তাইওয়ান প্রসঙ্গে জাপান-চীনের কূটনৈতিক উত্তেজনা

আপডেট : ১১ নভেম্বর ২০২৫, ১১:৩১ এএম

জাপানের নতুন প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি সতর্ক করেছেন, যদি তাইওয়ানের উপর কোনো হামলা জাপানের অস্তিত্বকে হুমকির মুখে ফেলে, তবে দেশ তার আত্মরক্ষা বাহিনী মোতায়েন করতে পারে। তার এই মন্তব্যে চিনের কঠোর প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বেইজিং তাইওয়ানকে চীনের প্রদেশ হিসেবে দেখছে এবং পুনর্মিলনের জন্য সামরিক শক্তি ব্যবহার করার সম্ভাবনাও অস্বীকার করেনি। 

তাকাইচি বলেছেন, জাপান তাইওয়ান প্রণালীতে সম্ভাব্য যেকোন পরিস্থিতি হিসাব করে পদক্ষেপ নেবে এবং প্রয়োজনে সম্মিলিত আত্মরক্ষার অধিকার ব্যবহার করতে পারে। জাপানের এ সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন সামরিক অভিযানকে সমর্থন দেওয়ার পথও খুলে দিতে পারে।

 চীনা কূটনীতিক জেনারেল শু জিয়ানের ওসাকায় সামাজিক মাধ্যমে হুমকিপূর্ণ মন্তব্য করার পর উত্তেজনা আরও তীব্র হয়। এই মন্তব্যকে টোকিও চরম অপ্রাসঙ্গিক হিসেবে সমালোচনা করার পরে তা সরিয়ে ফেলা হয়। 

জাপানে বর্তমানে সামরিক পদক্ষেপের ওপর সংবিধানগত সীমাবদ্ধতা নিয়ে চলমান বিতর্ক চলছে এবং তাকাইচি সম্প্রতি এপেক শীর্ষ সম্মেলনে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও একজন সিনিয়র তাইওয়ানি উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করেছেন, যা বেইজিংয়ের সমালোচনার মুখে পড়েছে।

তাইওয়ান এবং যুক্তরাষ্ট্র চীনের হুমকির প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করেছে, তবে জাপান জানিয়েছে যে তারা নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়গুলোতে সবসময় সাবধানতার সঙ্গে পদক্ষেপ নেবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত