সিলেটের হয়ে ময়মনসিংহের বিপক্ষে মুশফিক

আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০২৫, ১২:২৩ এএম

আজ মাঠে গড়াচ্ছে জাতীয় ক্রিকেট লিগ (এনসিএল)-এর ২৭তম আসর। দেশের শীর্ষ প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় এবারে খানিকটা পরিবর্তন। ২০০০-০১ মৌসুমে ঢাকা মেট্রো নামের একটি দল গড়া হয় ঢাকা বিভাগের পাশাপাশি, সেই দলটা এবার থেকে আর থাকছে না জাতীয় লিগে। নতুন দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে ময়মনসিংহ বিভাগ। তাদের প্রথম ম্যাচটাই জাতীয় লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন সিলেটের বিপক্ষে।

তিন ভেন্যুর ৪ মাঠে প্রথম রাউন্ডের ৪টি ম্যাচ। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে সিলেটের প্রতিপক্ষ ময়মনসিংহ। বগুড়ার ছেলে মুশফিক জাতীয় লিগে খেলেছেন রাজশাহীর হয়ে, তবে এবার তিনি বেছে নিয়েছেন সিলেটকে। ৯৮ টেস্ট খেলা মুশফিক তার ৯৯তম টেস্ট খেলতে নামবেন সিলেটেই, আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে। তার আগে প্রস্তুতিটাও ভালোই হয়ে যাবে মুশফিকের। তবে সিলেটের বিপক্ষে খেললেই হয়তো বেশি ভালো প্রস্তুতি হতো মুশফিকের! কারণ এবাদত হোসেন, খালেদ আহমেদ, আবু জায়েদ রাহী, রেজাউর রহমান রাজা... সব পেসারই যে সিলেট দলে! ময়মনসিংহ দলটাও অবশ্য দুর্বল নয়। অধিনায়ক শুভাগত হোম আর উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান নাঈম শেখ। ওদিকে মাহমুদউল্লাহর পর ময়মনসিংহের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত স্ট্যান্ডবাই তালিকায়, মুনিম শাহরিয়ার ভুলে যাওয়া নাম।

খুলনা বিভাগের দলে আছেন জাতীয় দলের অভিজ্ঞতাসমৃদ্ধ বেশ কয়েকজন ব্যাটসম্যান। সৌম্য সরকার, এনামুল হক বিজয়, মোহাম্মদ মিঠুন, আফিফ হোসেন, তবে বোলিংয়ে নেই পরিচিত কেউ। খুলনার প্রতিপক্ষ বরিশাল। এই দলেই খেলোয়াড় নির্বাচন নিয়ে ফজলে মাহমুদ ও সোহাগ গাজীর দ্বন্দ্বের খবর নিয়ে হয়েছিল তোলপাড়, সেই বরিশাল দলে এবার সোহাগ গাজী নেই।

মমিনুল হক, মাহমুদুল হাসান জয়, নাঈম হাসান টেস্ট দলের তিন নিয়মিত মুখ আছেন চট্টগ্রাম দলে। সঙ্গে শাহাদাত হোসেন দীপু, ইয়াসির আলি চৌধুরি রাব্বি, হাসান মুরাদও আছেন। সব মিলিয়ে চট্টগ্রামের ব্যাটিং ও স্পিন বিভাগ শক্তিশালী, পেস বোলিংটা একটু পিছিয়ে। রাজশাহী স্টেডিয়ামে স্বাগতিকদের বিপক্ষে মাঠে নামবে চট্টগ্রাম। রাজশাহী দলে আছেন তাইজুল ইসলাম। এর বাইরে বাকি সব নামই প্রায় অচেনা। চেনা মনে হতে পারে হাবিবুর রহমান সোহান নামটা। ঘরোয়া ক্রিকেটে তার পারফরম্যান্সের ঝলক মাঝে সাঝেই দেখা যায়।

বাকি থাকল ঢাকা আর রংপুর, এই দুদল মুখোমুখি হবে সিলেটের আউটার স্টেডিয়ামে। সাদমান ইসলাম, জিশান আলম, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, রনি তালুকদার, মার্শাল আইয়ুবদের নিয়ে গড়া শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপ। পেস  বোলিংয়ে রিপন ম-ল, সুমন খানরা, স্পিন অলরাউন্ডার হিসেবে মাহফিজুর রহমান রাব্বীও খারাপ নন। অন্যদিকে রংপুরে ‘আকবর অ্যান্ড কো’, এনসিএল টি-২০ এর চ্যাম্পিয়নরা ৪ দিনের ম্যাচেও ছেড়ে কথা বলবে না। দলটার টিম কেমিস্ট্রি ভালো, আকবরের নেতৃত্ব গুণটাও দারুণ আর অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের সুন্দর ভারসাম্য আছে দলে। নাসির হোসেন, আলাউদ্দিন বাবু, নাঈম ইসলামের মতো অভিজ্ঞরা যেমন আছেন, তেমনি আব্দুল্লাহ আল মামুনের মতো উঠতি ক্রিকেটারের সঙ্গে আছেন কয়েকজন তরুণ। সব মিলিয়ে উৎসাহ আর উত্তেজনায় টগবগ করে ফুটতে থাকা রংপুর নিঃসন্দেহে চ্যালেঞ্জ জানাবে অন্য ৭ দলকে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত