বাংলাদেশে গণতন্ত্র ব্যর্থতার দায়

আপডেট : ১১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০১:৫১ এএম

একজন রুশ লেখকের লেখায় পড়েছিলাম ‘আমরা যারা শিক্ষিত বা বুদ্ধিজীবী, তারাই হাতের কাজের কারিগর ও গরিব কৃষকদের মধ্যে শিক্ষার বিকিরণ ঘটায়নি। উপরন্তু তাদের তৈরি সম্পদ সস্তায় কিনে, শহরের টেম্পোরিয়ামের ছাপ বা লোগো এঁটে তার বিক্রয় মূল্য বাড়িয়েছি। এরপর শোকেসে রেখে বা বিদেশে পাচার করে যশ অর্জন করি।’ লেখক এদের বলেছেন, ‘চালিয়াতি বুদ্ধিজীবীতার নাগর সংস্করণ’! এ রকম সংস্করণ বর্তমান সভ্যতায় দেশ ও বিদেশে প্রায় প্রতিক্ষেত্রে দেখা যায়, রাজনীতিতেও তাই। একজন কবির কথা :  ‘আপনার বাড়িতে ফ্রিজ আছে,  বিদেশি রঙিন টিভি আছে এবং অনেক ভিডিও ক্যাসেট আছে। আপনার অনেক লকার আছে, ভল্ট আছে, এয়ারকন্ডিশন গাড়ি আছে। উলেন কার্পেট এবং জাজিম আছে। আপনার পাঁচটা বিলেতি কুকুর আছে এবং  বাথরুমে ইলেকট্রিক শাওয়ার আছে। আচ্ছা বেশ তো! আপনি কোথায় আছেন আপনার বাড়িতে’? এ রকম ভাষা আসলে আমাদের অবস্থান নাকি বিপন্ন বেদিশা অবস্থানকে, একেবারে ঠিক ব্যাধিকেন্দ্রে চিহ্নিত করেছে! সমস্যা হলো, বুদ্ধিজীবীরাও এই যাপনে আক্রান্ত হয়েছেন কি? এদের মধ্যে যুবসমাজের একাংশকে দেখলেও মনে হয়, এরা এক ধরনের new commercial youth culture  প্রতিষ্ঠায় আনন্দিত ও ব্যস্ত। এই প্রতিবাদ দৃশ্যগত বিন্যাস বা পোশাক বিপ্লবের বিরুদ্ধে না। এর অন্তরালে আছে এক ধরনের মননহীনতা। এই মননহীনতা মানুষকে কেবলই অনুকরণসর্বস্বতার দিকে টেনে নিয়ে যায়। ফলে চিন্তাচেতনা-আচরণে মৌলিকতা অদৃশ্য হতে থাকে। এই মৌলিকতার অভাব এবং সীমাবদ্ধতা আজকে আমাদের সমাজ ও রাষ্ট্রের চিন্তাশীল অনেক মানুষের মধ্যে দেখা যায় সমাজে আমরা যাদের বুদ্ধিজীবী বা ‘ইন্টেলেকচুয়াল’ বলে মনে করি। ‘ইন্টেলেকচুয়াল’-এর বাংলা ঠিক ‘বুদ্ধিজীবী’ কি-না! বলতে পারি না। কারণ,  ‘ইন্টেলেকচুয়াল’ বললে যে একটা ‘ইমেজ’ চোখ ও সজ্ঞান পর্দায় ছায়া ফেলে আমাদের অধিকাংশ কথিত এই শ্রেণির অনেককে দেখলে তা মনে হয় না। এদের একটা বিরাট অংশকে দেখলে মনে হয়, এরা ভীষণ রকম অনুকরণ প্রিয় একটা নড়বড়ে শ্রেণিগোষ্ঠী। এদের  পোশাক থেকে ভাষা পর্যন্ত, সবকিছুর মধ্যে অনুকরণপ্রিয়তাই বেশি যতটা না নিজস্বতা থাকে।

