রাজশাহী-খুলনা ম্যাচটা শেষ হয়ে গিয়েছিল সোমবারেই। মঙ্গলবার জাতীয় ক্রিকেট লিগের ২৭তম আসরের দ্বিতীয় রাউন্ডের খেলায় ছিল ৩টি ম্যাচ, ৩টিই শেষ হয়েছে অমীমাংসিত অবস্থায়। সিলেটে ড্র হয়েছে ঢাকা-সিলেট ম্যাচ, কক্সবাজারের দুই মাঠে ড্র হয়েছে ময়মনসিংহ-রংপুর ও চট্টগ্রাম-বরিশাল ম্যাচ। সিলেটে সেঞ্চুরি করেছেন মুশফিকুর রহিম।
বৃষ্টি, ভেজা আউটফিল্ড-সহ নানান জটিলতায় তিনটা ম্যাচেই সময় নষ্ট হয়েছে অনেকটা, তাই ড্র অনেকটাই ছিল প্রত্যাশিত। সেঞ্চুরি থেকে ৭ রান দূরে থেকে সোমবারের খেলা শেষ করেছিলেন মুশফিক। তখনো সিলেটের বাকি ছিল ৩ উইকেট। নতুন দিনের শুরুতে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি ইবাদত হোসেন ও খালেদ আহমেদ। তখনো তিন অঙ্ক ছুঁতে মুশফিকের প্রয়োজন ৪ রান। এনামুলের বলে স্কুপ করে চার মেরে মুশফিক উদযাপনেই বুঝিয়ে দেন কতটা কাক্সিক্ষত ছিল এই ইনিংসটা। প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারে এটি মুশফিকের ১৯তম সেঞ্চুরি। এর মধ্যে ১২টি তিনি করেছেন টেস্ট ক্রিকেটে। ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে তার সবশেষ সেঞ্চুরি ছিল ২০২২ সালের এনসিএলে, রাজশাহীর জার্সিতে তিনি করেছিলেন ১১০ রান। সেঞ্চুরির পর ৩টি চার মারেন মুশফিক। শেষ পর্যন্ত তাইবুর পারভেজের বলে বোল্ড হয়ে থামেন ১১৫ রানে আর ২৯০ রানে অলআউট হয়ে যায় সিলেট। ঢাকা পায় ২০ রানের লিড। দ্বিতীয় ইনিংসে ঢাকা ২ উইকেটে ২২০ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে, জিশান আলম করেন ৮৪ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ ওভারে মাত্র ১৩ রান করে সিলেট, তারপর ড্র মেনে নেয় দুই দলই।
ময়মনসিংহের ৬ উইকেটে ৫৫৫ রানের জবাবে ফলো অনে পড়েও পয়েন্টে ভাগ বসিয়েছে রংপুর। প্রথম ইনিংসে ১২৭ রানে অলআউট হওয়া রংপুর দ্বিতীয় ইনিংসে ২ উইকেটে ১১২ রান তোলার পর শেষ হয় চতুর্থ দিনের খেলা। বৃষ্টি, আলোর স্বল্পতা, ভেজা মাঠসহ নানান কারণে এই ম্যাচে খেলা হয়েছে মাত্র ২২১ ওভার, এর ভেতর ময়মনসিংহই খেলেছে ১৪৩ ওভার। কক্সবাজারেরই আরেক মাঠে ড্র হয়েছে চট্টগ্রাম-বরিশাল ম্যাচ। ২ উইকেটে ১৬৬ রানে দিনের খেলা শুরু করা বরিশাল ২৫৯/৪ এ ইনিংস ঘোষণা করে। এরপর চট্টগ্রাম ৪ ওভারে ৩৫ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে দেয়। বরিশাল ৯ ওভারে বিনা উইকেটে ১৯ রানে দ্বিতীয় ইনিংসে সময়টা কাটিয়ে দেওয়ার পর ড্র মেনে নেয় দুই পক্ষ।
