ঘুষের ৩০ হাজার টাকাসহ চট্টগ্রাম কাস্টমসের একজন সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তাসহ দু’জনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজ থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা রাজীব রায় ও মো. মঈনউদ্দীন। এ ঘটনায় দুই সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন, জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-১ এ মামলা করা হয়েছে।
অভিযানের নেতৃত্ব দেন দুদকের চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়-১ এর সহকারী পরিচালক সায়েদ আলম। বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদক চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক সুবেল আহমেদ।
সুবেল আহমেদ জানান, মঈনউদ্দীন একটি ক্লিয়ারিং-ফরোয়ার্ডিং (সিঅ্যান্ডএফ) প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী। কাস্টমস কর্মকর্তা রাজীবের ঘুষ আদায়ে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেন তিনি। জানা যায়, মুন্সীগঞ্জের হোমল্যান্ড প্লাস্টিক স্যু ইন্ডাস্ট্রিজ জাপান থেকে ৬ হাজার ৪২৮ মার্কিন ডলার মূল্যের প্লাস্টিক বর্জ্য আমদানি করেন। সেগুলো বন্দর থেকে ছাড় নেওয়ার জন্য শুল্কায়নের প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম কাস্টমসে জমা দেওয়া হয়।
প্রতিষ্ঠানটির মালিক আমির হোসেন দুদককে দেওয়া এক চিঠিতে অভিযোগ করেন, প্রয়োজনীয় সকল নথিপত্র জমা দেওয়ার পরও সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা রাজীব রায় ও সরওয়ার উদ্দিন ইচ্ছাকৃতভাবে শুল্কায়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করে দেরি করছিলেন। তারা নির্ধারিত শুল্কের অতিরিক্ত ৩০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। টাকা না দিলে পণ্য ছাড় করার ক্ষেত্রে আরও দেরি করে নিলামে বিক্রির হুমকি দেন। এ অভিযোগ পেয়ে দুদকের টিম ঘুষ দাবি করা দুই কাস্টমস কর্মকর্তাকে ধরতে ফাঁদ পাতে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে দুদকের টিমের সদস্যরা ছদ্মবেশে ওই প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধির সঙ্গে কাস্টমসে যান। নির্ধারিত শুল্কের বাইরে অতিরিক্ত ৩০ হাজার টাকা গ্রহণ করার পর রাজীবকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে দুদক টিম। এ সময় ঘুষ লেনদেনের মধ্যস্থতাকারী মঈনউদ্দীনকেও সেখান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
দাউদকান্দিতে আ. লীগের ঝটিকা মিছিল, গ্রেপ্তার ৭
ছাঁটাইয়ের দুই সপ্তাহ না যেতেই পুরনো ক্লাবে নতুন চাকরি মরিনহোর