হালান্ডের ওপর অতি নির্ভরশীলতায় বিপদ ডেকে আনছে সিটি

আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০২৫, ০৩:১০ পিএম

গত কয়েক মৌসুমে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ম্যানচেস্টার সিটির সাফল্যের বড় অংশ জুড়ে ছিলেন আর্লিং হালান্ড। কিন্তু এ মৌসুমে সেই হালান্ড-নির্ভরতা এখন যেন উল্টো বিপদে ফেলছে দলটিকে। বিশ্লেষকদের মতে, গোলমেশিন হালান্ডের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা বজায় থাকলে এবারের লিগ শিরোপা থেকে ছিটকে যেতে পারে সিটি।

রবিবার অ্যাস্টন ভিলার বিপক্ষে ১–০ গোলে হারের মধ্য দিয়ে থেমে গেছে হালান্ডের টানা ১২ ম্যাচে গোল উৎসব। এমিলিয়ানো মার্টিনেজের সামনে একাধিক সহজ সুযোগ হাতছাড়া করেন তিনি, এমনকি যোগ করা সময়েও একবার বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে সেটি বাতিল হয়। সর্বশেষ ৯ ম্যাচের মধ্যে অ্যাস্টন ভিলাই প্রথম দল হিসেবে সিটির বিপক্ষে ক্লিনশিট রাখতে সক্ষম হয়।

ম্যাচে হালান্ডের বিপক্ষে দুই সেন্টারব্যাক কনসা ও পাউ তোরেসের কড়া নজরদারিতে ছিলেন। এ কারণে মাত্র ৪টি শট নিতে পেরেছেন এই নরওয়েজিয়ান ফরোয়ার্ড। এভাবেই গোলের উৎস বন্ধ করে পুরো সিটিকে আটকে দিয়েছিল ভিলা। তবে ফর্মের তুঙ্গে থাকা এই গোলমেশিনকে আটকানো মোটেও সহজ ছিল না। অ্যাস্টন ভিলার কোচ উনাই এমেরি বলেছিলেন, ‘হালান্ডকে আটকাতে আমাদের সবটুকু দিতে হয়েছে।’

হালান্ড এবারও প্রিমিয়ার লিগে ১১ গোল করে শীর্ষে আছেন। কিন্তু দলের জয়ে সিটির বাকি খেলোয়াড়দের অবদান উদ্বেগজনকভাবে কম। সিটির অন্য চারজন খেলোয়াড়—ফিল ফোডেন, রায়ান চেরকি, তিজিয়ানি রেইজেন্ডার্স ও ম্যাথিউস নুনেস মাত্র একটি করে গোল করেছেন। দলের দুই মূল উইঙ্গার সাভিনহো ও জেরেমি ডোকু এখনো গোলের খাতা খুলতে পারেননি! দ্রুত বিকল্প গোলস্কোরার খুঁজে না পেলে মৌসুম শেষে সিটিকে শূন্য হাতেই থাকতে হবে।

গত মৌসুমে যেখানে হালান্ডের পাশে ফোডেন, আলভারেজ ও রদ্রির মতো খেলোয়াড়রা নিয়মিত গোল করতেন, সেখানে এবারে একক প্রচেষ্টায় হালান্ডের ওপর সব দায়িত্ব এসে পড়েছে। ঠিক যেভাবে টটেনহ্যাম একসময় হ্যারি কেইন নির্ভর হয়ে পড়েছিল। সিটি কোচ পেপ গার্দিওলা অবশ্য এখনই উদ্বিগ্ন নন। ম্যাচশেষে তিনি বলেন, ‘দল ভালো খেলেছে। এই ম্যাচটায় শুধু গোলের সময় আমরা যথাযথভাবে ফিনিশ করতে পারিনি। মৌসুমের এখনও অনেক বাকি।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত