ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে ও তার সাবেক ক্লাব প্যারিস সেন্ট জার্মেইন (পিএসজি)-এর মধ্যকার আইনি বিরোধ নতুন মোড় নিয়েছে। সোমবার ফ্রান্সের একটি শিল্প আদালতে উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে বিশাল অঙ্কের ক্ষতিপূরণের দাবি করেছে।
এর আগে এমবাপ্পে দাবি করেছিলেন, পিএসজি তার বকেয়া বেতন হিসেবে তাকে ৫৫ মিলিয়ন ইউরো পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়েছে। নতুন করে তিনি ২৬০ মিলিয়ন ইউরোরও বেশি (প্রায় ৩০১ মিলিয়ন ডলার) ক্ষতিপূরণ চেয়েছেন। তার আইনজীবীরা যুক্তি দিয়েছেন, এমবাপ্পের নির্দিষ্ট মেয়াদের চুক্তিটিকে স্থায়ী কর্মচুক্তি হিসেবে পুনর্বিন্যাস করা উচিত, যার ফলে অন্যায় বরখাস্ত, বকেয়া বেতন, বোনাস ও প্রাপ্য ক্ষতিপূরণ দেওয়া বাধ্যতামূলক। এছাড়া এমবাপ্পে নৈতিক হয়রানি, অস্পষ্ট কর্মঘণ্টা ও ক্লাবের অসদাচরণের অভিযোগে অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণ চেয়েছেন।
অন্যদিকে পিএসজি পাল্টা অভিযোগে এমবাপ্পের বিরুদ্ধে ৪৪০ মিলিয়ন ইউরো (৫১০ মিলিয়ন ডলার) ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছে। ক্লাবের অভিযোগ—এমবাপ্পে ২০২৩ সালে সৌদি আরবের আল হিলাল থেকে পাওয়া ৩০০ মিলিয়ন ইউরোর প্রস্তাব গোপন করেছেন এবং চুক্তি নবায়ন না করার সিদ্ধান্ত দীর্ঘদিন ঝুলিয়ে রাখায় ক্লাব ট্রান্সফারের সুযোগ হারিয়েছে। পিএসজির আরও দাবি, আলোচনা এবং চুক্তি প্রক্রিয়ায় এমবাপ্পে অসদাচরণ করেছেন এবং এর ফলে ক্লাবের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।
এমবাপ্পের পক্ষ থেকে পাল্টা বলা হয়েছে যে— বোনাস ফিরিয়ে দেওয়ার দাবির বিষয়ে পিএসজি কোনো লিখিত বা আইনগত প্রমাণ দেখাতে পারেনি। ২০২৩-২৪ মৌসুম শুরুর আগে চুক্তি না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত জানানোর পর এমবাপ্পেকে কিছুদিন প্রধান দলে না রেখে আলাদা করে অনুশীলন করানো হয়েছিল। এমবাপ্পে এটিকে ‘মর্যাল হ্যারাসমেন্ট’ হিসেবে দেখছেন। তবে পিএসজি এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে—তিনি মৌসুমে ৯৪ শতাংশ ম্যাচেই অংশ নিয়েছেন এবং সব সিদ্ধান্তই কোচের ছিল।
উল্লেখ্য, পিএসজির জার্সিতে ৭ বছরে রেকর্ড ২৫৬ গোল করা এমবাপ্পে ২০২৪ সালের গ্রীষ্মে ফ্রি ট্রান্সফারে রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেন। মাদ্রিদের ক্লাবটির হয়ে তিনি এখন গোলের পর গোল করে যাচ্ছেন।
বেলিংহ্যামের উগ্র আচরণে বিরক্ত কোচ, বিব্রত দল
নেদারল্যান্ডসকে বিশ্বকাপে তুললেন প্রিমিয়ার লিগের চার তারকা
জার্মানির ৬ গোলের দাপুটে জয়