বৈশ্বিক স্বীকৃতি ও দ্বিরাষ্ট্র নীতি

আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:২৬ এএম

গাজা বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মানবিক সংকটে রয়েছে। ইসরায়েল সেখানকার অধিকাংশ অবকাঠামো, সেবা ও অন্যান্য সুবিধা প্রায় ধ্বংস করে দিয়েছে। এটা হচ্ছে পরিকল্পিতভাবে একটি স্থানকে জনশূন্য করার নকশা। হামাসের সঙ্গে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান থেকে যে অসম যুদ্ধ শুরু ইসরায়েল শুরু করেছে, সেটি সারা বিশ্বেই ধিক্কার পাচ্ছে এবং এমনকি খোদ ইসরায়েলিরাই অনেকেই চান না আর যুদ্ধ চলুক। এই রাষ্ট্রটির একটি স্থায়ী সমাধান অত্যন্ত দরকার ছিল। যদিও বিশ্ব এ নিয়ে আগে যদি আরও বেশি সচেষ্ট হতে পারত, তাহলে হয়তো দ্বি-রাষ্ট্র নীতিতে সমাধান আনা যেত। দ্বি-রাষ্ট্র নীতি ছাড়া, ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সমস্যার কোনো স্থায়ী সমাধান সম্ভব হবে না। তার প্রমাণ হলো, বিভিন্ন দেশ সম্প্রতি ফিলিস্তিনকে একটি রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিচ্ছে। গত ১ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ফিলিস্তিন-ইসরায়েল দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানের পক্ষে একটি প্রস্তাব পাস হয়। ‘নিউ ইয়র্ক ঘোষণা’ নামে এ প্রস্তাবটিতে ১৪২টি দেশ ফিলিস্তিনের পক্ষে ভোট দেয়। বিপক্ষে ভোট দেয় ১০টি দেশ এবং ভোটদানে বিরত থাকে ১২টি দেশ। প্রস্তাবটি ফ্রান্স ও সৌদি আরবের নেতৃত্বে উত্থাপিত হয়। বিশ্লেষকরা বলছেন, ইসরায়েল আন্তর্জাতিক মহল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে। এই স্বীকৃতি সরাসরি গাজায় ইসরায়েলের কর্মকা-ে হয়তো প্রভাব ফেলবে না। তবে এটি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, এসব দেশ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বাস্তব পদক্ষেপ নিতে রাজি।

ইতিমধ্যেই যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া,পর্তুগাল আর কানাডা ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। লন্ডনে ফিলিস্তিন দূতাবাসের বাইরে দেশটির পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। এর পরপরই জাতিসংঘ অধিবেশনের প্রাক্কালে নিউ ইয়র্কে আয়োজিত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অ্যান্ডোরা, মোনাকো, লুক্সেমবার্গ ও মাল্টা ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়। আরও কয়েকটি দেশের নাম তালিকায় রয়েছে। ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার আন্তর্জাতিক প্রক্রিয়াও চলছে বহু দশক ধরে। ১৯৪৫ সালের পর জাতিসংঘের ১৪০টির বেশি সদস্যরাষ্ট্র ফিলিস্তিনকে সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র এখনো স্বীকৃতি দেয়নি। ২০১২ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ফিলিস্তিনকে ‘সদস্যবহির্ভূত পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। পরে ২০১৫ সালের মধ্যে ১৩৮টি দেশ ফিলিস্তিনকে সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। ফ্রান্স ও সৌদি আরব গত সোমবার ফিলিস্তিনে দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানের পক্ষে সমর্থন জোগাড়ের লক্ষ্যে এক বহুজাতিক সম্মেলনের আয়োজন করে। সেখানে অন্তত কয়েক ডজন দেশের নেতারা সম্মেলনে যোগ দেন। বিশ্বে জাতিসংঘের সদস্য রয়েছে ১৯৩টি। এর মধ্যে এ পর্যন্ত ১৫০টি রাষ্ট্র ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে। ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়া ১৫০টি জাতিসংঘ সদস্য দেশের তালিকায় এবার নতুন নতুন দেশ যুক্ত হচ্ছে। চীন, রাশিয়া ও যুক্তরাজ্য ইতিমধ্যেই ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে। ফ্রান্সও স্বীকৃতি দিয়েছে। যদিও এসব কেবলই প্রতীকী। ফিলিস্তিনের বিপক্ষের এই নীতি যুক্তরাষ্ট্র জোরেশোরেই সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে এখনো। এর মধ্যেই ইসরায়েলের কাছে অস্ত্রও বিক্রি করতে চলেছে দেশটি। যদিও বিশ্ব পরিস্থিতি ভিন্ন এবং ইসরায়েলের বিরুদ্ধ মনোভাব বিশ্বে বেশ ভালোভাবেই টের পাওয়া যাচ্ছে। এই সময় বিশ্ব ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়ানো বা স্বাধীন ফিলিস্তিনের স্বীকৃতি দিতে ভালোভাবেই এগিয়েছে। কিন্তু এটাই সবকিছু নয়। ইসরায়েলকে থামাতে বিশ্বকে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ফিলিস্তিনকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বৈধতা দেয়। ইসরায়েলকে কূটনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন করতেও জোরালো ভূমিকা পালন করবে। ইসরায়েলের এই দখলদারিত্ব মনোভাবই সম্ভবত ফিলিস্তিনকে দ্বি-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানে এগিয়ে নিয়ে যাবে। ফিলিস্তিনের প্রতি বৈশ্বিক সমর্থন বাড়লেও কার্যত ইসরায়েলকে এখনো দমানো সম্ভব হচ্ছে না। ইসরায়েল একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে অগ্রসর হচ্ছে। সেটি যদি হয় ফিলিস্তিনিদের জন্মভূমি থেকে বিতাড়িত করে সেখানে নতুন বসতি গড়ে তোলা, তাহলে বিশ্বে আরও মানবিক সংকট বৃদ্ধি পাবে। প্রতি ঘণ্টায় সেখানে মানুষের প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে। দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানে একটি ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র ইসরায়েলের পাশাপাশি অবস্থানের কথা উল্লেখ আছে।

গাজা পরিস্থিতিকে যুদ্ধ বলা কতটুকু যুক্তিসংগত, তা ভাবতে হবে। কারণ এটা হচ্ছে একপেশে। যেখানে ইসরায়েল পরিকল্পনামাফিক হত্যাযজ্ঞ পরিচালনা করছে। কিন্তু লক্ষণীয় যে, যুদ্ধের মধ্যেই ইসরায়েলের ওপর চাপ আসছে। আর বিপরীতে ফিলিস্তিনের পক্ষে সমর্থন। অনেক আগেই যুদ্ধের পর ফিলিস্তিনিদের জন্য একটি চূড়ান্ত ‘দ্বি-রাষ্ট্র’ সমাধানের জন্য ইসরায়েলকে চাপ প্রয়োগ করেছেন ইইউ পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। দশকের পর দশক ধরে চলে আসা ফিলিস্তিন-ইসরায়েলের মধ্যকার অমীমাংসিত বিষয় নিয়ে চলা যুদ্ধে প্রাণহানি, সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি এবং অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নিরীহ ফিলিস্তিনিরা এর নির্মম শিকার হচ্ছে। পৃথিবী চায় স্থায়ী সমাধান। স্থায়ী সমাধান না হলে কখনোই এ অঞ্চলে শান্তি ফিরবে না।  মানবতা ফিলিস্তিনে ভূলুণ্ঠিত হচ্ছে, শিশুদের জন্য জায়গাটা এখন নরকের থেকে বেশি ভয়াবহ। হামলার এই পর্যায়ে সব দেশই চাচ্ছিল যুদ্ধবিরতি। ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের ব্যাপক অভিযানে লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হচ্ছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ছাপিয়ে হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধ এবং গাজা উপত্যকায় ঘটে চলা তীব্র নৃশংসতা বিশ্বের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত কয়েক দশক ধরেই বিশ্ব যেন যুদ্ধ বন্ধ করার চেয়ে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়াকেই নিয়তি হিসেবে ধরে নিয়েছে। মানুষ এতটাই অমানবিক, প্রতিশোধপরায়ণ এবং নিষ্ঠুর হতে পেরেছে যে ফিলিস্তিনের হাসপাতালগুলোতেও হামলা করা হয়েছে। সেখানে কিন্তু মৃত মানুষও ছিল। একজন মানুষ আর কতবার মরবে? অতি দ্রুত এখন ইসরায়েলের এই নৃশংসতা বন্ধ করা জরুরি এবং বিশ্বকে সে বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে হবে। যুদ্ধ বিশ্বের অর্থনীতি এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও বেশি জটিল করে তুলছে। ফলে যুদ্ধ বন্ধে দ্বি-রাষ্ট্র তত্ত্ব প্রয়োগের সময় এসেছে। ইহুদি জনগণের জন্য ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য ফিলিস্তিন। দুটি দেশের মানুষ একে-অপরের পাশে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ফিলিস্তিন ও ইসরায়েলের মধ্যে যে দ্বন্দ্ব রয়েছে সেটি সমাধানের জন্য দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানকেই সবচেয়ে উত্তম মনে করছে। ১৯৪৭ সালে জাতিসংঘ ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল আলাদা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা গ্রহণ করে। অনেক দেশ এতে সমর্থন জানায়। ইসরায়েল ক্ষমতা দখলের পর থেকে গাজায় একের পর এক হামলা চালায়।

দ্বি-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের তত্ত্বটি এসেছিল ১৯৯৩ সালে অসলো শান্তি আলোচনার মাধ্যমে এবং দুপক্ষই তাতে সম্মত হয়েছিল। দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান নীতির উৎস মূলত ক্যাম্প ডেভিড অ্যাকর্ডস চুক্তি (শান্তিচুক্তি)। ১৯৭৮ সালে মিসর ও ইসরায়েল এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। দুপক্ষই জেরুজালেম শহরকে নিজেদের রাজধানী হিসেবে দাবি করে। ফলে বিভিন্ন সময় এ ধরনের হামলার ঘটনা ঘটেছে। দ্বি-রাষ্ট্র নীতিতে এখনো সমাধান সম্ভব এটা বিশ্বাস করে বেশিরভাগ দেশ ও মানুষ। দুটো আলাদা দেশ হবে এবং আলাদা আলাদা স্বাধীন কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এভাবে সমাধান সম্ভব। তাছাড়া যুদ্ধ চলতেই থাকবে। যদি উভয় পক্ষই এ চুক্তি বা দ্বি-রাষ্ট্র নীতি মেনে চলে তাহলে অমীমাংসিত বিষয়গুলো উভয়ের সম্মতিতে মীমাংসা করা সম্ভব হবে।  যুদ্ধ কতদিন চলতে পারে, এমন উত্তর দেওয়া যায় না, কারণ যে কারণগুলো দেখিয়ে, কীভাবে ঐকমত্যে পৌঁছানো সম্ভব হবে তা প্রশ্নসাপেক্ষ বিষয়। অথবা কোন দেশ নিজ উদ্যোগে এ কাজ করবে, সেটিও প্রশ্নের। ফলে যুদ্ধ থামার কোনো আশা দেখছে না বিশ^। যত দীর্ঘ সময় নিয়ে যুদ্ধ হবে, ততই ক্ষতি বাড়বে। নিরীহ মানুষের প্রাণহানি ঘটবে। মানুষ তার বেঁচে থাকার আশা হারাবে। একটি টেকসই পৃথিবী গঠনে অস্ত্র নয় প্রয়োজন সবার জন্য খাদ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা, বাসস্থানের মতো মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণ করা। সে লক্ষ্যে অগ্রসর হতে প্রথমেই যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে। আর তা না হলে নিজেদের হাতে তৈরি সভ্যতায় নিজেরাই বিলুপ্ত হবে কোনো সন্দেহ নেই। বৈশ্বিক চাপ সত্ত্বেও ইসরায়েল ফিলিস্তিনে হামলা, ধ্বংস অব্যাহত রেখেছে। ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিতে হবে। ফিলিস্তিনিদের অধিকার বিষয়ে বিশ^কে একমত হতে হবে এবং তাদের ভূমির অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে। এভাবে আর কত নিরীহ মানুষের মৃত্যু ঘটবে নিরীহ নারী-পুরুষ ও শিশু?

ইসরায়েলের একের পর এক আক্রমণে ফিলিস্তিনের অনেক এলাকা আজ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। কতদিনে ঐ অঞ্চলে একটি স্থায়ী সমাধান আসবে সেটাও নিশ্চিত নয়। যুদ্ধ এবং শান্তি পরস্পর বিপরীতমুখী প্রক্রিয়া। একদিকে একে অন্যকে আক্রমণাত্মক বক্তব্য ছুড়ছে, অন্যদিকে শান্তির বুলি। পৃথিবীর মানুষকে আসলে গভীরভাবে ভাবতে হবে যে তারা কী চায়? যুদ্ধ না শান্তি? অস্ত্র না মানবতা? এসব পাশাপাশি চলতে পারে না। অতীতেও ইসরায়েল-ফিলিস্তিনের মধ্যেকার দ্বন্দ্ব নিরসনে, বিশ্বে একাধিকবার দাবি জোরালো হয়েছে। পরিকল্পনা হয়েছে, প্রস্তাব হয়েছে কিন্তু বাস্তবে এর ফল পাওয়া যায়নি। পৃথিবীর বুকে জন্ম নেওয়া প্রতিটি শিশুই, একটি স্বাধীন ভূমির প্রত্যাশা করে। যুদ্ধ বা হানাহানি জন্ম থেকে প্রত্যাশা করে না। কিন্তু ফিলিস্তিনে জন্ম নেওয়া একটি শিশু, কেন সেই স্বপ্ন দেখতে পারবে না এর উত্তর কারও কাছে নেই। ফলে পৃথিবীর স্বার্থেই পৌঁছাতে হবে, কোনো স্থায়ী সমাধানে। ফিলিস্তিনকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দিতে যেসব রাষ্ট্র, বিশেষত যাদের স্বীকৃতি খুব দরকার ছিল, যেমন ফ্রান্স বা যুক্তরাজ্যের মতো দেশ তাদের স্বীকৃতি কিছুটা হলেও ইসরায়েলকে চাপে রাখবে। আর স্বীকৃতি না দেওয়া অনেক দেশেই জনগণ চাচ্ছে স্বীকৃতি দিতে। অর্থাৎ সরকারও কিছুটা দ্বিধাদ্বন্দ্বে রয়েছে। যেমন ইতালিতেই বিক্ষোভ হয়েছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র বিষয়টিকে হামাসকে উৎসাহ দেওয়ার সঙ্গে তুলনা করেছে। আর ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি বাড়তে থাকায়, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু প্রবল অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপের মধ্যে রয়েছেন। ইসরায়েল তাকিয়ে আছে, যুক্তরাষ্ট্রের দিকে। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোও ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে। নেতানিয়াহুর ফিলিস্তিনে এই আগ্রাসনই, সম্ভবত এসব দেশকে দ্রুত স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে।

লেখক: প্রাবন্ধিক ও কলাম লেখক

[email protected]

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত