চ্যাম্পিয়নস লিগে আজ রাতে স্টামফোর্ড ব্রিজে চেলসি খেলবে বার্সেলোনার বিপক্ষে। ইউরোপের এই দুটি ক্লাব প্রথম কোন প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল ২৭ এপ্রিল, ১৯৬৬ তে। তাই এই দুই দলের বেশ কিছু ম্যাচ স্মরণীয় হয়ে আছে। তবে চেলসি-বার্সেলোনা খেলা হলে ২০১১-১২ মৌসুমের চ্যাম্পিয়নস লিগ সেমিফাইনালের কথাই মনে পড়ে বেশি। তখনও সেমিফাইনাল হতো দুই লেগে, ছিল অ্যাওয়ে গোলের সুবিধা।
প্রথম লেগে নিজেদের মাঠে চেলসি জিতেছিল ১-০ তে। ম্যাচের একমাত্র গোলটি করেছিলেন দিদিয়ের ড্রগবা। দ্বিতীয় লেগ হয় ক্যাম্প ন্যুতে। চেলসির রঙ নীল, তাদের নিক নেইমও ব্লুজ। অ্যাওয়ে ম্যাচ হওয়াতে সেদিন অবশ্য সাদা জার্সি পড়েছিলেন চেলসির খেলোয়াড়রা।
সেমিফাইনালে সেই দ্বিতীয় লেগে ম্যাচের ৩৫ মিনিটে সার্জিও বুসকেটস এবং ৪৩ মিনিটে আন্দ্রেস ইনিয়েস্তার গোলে ২-০ তে লিড নিয়েছিল বার্সেলোনা। তার উপর ৩৭ মিনিটের সময় জন টেরি দেখেছিলেন লাল কার্ড। ফলে বাকি সময় ১০ জন নিয়েই খেলতে হয় চেলসিকে।
তবে প্রথমার্ধের যোগকরা সময়ে রামিরেস গোল করলে ২-১ হয় স্কোর। আর দুই লেগ মিলে সেটি দাঁড়ায় ২-২ সমতায়।
যেহেতু অ্যাওয়ে গোলের নিয়মটি ছিল তাই চেলসি প্রতিপক্ষের মাঠে গোলের সুবিধাটা ধরে রাখতে পারলেই চলে যেতো ফাইনালে। আর বার্সেলোনার সামনে গোল করা ছাড়া ম্যাচে ফেরার উপায় ছিল না। ফলে কাতালান খেলোয়াড়রা একের পর এক আক্রমণ করতে থাকে।
ম্যাচের যোগকরা সময়ে এক পাল্টা আক্রমণ থেকে গোল করেন স্প্যানিশ বিশ্বকাপ জয়ী ফরোয়ার্ড ফার্নান্দো তোরেস। ম্যাচে ২-২ সমতা ফেরে আর দুই লেগ মিলে ৩-২ ব্যবধানে জিতে চেলসিরও ফাইনাল নিশ্চিত হয়।
মেসি, সেস্ক ফ্যাব্রিগাস, আলেক্সিস সানচেজরা সেদিন যেন চেলসির নীল সাগরে ভেসে যান। আর দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তা দেখা ছাড়া কোন উপায় ছিল বার্সেলোনা না কোচ পেপ গার্দিওলার।
শেষ পর্যন্ত ওই মৌসুমে চেলসি চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপাও জিতেছিল। ফাইনালে তারা টাইব্রেকারে হারিয়েছিল বায়ার্ন মিউনিখকে।
জাতীয় ক্রিকেট লিগে তানভীর আবার জেতালেন বরিশালকে
ফিফা-সৌদি চুক্তি, উন্নয়নশীল দেশগুলোকে দেয়া হবে ১০০ কোটি ডলার ঋণ
টি-টোয়েন্টিতে ৩০০০ রান ও ১০০ উইকেট নিয়ে নিজেকে চেনালেন বীরানদীপ