সম্প্রতি রাজধানীর বুকে এক রুচি ও মানবতাহীন ঘটনা দেখা গেল। গ্রেপ্তারকৃত একজন বাবাকে, তার ছোট্ট মেয়ের সামনে চড়-থাপ্পড় মারা হচ্ছে। মেয়েটি চিৎকার করে কাঁদছে। এটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং সমাজের অন্তঃসারশূন্যতা, বৈষম্য গভীরতা এবং রাষ্ট্রযন্ত্রের আইনশৃঙ্খলাজনিত অপারগতার এক কদর্য প্রতিচ্ছবি। এই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর, সুশীল সমাজ ও নেটপাড়ায় যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে, তা সমষ্টিগত বিবেকের এক অস্থির ও স্ববিরোধী প্রতিধ্বনি। অনেকে এই নির্মমতা দেখে ক্ষুব্ধ ও ব্যথিত, কেউ আবার অপরাধীর প্রতি সহানুভূতি না দেখিয়ে নীরব সমর্থক, আর কেউ এর পেছনে থাকা বৃহত্তর সামাজিক ও আইনি দুর্বলতার দিকে আঙুল তুলেছেন। ঢাকা মহানগরীর মোহাম্মদপুর এলাকার জেনেভা ক্যাম্পে মাদক ব্যবসার অভিযোগে অভিযুক্ত ‘রুস্তম’ নামের এক ব্যক্তিকে যখন পুলিশ গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাচ্ছিল, তখন তার সাত-আট বছর বয়সী মেয়েটি বাবাকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়ে। ঠিক সেই মুহূর্তে ভিড়ের মধ্যে থেকে কেউ একজন শিশুটির গালেও চড় মেরে বসে। পুলিশ দাবি করেছে, তাদের কোনো সদস্য চড় মারেননি এবং স্থানীয় কেউ কাজটি করেছে। কিন্তু এমন ঘটনা সমাজের যে অসুস্থতাগুলো উন্মোচন করেছে, তা গুরুতর ও বহুমাত্রিক।
ঘটনাটি সমাজের কাঠামোগত বৈষম্যকে প্রকট করে তুলেছে। জেনেভা ক্যাম্পের মতো ঘিঞ্জি ও প্রান্তিক এলাকা, যেখানে মূলত অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষজন বসবাস করেন সেখানে দারিদ্র্য, শিক্ষার অভাব এবং জীবিকার সুযোগের স্বল্পতা মানুষকে অন্ধকার পথে ঠেলে দেয়। যার ফলস্বরূপ মাদক ও অপরাধের বিস্তার এক নির্মম বাস্তবতা। রুস্তম নামের ব্যক্তিটি অপরাধী হতে পারেন, কিন্তু তার গ্রেপ্তারের দৃশ্য এবং তার ছোট্ট অসহায় মেয়েকে প্রকাশ্যে চড় মারার ঘটনা দেখিয়ে দেয় যে, প্রান্তিক মানুষের প্রতি সমাজের সংবেদনশীলতা কত কম। একটি শিশু তার বাবাকে জড়িয়ে ধরেছে। সে হয়তো অপরাধীর পরিচয় বোঝে না, বোঝে কেবল বাবা হারানোর আতঙ্ক ও দুঃখ। এমন একটি পরিস্থিতিতে সেই শিশুর ওপর শারীরিক আঘাত করা, সেটি পুলিশের সামনে হোক বা না হোক, সমাজের নিষ্ঠুরতা ও নৈতিক অবক্ষয়ের চূড়ান্ত নিদর্শন। এ আচরণ যেন সমাজের মূলধারার এক নীরব বার্তা। যেখানে বলা হচ্ছে: ‘তোমরা প্রান্তিক, তোমাদের দুঃখ-কষ্ট আমাদের কাছে গুরুত্বহীন।’ এখানে আইনের প্রতি শ্রদ্ধা দেখানোর চেয়ে, প্রতিহিংসা ও ক্ষমতার অপব্যবহার মুখ্য হয়েছে। ঘটনাটি রাষ্ট্রযন্ত্রের আইনশৃঙ্খলা দুর্বলতাকে সামাল দেওয়ার অপারগতা ফুটিয়ে তোলে। গ্রেপ্তার প্রক্রিয়া চলাকালে একজন সন্দেহভাজন অপরাধীর ব্যক্তিগত নিরাপত্তা এবং তার পরিবার, বিশেষ করে অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের মানসিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব। ভিড়ের মধ্যে কেউ একজন যখন একটি শিশুকে চড় মারল, তখন উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের নিষ্ক্রিয়তা বা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা প্রশ্নবিদ্ধ করে। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার এই প্রবণতা বিচারহীনতার সংস্কৃতির একটি করুণ প্রতিফলন। মানুষ যখন দেখে যে, অপরাধের বিচার পেতে দীর্ঘসূত্রতা, দুর্নীতি বা ক্ষমতার প্রভাব কাজ করছে, তখন তারাই আইন হাতে তুলে নেওয়ার সাহস দেখায়। একটি সমীক্ষা অনুযায়ী, বাংলাদেশে বিচারব্যবস্থার ধীরগতি ও দুর্নীতির কারণে সাধারণ মানুষ ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে মনে করে। এটি তাদের আইন হাতে তুলে নিতে উৎসাহিত করছে। এ ধরনের ঘটনা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি মানুষের আস্থা কমিয়ে দেয় এবং সমাজে এক ধরনের নৈরাজ্য ও নিরাপত্তাহীনতা বাড়িয়ে তোলে।
একটি শিশুর মানসিক ট্রমা নিয়ে সমাজের সংবেদনশীলতা কোথায় দাঁড়িয়েছে, সেই প্রশ্ন এই ঘটনা তুলে আনে। জাতিসংঘের ২০০৬ সালের সমীক্ষা অনুযায়ী, বিশ্বে প্রতি ৩ জনের একজন নারী নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। আর ইউনিসেফের তথ্যমতে, বাংলাদেশে প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৯ জন শিশু বাবা-মা এবং শিক্ষকসহ সেবাদানকারীদের দ্বারা শারীরিক শাস্তি বা মানসিক আগ্রাসনের শিকার। প্রকাশ্যে একটি শিশুকে আঘাত করার মধ্য দিয়ে সেই সহিংসতার বিস্তারই দেখা গেল। এই চড় কেবল শুধু শারীরিক আঘাত নয়, বরং তা শিশুর মনে গভীর মানসিক ক্ষত সৃষ্টি করেছে। একটি সমাজের রুচি ও নৈতিক মানদণ্ড নির্ভর করে, সেই সমাজ তার সবচেয়ে দুর্বল সদস্য, নারী ও শিশুদের কতটা সুরক্ষা দিতে পারে তার ওপর। পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের প্রথম ৬ মাসে শিশু নির্যাতনের অভিযোগে ২ হাজার ১৫৯টি মামলা হয়েছে। এ পরিসংখ্যান প্রমাণ করে, আইনি কাঠামো থাকা সত্ত্বেও সমাজের নৈতিক ভিত্তি দুর্বল হয়েছে। নেটপাড়া বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে, তা আমাদের সমাজের দ্বিচারিতা এবং বিচারবুদ্ধির অভাবকে তুলে ধরে। একদল মানুষ অপরাধীর সন্তানের প্রতি সহানুভূতি দেখালেও, অন্য একটি অংশ রুস্তমের মতো একজন মাদক ব্যবসায়ীর সন্তানের জন্য কোনো সহানুভূতি দেখানো উচিত নয় বলে মনে করেছে। এই বিভাজন দেখায়, মানুষ অপরাধের প্রকৃতি দিয়ে শিশুর অধিকারকে বিচার করছে। কিন্তু আইনগতভাবে, অপরাধী যেই হোক না কেন, শিশু তার বাবার অপরাধের কারণে শাস্তি পেতে পারে না। শিশু সুরক্ষা আইনে স্পষ্টভাবে শিশুর প্রতি কোনো ধরনের সহিংসতা বা নির্যাতন নিষিদ্ধ। এ বিতর্কের ফলে, মূল সমস্যা, অর্থাৎ সমাজে বিচারহীনতা এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার ব্যর্থতা প্রায়ই আড়ালে চলে যায়। অপরাধীর সন্তানের ওপর প্রকাশ্য সহিংসতা, আইন ও মানবিকতার দৃষ্টিকোণ থেকে একটি সাংবিধানিক প্রশ্নের জন্ম দেয়। বাংলাদেশের সংবিধান প্রতিটি নাগরিককে, সে অপরাধীর সন্তান হলেও, সুরক্ষা এবং সম্মান নিয়ে বাঁচার অধিকার দিয়েছে। শিশু আইন, ২০১৩ অনুযায়ী, প্রতিটি শিশু জন্মগতভাবে মর্যাদা ও মূল্যবোধের অধিকারী। এখানে মাদক ব্যবসার অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জনসমক্ষে লাঞ্ছিত করা যেমন আইনের পরিপন্থী, তেমনি তার কন্যাকে আঘাত করা শিশু অধিকারের মারাত্মক লঙ্ঘন। একজন নাগরিককে গ্রেপ্তার করার পর তার প্রতি বা তার পরিবারের প্রতি যেকোনো সহিংস আচরণ কেবল আইনশৃঙ্খলার দুর্বলতা নয়, বরং তা আইনের শাসনের প্রতি চরম অবজ্ঞার বহিঃপ্রকাশ। অপরাধীকে তার অপরাধের জন্য আইনি কাঠামোর মধ্যে শাস্তি দিতে হবে, কিন্তু জনতার আদালতে বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার উপস্থিতিতে এমন বর্বরতা কোনোভাবেই কাম্য নয়। মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, প্রকাশ্যে লাঞ্ছিত হওয়া বা সহিংসতা প্রত্যক্ষ করা শিশুদের মধ্যে পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডার এবং গভীর মানসিক উদ্বেগ সৃষ্টি করতে পারে। এই ট্রমা তাদের সামাজিক আচরণ, শিক্ষাজীবন এবং ভবিষ্যতের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। একজন অপরাধীর কন্যা হিসেবে সে সমাজে যে এক ধরনের কলঙ্ক নিয়ে বেড়ে উঠবে, তার ওপর এই নির্মম শারীরিক আঘাত, সেই ক্ষতকে আরও বাড়িয়ে দিল। ফলে সমাজের মূল স্রোত থেকে সে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে, যা তাকে ভবিষ্যতে অপরাধপ্রবণতার দিকে ঠেলে দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি করবে। ভিডিওটি দ্রুত ভাইরাল হওয়ায় সমাজে যেমন আলোচনা ও বিতর্ক শুরু হয়েছে, তেমনি এর ফলে শিশুর পরিচয় জনসমক্ষে এসেছে। যদিও ভিডিওটি সামাজিক অবক্ষয় তুলে ধরেছে, তবে একইসঙ্গে সেই শিশুর ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ক্ষুণœ হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করেছে। গণমাধ্যম এবং নেটপাড়ার দায়িত্ব ছিল, শিশুর পরিচয় গোপন রেখে ঘটনার মানবিক ও আইনি দিক বিশ্লেষণ করা। এ ক্ষেত্রেও অনেকে সেই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছে। এ ঘটনা প্রমাণ করে, ডিজিটাল যুগে তথ্যের দ্রুত প্রবাহ যেমন সচেতনতা বাড়াতে পারে, তেমনি সংবেদনশীল বিষয়ে অসচেতনতা বা অতি-উত্তেজনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।
যখন কোনো ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে হেনস্তা করা হয় এবং ভিড়ের মধ্যে কেউ সেই অসহায় শিশুর প্রতি আঘাত করে, তখন তা প্রমাণ করে যে, সমাজে পারস্পরিক বিশ্বাস, সহানুভূতি ও সংহতির অভাব প্রকট। এ অভাবই মানুষকে অন্যের বিপদে নীরব দর্শক বানিয়ে দেয় অথবা আইন হাতে তুলে নিতে উৎসাহিত করে। একটি সুস্থ ও স্থিতিশীল সমাজের জন্য এই সামাজিক পুঁজি অত্যন্ত জরুরি। এই ঘটনা দেখিয়ে দিল, আমাদের সমাজের এই মূল্যবোধের জায়গায় চরম ক্ষয় হয়েছে। কেবলমাত্র আইন প্রয়োগ করাই তাদের কাজ নয়, বরং জনবান্ধব পুলিশিং বা কমিউনিটি পুলিশিং-এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করাও তাদের অন্যতম দায়িত্ব। গ্রেপ্তারের সময় মানবিক এবং পেশাদার আচরণ, বিশেষ করে শিশু ও দুর্বল জনগোষ্ঠীর ক্ষেত্রে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ভাবমূর্তি উন্নত করতে পারে। তাদের প্রশিক্ষণে আইনি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি মনস্তাত্ত্বিক সংবেদনশীলতা এবং জনসমক্ষে আচরণের সঠিক দিকনির্দেশনা অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কর্র্তৃক তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া ইতিবাচক হলেও, প্রয়োজন এমন একটি কাঠামোগত সংস্কার, যা ভবিষ্যতে এমন অমানবিকতা রোধ করবে। অর্থনৈতিক বৈষম্য এবং দারিদ্র্য যে কীভাবে সমাজে অপরাধ ও অমানবিকতার জন্ম দেয়, রুস্তমের ঘটনা তার একটি প্রতীকী উদাহরণ। জেনেভা ক্যাম্পের মতো বস্তি এলাকাগুলো, সমাজের অর্থনৈতিক বৈষম্যের শিকার। এসব স্থানে পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ না থাকায়, মাদক ব্যবসার মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়ে। এই গভীর অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর না করা গেলে, কেবল আইন প্রয়োগ করে মাদক বা অন্যান্য অপরাধ নির্মূল করা সম্ভব নয়। দারিদ্র্যের অভিশাপ থেকে রুস্তমের মেয়েকে মুক্ত করতে না পারলে, এই শিশুটিও ভবিষ্যতে একই চক্রে পড়ার ঝুঁকিতে থাকবে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দেশের শিশু কল্যাণ এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা প্রয়োজন। রুস্তমের মতো ব্যক্তির গ্রেপ্তারের পর তার অপ্রাপ্তবয়স্ক কন্যার দায়িত্ব কে নেবে? তার শিক্ষার অধিকার, খাদ্যের নিশ্চয়তা এবং মানসিক পরিচর্যা নিশ্চিত করার জন্য রাষ্ট্রীয় কোনো সুস্পষ্ট ব্যবস্থা কি দ্রুত কার্যকর হয়েছে? সরকার বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি চালু রাখলেও, অপরাধে অভিযুক্ত বা সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তির সন্তানদের জন্য বিশেষ সুরক্ষা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা খুবই অপ্রতুল।
মেয়ের সামনে বাবাকে চড় মারার ঘটনাটি কেবল একটি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলাজনিত সমস্যা নয়, বরং এটি বাংলাদেশের সামগ্রিক সামাজিক, অর্থনৈতিক ও আইনি কাঠামোর গভীর সংকটের বেদনাদায়ক প্রকাশ। যতদিন পর্যন্ত সমাজের প্রান্তিক অংশকে বৈষম্যের হাত থেকে রক্ষা করা না যাবে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তাদের দায়িত্ব পালনে আরও দক্ষ, সংবেদনশীল ও জবাবদিহি করতে বাধ্য করা না হবে এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতির অবসান ঘটিয়ে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা না যাবে, ততদিন এমন রুচিহীন ও মানবতাহীন ঘটনা ঘটতেই থাকবে। ফলে সমাজের কাঠামোগত বৈষম্য আরও বাড়বে এবং সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে শিশুরা, যাদের ওপর এই সহিংসতার মানসিক ও শারীরিক প্রভাব সুদূরপ্রসারী। এখন প্রয়োজন কেবল ক্ষোভ প্রকাশ নয়, বরং সামাজিক অবক্ষয় রুখতে একটি কার্যকর ও সমন্বিত পদক্ষেপ। সমাজের প্রতিটি স্তরে মানবিক মূল্যবোধ পুনরুদ্ধার এবং আইনের শাসনের প্রতি সবার আস্থা ফিরিয়ে আনাই এ মুহূর্তে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
লেখক
সিইও, ইটিসি ইভেন্টস লিমিটেড
ধহঃড়ৎধ০০১১১@মসধরষ.পড়স
