গাইবান্ধাসহ দেশের উত্তরাঞ্চলে তীব্র ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। ভয়ে লোকজন আতঙ্কিত হয়ে উঠেন। এ সময় নিরাপদ আশ্রয়স্থলের খোঁজে ছুটাছুটি শুরু করেন মানুষজন। আজ শুক্রবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত কোথাও কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
রংপুর আবহাওয়া অফিস বলছে, এটি মাঝারি মাত্রার ভূকম্পন। সম্প্রতি এত বড় ভূকম্পন অনুভূত হয়নি গাইবান্ধা অঞ্চলে। শহর ও গ্রামাঞ্চলে হঠাৎ কাপঁতে থাকে। এ সময় আতঙ্কিত হয়ে ওঠে মানুষজন। ভবনসহ সবকিছুই দুলে ওঠে। ভয়ে অনেকেই বাসা বাড়ি থেকে নিচে রাস্তায় নেমে আসেন।
জেলা শহরের হকার্স মার্কেটের ফল ব্যবসায়ী ইমরান হোসেন (৩৩) জানান, বেচাকেনার সময় হঠাৎ সবকিছু দুলে উঠেছিল। ওপরে বক্স থেকে কিছু জিনিসপাতি পড়ছিল। আরেকটু থাকলে সবকিছু নিচে পড়ে যেত। এভাবে ভূকম্পন তিনি এর আগে দেখেননি। তিনি ভয়ে দোকান থেকে রাস্তায় নিমে আসেন।
দোকানের সামনের মুদির দোকানদার আতোয়ার রহমান জানান, দোকানে কাস্টামার ছিল। তাকে সদাই দিতেই দোকান দুলে উঠেছিল। খুব দ্রুত দোকান ত্যাগ করেন। সবাই রাস্তায় নিমে আসছিলেন।
দোকানের ক্রেতা আলিম মিয়া জানালেন, দুলুনির মধ্যে আতঙ্কে তার হাত থেকে বিস্কুটের প্যাকেট পড়ে গেছে। খুবই ভয় পেয়েছিলেন তিনি। দৌড় দিয়ে সড়কে আসছিলেন। এটি খুবই শক্তিশালী ছিল।
রংপুর আবহাওয়া কার্যালয়ের কর্মকর্তা মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকাল ১০টা ৩৮ মিনিট ২৬ সেকেন্ডে শুরু হয় এই ভূকম্পন। এটির স্থায়িত্ব ছিল বেশ কয়েক সেকেন্ড। রিখটার স্কেলে এটির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৭। এই মাত্রার ভূমিকম্পনকে মাঝারি মাত্রা বলা হয়।
