আয়ারল্যান্ডের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন আইরিশ রাজনৈতিক ও বামপন্থী আইনপ্রণেতা ক্যাথরিন কনলি। প্রতিদ্বন্দ্বী হিথার হাম্পফ্রিসকে ৬৩ শতাংশ ভোটের বড় ব্যবধানে হারিয়ে জয়ী হন তিনি।
শনিবার (২৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ৪৩টি নির্বাচনী এলাকা থেকে ভোট গণনার পর আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
৬৮ বছর বয়সী কনলি একজন স্বাধীন রাজনীতিবিদ ও প্রাক্তন ব্যারিস্টার। তিনি ঘোষণা করেছেন, তিনি এমন একজন প্রেসিডেন্ট হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন যিনি চিন্তা করবেন এবং শুনবেন এবং শুধুমাত্র প্রয়োজনেই কথা বলবেন। এছাড়াও তিনি এমন একটি গণতন্ত্র গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন যা মানুষের মূল্য দেবে।
ফাইন গেইল দলের প্রতিনিধি ৬৪ বছর বয়সী হাম্পফ্রিস আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগে পরাজয় স্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘ক্যাথরিন আমাদের সবার প্রেসিডেন্ট হবেন, এবং তিনি আমারও প্রেসিডেন্ট।’ হাম্পফ্রিস ২৯.৫ শতাংশ ভোটে পরাজয়ী হন।
কনলির নির্বাচনী প্রচারণা তরুণদের মধ্যে বিশেষভাবে জনপ্রিয় হয়। তিনি সিন ফেইন, লেবার পার্টি এবং সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট এর মত বামপন্থী দলগুলোর সমর্থনও পেয়েছেন । এছাড়াও তিনি আন্তর্জাতিক ইস্যুতে খোলাখুলি মতপ্রকাশে বিশ্বাসী, বিশেষ করে গাজার যুদ্ধ নিয়ে তিনি ইজরায়েলকে তীব্র সমালোচনা করেছেন এবং সামাজিক ন্যায়ের জন্য কাজ করেছেন।
আয়ারল্যান্ডের উপ-প্রধানমন্ত্রী সাইমন হ্যারিস কনলিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং তাঁর সাফল্যকে আয়ারল্যান্ডের সাফল্য বলে অভিহিত করেছেন।
২০১১ সাল থেকে দুইটি সাত বছরের মেয়াদে দায়িত্বে থাকা মাইকেল ডি. হিগিন্সের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন কনলি । তিনি আয়ারল্যান্ডের দশম প্রেসিডেন্ট এবং এই পদে তৃতীয় নারী হিসেবে ইতিহাসে নাম লিখিয়েছেন।
সূত্র: রয়টার্স
চীন-যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় দিনের আলোচনা শুরু, মূল লক্ষ্য বাণিজ্য যুদ্ধ শিথিল করা