সুপার ওভারে ফ্রি হিট পেয়েও ছক্কা মারতে পারেননি সৌম্য সরকার। অনেকের মতে, ম্যাচে বাংলাদেশের ভাগ্য নির্ধারণ হয়ে যায় ওখানেই। শুরুতেই ওয়াইড এবং নো বলে বাড়তি রান আসার পরও ফ্রি হিটে ছক্কা মারতে না পারা, এমনকি মূল ম্যাচেও ফ্রি হিট কাজে লাগাতে না পারার ব্যর্থতার পেছনে নিজের দায়ই বেশি দেখেন সৌম্য সরকার।
ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে এসে সৌম্য বলেছেন, ‘দেখুন, হ্যাঁ, এটা ঠিক আজকে (গতকাল) তিনটি ফ্রি হিট আমি কাজে লাগাতে পারিনি, অতীতেও অনেক ফ্রি হিট আমি কাজে লাগাতে পারিনি। ওরকম কোনো কিছু ছিল না, আমি সুপার ওভারে যে বলগুলা খেলেছি, অলমোস্ট সবই ফ্রি হিট ছিল। আমার টার্গেট ছিল ছয় বা বাউন্ডারি মারা। হ্যাঁ, আমি এটা পারিনি, হয়তোবা এখানে আমার কোনো ঘাটতি ছিল।’
দুই ম্যাচেই বাংলাদেশের রিশাদ হোসেন সবচেয়ে উঁচু স্ট্রাইক রেটে ব্যাট করেছেন। সুপার ওভারে তাকে ব্যাটিংয়ে না পাঠানোর সিদ্ধান্তটা বিস্ময়কর। সৌম্য বলেন, ‘আমরা কিন্তু জানতাম না আকিল হোসেন সুপার ওভারটা করবেন। এটা নিয়ে তো আমরা সবাই চিন্তা করিনি, আমাদের কোচ ও অধিনায়ক চিন্তা করেছেন। আমরা যদি দুজন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান নেমে যেতাম আর ওরা যদি অফ স্পিনারকে বোলিং দিত তাহলে আমাদের সমস্যা হতে পারত। ওরাও কিন্তু ডানহাতি-বামহাতি সমন্বয় করে খেলেছে।’ সৌম্য এটাও জানালেন যে, সুপার ওভারের ব্যাটিং অর্ডার নিয়ে তাদের কাছে কোনো পরামর্শ চাননি কোচ, ‘ম্যানেজমেন্ট আর অধিনায়ক যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, সেটাই আমার কাছে মনে হয় সেরা সিদ্ধান্ত।’
