১০ সিমের সীমা কার্যকর শুরু

আপডেট : ০২ নভেম্বর ২০২৫, ১২:৫৪ পিএম

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) জানিয়েছে, শনিবার (০১ নভেম্বর) থেকে কোনো ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) অনুযায়ী ১০টির বেশি সিম সক্রিয় রাখতে পারবে না। যা এখন থেকেই অতিরিক্ত সিম নিষ্ক্রিয় করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

সম্প্রতি বিটিআরসি এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ৩০ অক্টোবরের পর অতিরিক্ত সিমগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ করা হবে। এতে করে  যেসব ব্যবহারকারী নিজেরা অতিরিক্ত সিম বন্ধ করবেন না, তাদের এনআইডিতে নিবন্ধিত গুরুত্বপূর্ণ সিমকার্ডও বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

এর আগে একজন নাগরিক জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে সর্বোচ্চ ১৫টি সিম ব্যবহার করতে পারতেন। গত ৩০ জুলাই বিটিআরসি ঘোষণা দেয়, এই সংখ্যা কমিয়ে ১০টিতে আনা হবে এবং নভেম্বর থেকে অতিরিক্ত সিম বন্ধ করা শুরু হবে। 

এর পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার থেকে অতিরিক্ত সিম ডি-রেজিস্ট্রেশন করতে গ্রাহকদের সংশ্লিষ্ট অপারেটরের কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে যোগাযোগ করতে হবে।

বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এমদাদ উল বারী গণমাধ্যমকে বলেছেন, শনিবার (১ নভেম্বর) থেকেই অপারেটররা অতিরিক্ত সিম নিষ্ক্রিয় করছে। ডিসেম্বরের মধ্যে আমরা নিশ্চিত করব, কোনো এনআইডির নামে ১০টির বেশি সিম সক্রিয় থাকবে না।

বিটিআরসির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত দেশে সক্রিয় মোবাইল সিমের সংখ্যা ১৮ কোটি ৬২ লাখ। অথচ প্রকৃত গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৬ কোটি ৭৫ লাখ। এর মধ্যে ৮০ শতাংশের বেশি ব্যবহারকারীর নামে ৫টির কম সিম, ৬ থেকে ১০টি সিম রয়েছে প্রায় ১৬ শতাংশের, আর ১১টির বেশি সিম ব্যবহার করছেন মাত্র ৩ শতাংশ গ্রাহক।

তবে গ্রাহকরা চাইলে অনলাইনে বা *১৬০০২# ডায়াল করে নিজেদের এনআইডিতে নিবন্ধিত সিমের সংখ্যা যাচাই করতে পারবেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কিছু অসাধু খুচরা ব্যবসায়ী গ্রাহকের বায়োমেট্রিক তথ্য (আঙুলের ছাপ) সংরক্ষণ করে তা দিয়ে অতিরিক্ত সিম নিবন্ধন করে, যা ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীতা ও নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত