ওষুধ-আসবাবপত্র ট্রাকে শুল্ক আরোপ ট্রাম্পের

আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৫:৩৭ এএম

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আরেক দফা নতুন শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার তিনি আমদানিকৃত ব্র্যান্ডেড ওষুধের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক এবং ভারী ট্রাকের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক, যা আগামী সপ্তাহ থেকে কার্যকর হবে। শুল্ক ধারাবাহিকভাবে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের বৈশিষ্ট্য হয়ে এসেছে, যেখানে বিভিন্ন বাণিজ্য অংশীদারের ওপর ১০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ব্যাপক শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন পণ্যের ওপর লক্ষ্যভিত্তিক শুল্ক আরোপ করা হয়েছে, যা বিশ্ব অর্থনীতির ওপর প্রভাব ফেলছে এবং ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত গ্রহণকে জটিল করে তুলছে। ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া ঘোষণায় ট্রাম্প বলেন, এ শুল্কের কারণ হলো অন্যান্য দেশের মাধ্যমে এ পণ্যগুলো মারাত্মকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করছে। ট্রাম্প বলেন, যেকোনো ব্র্যান্ডেড ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্যের ওপর ১০০ শতাংশ নতুন শুল্ক সব আমদানি পণ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে, যদি না কোম্পানিটি ইতিমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রে একটি উৎপাদন প্ল্যান্ট নির্মাণ শুরু করে থাকে। তবে নতুন এ শুল্কের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি। ট্রাম্প আরও বলেন, তিনি রান্নাঘরের কেবিনেট এবং বাথরুম ভ্যানিটিজের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক এবং আসবাবের ওপর ৩০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবেন।

ইতোমধ্যে এশিয়ার ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলোর শেয়ারে দরপতন হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার সিএসএল ছয় বছরের সর্বনিম্নে পৌঁছেছে। জাপানের সুমিতোমো ফার্মার দরপতন হয়েছে পাঁচ শতাংশের বেশি। হংকংয়ের হ্যাংসেং বায়োটেক ইনডেক্স প্রায় আড়াই শতাংশ কমেছে। এ ছাড়া চীনের তালিকাভুক্ত আসবাব প্রস্তুতকারক কোম্পানিগুলোর সূচকও এক দশমিক এক শতাংশ হারে কমেছে। নতুন পদক্ষেপগুলোকে ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কসংক্রান্ত আইনসম্মত কর্র্তৃত্বকে আরও নির্ভরযোগ্যভাবে ব্যবহার করার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ফার্মাসিউটিক্যাল গবেষণা ও উৎপাদনকারী সংস্থা ফার্মাসিউটিক্যাল রিসার্চ অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারার্স অব আমেরিকা জানিয়েছে, এ শুল্কগুলো সেই পরিকল্পনাগুলোকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। ট্রাম্প প্রশাসন প্রায় ১২টি তদন্ত শুরু করেছে, যেগুলো জাতীয় নিরাপত্তার ওপর আমদানি পণ্যের প্রভাব মূল্যায়ন করছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত