নেত্রকোনার খালিয়াজুরীর ধনু নদীতে স্পিডবোট ডুবে চারজন নিখোঁজের প্রায় ৪০ ঘণ্টা পর ভেসে উঠল দুই শিশু ও এক কিশোরীর মরদেহ।
গতকাল রবিবার দুপুরে উপজেলার গাজিপুর ইউনিয়নের পাঁচহাট গ্রামের ধনু নদীর পাড়ে আশ্রয়ণ প্রকল্পের কাছে শিশু লায়লা (৭) এবং শিরিন আক্তারের (১৮) মরদেহ ভেসে উঠলে স্বজন ও স্থানীয়রা উদ্ধার করেন। দুপুর ২টার দিকে পাঁচহাট গ্রামের কাছে সামিয়ার (১১) মরদেহ ভেসে উঠলে ডুবুরি ও স্থানীয়রা উদ্ধার করে। এর আগে শনিবার দুপুরে উষামনি (৭) নামের এক শিশুর মরদেহ ভেসে ওঠে।
গত ১২ সেপ্টেম্বর বিকেলে স্পিডবোটটি ডুবে চারজন নিখোঁজ হয়। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল এখনো ডুবে যাওয়া স্পিডবোটটির সন্ধান পায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শী, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার বিকেলে খালিয়াজুরী উপজেলার গাজিপুর ইউনিয়নের পাঁচহাট আন্ধার গ্রামের নবাব মিয়ার ছেলে রানা মিয়ার বরযাত্রী নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার মিরকা গ্রামে। কিন্তু বিয়ের অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে পানি কাটতে ১২ নারী-শিশু একটি স্পিডবোটে করে যাওয়ার সময় নদীতে মাছ ধারা একটি নৌকার সঙ্গে স্পিডবোটটির ধাক্কা লাগে। এতে নৌকায় থাকা ছাত্তার ও তার ছেলে জহিরুল ক্ষিপ্ত হয়ে স্পিডবোটে ওঠে চালককে মারধর করেন। এ সময় ধস্তাধস্তিতে স্পিডবোটটি ধনু নদীতে ডুবে গেলে আটজন সাঁতরে অন্য নৌকায় উঠে প্রাণে বাঁচে। আর চারজন নিখোঁজ থাকে।
স্পিডবোট ডুবির ঘটনার পর থেকে ছাত্তার ও তার ছেলে জহিরুল পলাতক রয়েছেন।