এক কথায়, আমাদের ‘নিজস্বতা’ বর্জন বা হারিয়ে যাওয়াও আমাদের গণতন্ত্র ব্যর্থতার এক কালচারাল নৃতাত্ত্বিক কারণ। যা আমাদের রাজনৈতিক ব্যর্থতার নানান বিভক্তির সঙ্গে এখন যুক্ত হয়েছে। রাজনৈতিক বিভক্তির পাশাপাশি এর ঐক্যের সঙ্গে শক্তিশালী ও প্রভাবশালী ভূমিকা পালন করে সমাজ ও রাষ্ট্রের আত্মসচেতন, আত্মোপলব্ধ, চিন্তাশীল শ্রেণি। এদের মধ্যে আছেন ছাত্র, শিক্ষক, কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, শিল্পী, লেখক নির্দিষ্ট বিশেষ পেশাজীবী ও যারা সমাজে অগ্রাধিকারভুক্ত শ্রেণিগোষ্ঠী, তারাও পড়েন। গণতন্ত্র নিয়ে সচেতনতা এবং এটা নিয়ে নানা শ্রেণিগত স্বার্থ উদ্ধারের কাজেও উল্লিখিত এরাই বেশি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন, পালন করার কথাও। এদের মধ্যে সাধারণ কৃষক, শ্রমিক, কারিগর বা দরিদ্র শ্রেণির কেউ সাধারণত থাকেন না। এদের কাজ কেবল ‘জয়বাংলা’ বা ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’-এর একটির পক্ষে বা বিপক্ষে মিছিলে থাকা। স্লোগান নিয়ে মাতামাতি, টানাটানি, ঝগড়া ঝাটি আদর্শ নিয়ে কী! তারা উল্লিখিত বিশেষ শ্রেণিগোষ্ঠীর একটা বড় অংশ কিন্তু বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত। সেই ভাগে সবকিছুই আছে। শুধু ‘দেশ’ নেই। দেশ সেখানে অনুপস্থিত। দেশ আছে  স্লোগানে। কিন্তু সংস্কৃতি, সার্বভৌমত্বের স্বকীয়তা এসব নিয়ে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর প্রচেষ্টা সীমিত। কমিটমেন্ট তো নাই-ই।  এটাও সত্যি যে, বর্তমান বিশে^ কোনো রাষ্ট্র, একাই তার সব উন্নতিমূলক কাজ এগিয়ে নিতে পারে না। অন্য দেশের সাহায্য-সহযোগিতা দরকার। কিন্তু সেই সাহায্য ও সহযোগিতা কি নিজস্বতাকে বিক্রি করে? আমাদের বুদ্ধিজীবীরা এ প্রশ্নের উত্তর খুব কম দেন। ইদানীং তারা বিষয়টাকে ‘গ্লোবাল রাজনীতি’ বা ‘ভূ- রাজনীতি’ (ভুল রাজনীতি) ধরনের ‘আবরণ’ বা ‘সুগার কোডিং’ দিয়ে বোঝাতে চান। কী বোঝাতে চান? বোঝাতে চান, বিকৃত ও বিক্রি করা আধুনিকতা। এটাই রাজনীতি, এটাই আধুনিক গণতন্ত্র। বিশ্বে এখন প্রতিদিনই অনেক কিছুর নতুন, নতুন সংজ্ঞা ও কনসেপ্ট তৈরি হয় ও হচ্ছে। নিজেকে বিকিয়ে দেওয়া, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের স্বকীয়তায় আপস বা বন্ধুত্ব করা, ভূরাজনীতির আরেক দুর্বল সংজ্ঞা ও ধারণাও বলা যায়।

