবাসীর প্রাত্যহিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে বিঘিœত হচ্ছে। অর্থনৈতিক ক্ষতির পরিমাণ বাড়ছে দিন দিন। 

গত ১০ বছরে যানচলাচলের গড় গতি প্রতি ঘণ্টায়, ২১ কিলোমিটার থেকে ৭ কিলোমিটার পর্যন্ত নেমে এসেছে। যা পায়ে হেঁটে চলার গড় গতি (৫ কি.মি.) থেকে একটু বেশি। বাংলাদেশের শহুরে জনসংখ্যার ৩৬ শতাংশ বৃহত্তর ঢাকায় বাস করে। এই মহানগর হয়ে উঠেছে, বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ শহরগুলোর অন্যতম। উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হতে হলে, বাংলাদেশকে অবশ্যই ঢাকার শহরায়ন সম্প্রসারণে যথাযথ ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করতে হবে। যানজটের কারণে বিপুল পরিমাণ জ্বালানির অপচয় হয়। কিন্তু এ থেকে পরিত্রাণের যেন কোনো উপায় নেই। বিভিন্ন সময়ে নানামুখী কর্মসূচি-পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হলেও, বাস্তবায়ন হয়েছে খুবই কম। ফলে সমস্যা যে তিমিরে ছিল, সেখানেই রয়েছে। অথচ দুর্বিষহ যানজটের জন্য পরিকল্পনা ও সমন্বয়হীনতার অভাবকেই দায়ী করা হয়। রাজধানীতে দিন দিন জনসংখ্যা বাড়ছে। সেইসঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে গাড়ি। কিন্তু সে তুলনায় রাস্তাঘাট বাড়ছে না। রাজধানীতে রাস্তার তুলনায় প্রায় ৩ লাখ যানবাহন বেশি চলছে। এছাড়া প্রতিদিন গড়ে ২৩০টি নতুন গাড়ি রাস্তায় নামছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, যে কোনো শহরে মোট আয়তনের শতকরা ২৫ ভাগ যান চলাচলের জন্য রাস্তা থাকা দরকার। ঢাকা শহরের মোট আয়তন ৮১৫ দশমিক ৮৫ কিলোমিটার। এ হিসেবে ২০৪ কিলোমিটার রাস্তার প্রয়োজন হলেও, ঢাকা শহরে প্রধান রাস্তার পরিমাণ মাত্র ৮৮ কিলোমিটার। এই পরিমাণ রাস্তায় ৫ লাখ যানবাহন চলাচল করছে। অথচ অন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী, এই পরিমাণ রাস্তায় ২ লাখ ১৬ হাজার যানবাহন চলাচল করার কথা। ফলে যানজট এক অনিবার্য বাস্তবতা হিসেবে দেখা দিয়েছে। এছাড়া ট্রাফিক ব্যবস্থা ঠিকমতো কাজ না করায় যানজট থেকে মুক্তি পাচ্ছে না রাজধানীবাসী। যানজট নিয়ন্ত্রণে কঠোর ট্রাফিক আইনের প্রয়োগ, প্রাইভেট গাড়ির ওপর নিয়ন্ত্রণ, যত্রতত্র পার্কিং নিষিদ্ধ করা, রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, নদীপথ এবং ঢাকার ভেতরের খাল দখলমুক্ত করে নৌপথের উন্নয়ন, রিকশামুক্ত সড়কসহ নানা পরিকল্পনার কথা বলা হয়। কিন্তু এগুলো নিয়ে কথাবার্তা যতটা হয়, কাজ ততটা হয় না। ফলে যানজট এখন এমন এক অবস্থায় পৌঁছেছে, এ থেকে পরিত্রাণের উপায় বের করতে হবে। এই অবস্থা দীর্ঘায়িত হলে সুদূরপ্রসারী নেতিবাচক ফলাফল হবে, অত্যন্ত ভয়াবহ। এ জন্য পরিবহন খাতে একটি স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনা জরুরি হয়ে পড়েছে। এ জন্য অবকাঠামো, সুশাসন অযান্ত্রিক পরিবহন, পরিবহনের পরিদর্শন ও ব্যবস্থাপনা, ড্রাইভিং লাইসেন্সের ক্ষেত্রে গুণগত পরিবর্তন ও স্বাস্থ্যগত বিষয়গুলো নিয়ে ভাবতে হবে। পরিবহন সেক্টরে নৈরাজ্য বন্ধ এবং একটি সুষ্ঠু প্রতিযোগিতামূলক ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য রাষ্ট্রায়ত্ত পরিবহন বিআরটিসিকে সত্যিকার অর্থে সচল করতে হবে। সত্যি বলতে কি, ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থায় এক অরাজক অবস্থা বিরাজ করছে। জীর্ণশীর্ণ বাসগুলো সিটিংয়ের নামে ‘চিটিং’ করছে যাত্রীদের সঙ্গে। ব্যস্ত সময়ে লোকাল বাসগুলোও হয়ে যাচ্ছে সিটিং। এতে একদিকে তারা যাত্রীর কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে, অন্যদিকে সিটিংয়ের নামে স্বল্প যাত্রী বহন করায় শত শত যাত্রীর অপেক্ষাকে আরও দীর্ঘতর করছে। মানহীন ভাঙাচোরা রংচটা বাস, যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়সহ নানা অনিয়মের বেড়াজালে যাত্রীদের বন্দি করছে। সেবা নয়, মুনাফাই এদের আসল উদ্দেশ্য। এ অবস্থায় একটি গতিশীল পরিবহনব্যবস্থা গড়ে তোলার বিকল্প নেই। এ জন্য রাষ্ট্রায়ত্ত বিআরটিসিকে সচল করতে হবে। দেশে যদি সত্যিকার অর্থে গণপরিবহন বলে কিছু থাকত তাহলে বেসরকারি বাস মালিকরা নৈরাজ্যকর অবস্থা তৈরি করতে পারত না। দুঃখজনক হচ্ছে, গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে উঠতেও এই চক্র প্রবল বিরোধিতা করে। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সংস্থার (বিআরটিসি) বাস চলাচলেও চরম অসহযোগিতা করে, পরিবহন খাতে একচেটিয়া প্রাধান্য বজায় রেখেছে বেসরকারি পরিবহন ব্যবসায়ীরা। ফলে যাত্রী ভোগান্তির কোনো সীমা নেই। অন্যদিকে, বিআরটিসি নিজেও যেন ধুঁকে ধুঁকে মরছে। রাষ্ট্রায়ত্ত এই প্রতিষ্ঠানটি চরম অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির কারণে ক্রমাগত লোকসানি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। বিআরটিসি বিকল্প পরিবহন ব্যবস্থা হিসেবে দাঁড়াতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে জনসাধারণের ভোগান্তি বেড়েছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য, বিআরটিসিকে সচল করার বিকল্প নেই।

বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় উত্তরাঞ্চলে বিআরটিসির সার্ভিস চালু হলে, ওই অঞ্চলের মানুষজনের কাছে তা ব্যাপক সমাদৃত হয়। কিন্তু বেসরকারি পরিবহন মালিকদের তা চক্ষুশূলের কারণ হয়। তারা জনপ্রিয় এই সার্ভিস বন্ধে, নানা ধরনের তাণ্ডব চালায়। এমনকি ধর্মঘট ডেকে অচলাবস্থা সৃষ্টি করে। অবশেষে সরকার পিছু হটতে বাধ্য হয়। অথচ ১৯৬১ সালের অধ্যাদেশ বলে, রাষ্ট্রীয় পরিবহন প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিআরটিসির বাস দেশের সে কোনো স্থানে চলাচলের অধিকার রাখে। সরকার দেশে স্বল্পমূল্যে দ্রুত, দক্ষ, আরামপ্রদ, আধুনিক ও নিরাপদ সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে ৮০’র দশকে বিআরটিসি বাস সেবা চালু করে। কিন্তু এরপর থেকেই প্রতিষ্ঠানটির পেছনে কুচক্রী মহলের দৃষ্টি পড়ে। ২০০৪ সালে তৎকালীন জোট সরকারের যোগাযোগমন্ত্রী বেসরকারি পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের সঙ্গে এক চুক্তি করেন। পরবর্তী সময়ে এই চুক্তির দোহাই দিয়ে, পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন রুট থেকে বিআরটিসি বাস উঠিয়ে দেওয়া হয়। রাজধানীতেও বিআরটিসির পরিবহন সেবা, ক্রমেই সীমিত হয়ে আসছে। যদিও প্রতি সরকার এসে, নতুন করে বিআরটিসিকে ঢেলে সাজানোর চেষ্টা করে। বর্তমান সরকারও বেশ কয়েক দফা বিআরটিসির নতুন বাস রোডে নামায়। কিন্তু কিছুদিন না যেতেই, অজানা কারণে বাসগুলো অকার্যকর হয়ে পড়ে। বাসে সামান্য ত্রুটি দেখা দিলেই, তা মেরামত না করে বন্ধ করে দেওয়া হয়। বাস মেরামতের চেয়ে নতুন বাস কেনার দিকেই আগ্রহ বেশি বিআরটিসি কর্তৃপক্ষের।

মুক্তবাজারের নামে বেসরকারি পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা এখন পরিবহন খাতকে জিম্মি করে ফেলেছে। রাজধানীতে প্রায় ২২ হাজার ছোট-বড় বাস চলে। এর মালিক মাত্র ২ হাজার। দেখা যাচ্ছে, অল্প কিছু মানুষ রাজধানীর সামগ্রিক পরিবহনব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করছে। এ অবস্থা থেকে উদ্ধার পেতে হলে, বিআরটিসিকে সচল করার বিকল্প নেই। সারা দেশে বিআরটিসির বাস চলতে দিতে হবে প্রয়োজনীয় সংখ্যায়। বিশেষ করে রাজধানীতে বাসের সংখ্যা বাড়ানো অপরিহার্য। জনস্বার্থে বিআরটিসিকে সচল করা এবং একটি সুষ্ঠু প্রতিযোগিতামূলক প্যারালাল গণপরিবহনব্যবস্থা গড়ে তোলাই এখন সময়ের দাবি। সরকারকে মনে রাখতে হবে মুষ্টিমেয় লোকের দুর্নীতি, লোভের কারণে গণপরিবহনের নৈরাজ্য নিয়তি হতে পারে না। ঢাকার রাস্তায় একইসঙ্গে চলছে বাস, মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, সিএনজিচালিত অটো, রিকশা ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের যানবাহন। ফলে জগাখিচুড়ি অবস্থার কারণে, যানজট এখানে নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ জন্য একটি সমন্বিত পরিকল্পনা নিয়ে অগ্রসর হওয়া প্রয়োজন। সড়ক পথের উন্নয়নের পাশাপাশি, ঢাকার চারপাশে নৌপথগুলো চালু করা দরকার। নৌপথে যাতায়াত অপেক্ষাকৃত সস্তা এবং স্বস্তিদায়ক। এ জন্য বুড়িগঙ্গা, তুরাগসহ অন্য নদীগুলোর দখল-দূষণ বন্ধ করতে হবে। ঢাকার খালগুলো পুনরুদ্ধার করে সেগুলোতে নৌরুট চালু করা যায়। এছাড়া মেট্রোরেল চলাচল রাস্তা বৃদ্ধি করেও, রাজধানীর গণপরিবহনের চাহিদা অনেকটা মেটানো সম্ভব। গণপরিবহনের অব্যবস্থাপনা এবং যানজট দূর করে, স্থবির ঢাকাকে বদলে না দিতে পারলে দেশের কাক্সিক্ষত উন্নয়ন সম্ভব নয়।

লেখক: সিনিয়র সাংবাদিক, কলামিস্ট

[email protected]

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত