বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পাইলট ক্যাপ্টেন মুনতাসির রহমান গত মঙ্গলবার রাতে জেদ্দা বিমানবন্দরে আটক হয়েছেন। পাসপোর্ট ছাড়া ফ্লাই করায় জেদ্দা ইমিগ্রেশন তাকে জিজ্ঞাসাবাদের পর আটক করে। বোয়িং ৭৭৭ উড়োজাহাজের পাইলট মুনতাসির এর আগেও বিভিন্ন সময়ে নানা ঘটনার সৃষ্টি করেন। গতকাল বুধবার সকালে বিমান কর্র্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে তাকে বিমানবন্দর থেকে হোটেল নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সন্ধ্যার ফ্লাইটে ক্যাপ্টেন মুনতাসিরের পাসপোর্ট পাঠানোর ব্যবস্থা করেছে বিমান কর্র্তৃপক্ষ।
বিমানে জবাবদিহি না থাকায় এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এর আগেও ক্যাপ্টেন ফজল মাহমুদ সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফ্লাইট চালিয়ে দোহায় গিয়ে আটক হন। তিনিও পাসপোর্ট ছাড়া সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইট পরিচালনা করেন। ওই সময় তাকে দোহা বিমানবন্দরের বাইরে যেতেই দেওয়া হয়নি। তিনি পরে অন্য ফ্লাইটে দেশে ফেরেন।
বিমান সূত্র জানায়, গত ৩১ জানুয়ারি ক্যাপ্টেন এনাম ঢাকা-লন্ডন রুটে মেয়াদ উত্তীর্ণ আইডি কার্ড নিয়ে ফ্লাইট পরিচালনা করায় তাকে হিথ্রো বিমানবন্দরে আটক করেন ইমিগ্রেশন কর্র্তৃপক্ষ। এরপর তাকে টিকিট করে বিমানের ফ্লাইটে ফেরত পাঠানো হয়। কারণ লং রুটের ফ্লাইটগুলোতে তিনজন ককপিট ক্রু দিয়ে অপারেশন করা হয়ে থাকে।
এ বিষয়ে বিমানের প্রধান নির্বাহী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. সাফিকুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।