১৯৬৯-১৯৭১ মার্চ : মনে আছে, ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে পাকিস্তানের শাসকশ্রেণি গুলি করে ছাত্র-শিক্ষক ও সাধারণ অনেক মানুষ হত্যা করেছে। তখনো বুদ্ধিজীবী সমাজের অনেকে নীরব ছিলেন। তাদের একাংশ তৎকালীন রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের সমর্থনে থাকলেও, দেশের মজলুম জনসাধারণের পক্ষে ছিলেন না। অর্থাৎ তাদের সমর্থন ছিল রাজনৈতিক দলের ‘শ্রেণিগত স্বার্থ’ ও ‘ক্ষমতার’ প্রতি। সাধারণ মানুষের শোষণ মুক্তির পক্ষে ততটা না। আজকে আমাদের মধ্যে অনেকেই যারা ‘ইনক্লুসিভ’ কথাটা ব্যবহার করি রাজনীতি বা অন্য কোনো ক্ষেত্রে। ওই ‘ইনক্লুসিভ’ বিষয়টা ‘এক্সক্লুসিভ’ হয়ে যায় তখন থেকেই। সময়ের ইতিহাস তা-ই বলে। একসময় জনতার সংগ্রাম দলীয় সংগ্রামে রূপান্তরিত হয়। যার আরেক যাত্রার শুরু ’৭২ থেকে।  উল্লেখ্য, ’৭২-উত্তর বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত আমরা কোনো ‘ইনক্লুসিভ’ রাজনীতি বা আর্থ-সামাজিক শোষণমুক্ত সম্পর্ক তৈরি করতে পারিনি। ফলে শুধু নির্বাচনের সময় এ ধরনের শব্দ নিয়ে বাড়াবাড়ি আর যেখানেই যাক না কেন, জনগণের পক্ষে যায় না। আমাদের বুদ্ধিজীবীরা সেটা চান না। বিষয়টা আমাদের প্রতিদিনের বিশেষ করে ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কাগুজে হাতি, বাঘ, সিংহ মাপের অনেকের কথাবার্তা ও আলোচনায় বোঝা যায়। এরা প্রত্যেকেই সরবে না হলেও নীরবে মনে করেন তারাও ‘বুদ্ধিজীবী’! হ্যাঁ, তারা এক প্রকার বুদ্ধিজীবী তো বটেই। কারণ তাদের বুদ্ধি-বিবেচনা সাধারণ মানুষের বৃহত্তর ঐক্যের পক্ষে ফাটল ধরায়। এদের ইংরেজিতে বলে ‘অপরচুনিস্ট’। ’৬৯-এর আন্দোলনের অন্যতম নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের (অনেকটা তাই ছিলেন) মূল চাওয়া রাজনীতিই ছিল। কিন্তু ’৭২-এ পাকিস্তানের কারাগার থেকে দেশে ফিরে তার মৃত্যু (’৭৫) পর্যন্ত তিনি সেই গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে পারেননি। চেয়েছিলেন হয়তো বা। কিন্তু সেই চাওয়াটা ছিল শর্তসাপেক্ষে যা হতে হবে তার একক নেতৃত্বে এবং তার একদলীয় শাসনে শুরু হয় বাংলাদেশের রাজনীতিতে তৎকালীন বুদ্ধিভিত্তিক সমাজের (একাংশের) ‘বাঙালি জাতীয়তাবাদ’ রাজনীতির অপব্যবহার দিয়ে। এখান থেকেই শুরু আমাদের বুদ্ধিজীবীদের বিভক্তির তিক্ততা ও তীব্রতা উভয়ই। জাতীয়তাবাদ কী এবং কেন? সেটা আমরা অনেকেই মোটামুটি জানি। জানি যতটা তার চেয়ে অধিক বুঝি। জাতীয়তাবাদ আমাদের জন্য অভিজ্ঞতার ব্যাপার, পাশাপাশি দুর্ভাগ্যের। আমাদের বুদ্ধিজীবীরা হঠাৎ করে ভুলে যান, এর আগেও পাকিস্তানি জাতীয়তাবাদে আমরা কতটা বৈষম্যের স্বীকার ছিলাম।  পুনরায় একটা স্বাধীন দেশে একই রকম জাতীয়তাবাদ! এবার ধর্ম ছেড়ে ভাষা! সাধারণ মানুষের উপকারে আসেনি।

ব্যাপারটা আমাদের বুদ্ধিজীবীদের একাংশ হয় ইচ্ছা করে  বোঝেননি বা বুঝতে চাননি। ফলে এই জাতীয়তাবাদ বিষয়টা জাতীয় ঐক্যের পক্ষে যত কাজ করেছে তার চেয়ে অনেক বেশি করেছে জাতীয় বৃহৎ ঐক্যের বিরুদ্ধে। শিক্ষাবিদ প্রফেসর সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর মতে, ‘জাতীয়তাবাদে রাজনীতি থাকে, প্রশ্ন থাকে রাষ্ট্র ভাঙ্গা এবং গড়ার। ভাষা রাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে যায় এবং ভাষার ভেতর নিহিত থাকে যে সম্ভাবনা, তা একাধারে ব্যাপক ও গভীর।’ আমাদের অভিজ্ঞতা বলে, ভাষারও একটা সুনির্দিষ্ট নৃতত্ত্ব ও নীতি-নৈতিকতার সুনির্দিষ্ট কৃষ্টি, জ্ঞান এবং সার্বভৌমত্ব আছে। ব্রিটিশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক বা অধিবাসীরা একি ভাষাতেই কথা বলে? উভয়ের অধিকাংশের ধর্ম খ্রিস্টান। তবু এই দুটি দেশের ভাষাগত সংস্কৃতির ঐক্যের বাইরেও উভয়ের একটা নিজস্বতার উপস্থাপনা আছে। সেটাও কেউই অস্বীকার করে না। রাষ্ট্র, ভাষা, সংস্কৃতি এবং এর সার্বভৌমত্বকে অগ্রাধিকার দেওয়ার চিন্তা আমাদের দেশের বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে কম। তাদের চিন্তায় হিন্দুস্তানকে তুর্কিস্তান বা তুর্কিস্তানকে

হিন্দুস্তান বানানোর কল্পনাবিলাস চলে। তারা শুধু ভাষার সংস্কৃতি দিয়ে রাজনৈতিক জাতীয়তাবোধকে এক সুতোয় বাঁধতে গিয়ে বৃহত্তর সামাজিক ঐক্যকে ক্ষমতার রাজনীতিতে পরিণত করেন। গণতন্ত্রের বিপক্ষে গিয়ে সাংস্কৃতিক আধিপত্যবাদ এবং স্বৈরতন্ত্রকে একটা পথ তৈরি করে ‘ডিভাইড অ্যান্ড রুল’পন্থায় সমাজ ও রাষ্ট্রকে চালানোর রাজনীতিতে ঝুলে পড়েন। বিশ শতকের বাংলাদেশ, এর সমাজ এবং সমাজ চিন্তার ক্রমবিকাশের ইতিহাস জানলে বুঝতে পারি, এ সময় বা এই শতকে সংঘটিত হয়েছে যে কয়টি সামাজিক ও রাজনৈতিক সংঘর্ষ, তার সব কয়টির প্রভাব সর্বত্র সমান হয়নি।

’৭২-উত্তর বাংলাদেশেও যেসব সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংঘর্ষ হয়েছে; সেটাও সবক্ষেত্রে একই প্রভাব রাখেনি। যদিও আমরা একটা ছোট্ট দেশ, নতুন স্বাধীন দেশ। আমাদের মধ্যে এই অনৈক্য সৃষ্টি হওয়ার কথা ছিল না। আমাদের স্বাধীনতার ইমেজ এবং স্পিরিট তা ছিল না। একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা ও সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য ছিল আমাদের মুক্তিযুদ্ধ ও সংগ্রাম। কিন্তু সেটা অর্জন করতে পারিনি। এর আরেকটা কারণ, সমাজে আমাদের সাংস্কৃতিক অনৈক্য যা বুদ্ধিজীবীদের দ্বারা সৃষ্টি। আমরা তাদের কথা শুনতে গিয়ে বা তাদের চিন্তা বা পথনির্দেশ অনুসরণ করতে গিয়েও একাধিকবার নেতিবাচক পথ ধরে হেঁটেছি ৫৩ বছর। এখনো (২০২৫) একইভাবে হাঁটছি। ফলে গণতন্ত্র আমাদের চিন্তায় নাড়া দিলেও বাস্তবতায় দিচ্ছে না। আমাদের আকাক্সিক্ষত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও এর বিকাশে প্রধানত কয়েকটা কারণকে এভাবেও সংক্ষেপে লেখা যায়। ১. বুদ্ধিবৃত্তির অনুশীলনে জনগণের আকাক্সিক্ষত প্রত্যাশার শূন্যতা, ২. শিক্ষার সংকট ও এ বিষয়ে অনৈক্য, ৩. উৎপাদন সম্পর্কে সীমাহীন  বৈষম্য, ৪. অনুৎপাদক শিক্ষানীতি, ৫. দেশের চাইতে দলীয় রাজনীতিকে অগ্রাধিকার। দলীয় অনেক নেতানেত্রীর নিরাপদ জোন, ৬. জ্ঞান চর্চায় জ্ঞান ও প্রজ্ঞার শূন্যতা ও অন্ধত্ব। অপসংস্কৃতির আগ্রাসনে উদাসীনতা, ৭. স্বাধীনতা ও কর্তব্য, ভুল ব্যাখ্যা, ৮. ক্ষমতা বনাম দায়িত্ব, চিন্তার জটিলতা, ৯. সব শ্রেণির চালিয়াত ও জালিয়াত ধরনের মানুষ, সমাজ ও রাষ্ট্রে বেশি অচিহ্নিত। গণতন্ত্রে এসব বড় দায় সমাজের এবং ১০.  আত্মসমালোচনার সংকীর্ণতা। এগুলোতে মূলত বিভ্রান্তি ও স্বার্থ ছড়ান সমাজের প্রভাবশালী শ্রেণি ও দল। এদের এক দলে আছি আমরা যারা বুঝতে চাই না যে, তত্ত্বগত মতাদর্শ নয়, প্রয়োগ ও সৃজনের মধ্যেও এসে গেছে উত্তর আধুনিক ভাব ও ভাবনা। এসেছে উপনিবেশ-উত্তর স্বাধীন চিন্তার বিকাশ। আত্ম সম্মানবোধের চর্চা ও বিকাশ। সব কিছুই গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির অঙ্গ। একে লালন-পালন ছাড়া গণতন্ত্র বিকশিত হতে পারে না, এমনকি চর্চাও না। এক কথায়, আমাদের গণতন্ত্র ব্যর্থতার দায়ভার মূলত আমাদেরই। কারণ নিহিত রয়েছে আধা শিক্ষার ভয়ংকর প্রভাব, চর্চা ও তার প্রয়োগে।

লেখক: রাজনীতি ও সমাজবিশ্লেষক

[email protected]  

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত