দারিদ্র্য ও বৈষম্য হ্রাসের উপায়

আপডেট : ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৩:০৩ এএম

দারিদ্র্য হ্রাস এবং সাম্প্রতিক সময়ে বৈষম্য কমানো, নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর জন্য একটি বড় উদ্বেগের বিষয়। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG) অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে অর্থনৈতিক বৈষম্য দূরীকরণ, না হলে পারতপক্ষে নিরসনে উল্লেখযোগ্য উন্নতি সাধন করতে হবে। এ লক্ষ্য অর্জনে সম্পদের পুনর্বণ্টন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যেটি মূলত করব্যবস্থা ও কল্যাণমূলক নীতির মাধ্যমে পরিচালিত হয়। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কর ও ব্যয়ের প্রভাবকে সংকীর্ণ দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা হয়েছে।

দারিদ্র্য : মাত্রা ও দূরীকরণের উপায়

দারিদ্র্য মানুষের শত্রু, এটি মানুষকে অপমানিত ও অমানবিক করে তোলে। বিভিন্ন সরকারের জন্য ‘দারিদ্র্য’ একটি গুরুতর চ্যালেঞ্জ। এর প্রভাব হলো, জীবনের মৌলিক চাহিদার অভাব। পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়, যখন জ্বালানি ভর্তুকি প্রত্যাহার করা হয়। বিভিন্ন দেশে দারিদ্র্য দূরীকরণের প্রচেষ্টা মূলত শিক্ষাকে কেন্দ্র করে আবর্তিত যা অর্থনৈতিক, প্রযুক্তিগত ও বুদ্ধিবৃত্তিক উন্নয়নের চাবিকাঠি হিসেবে দেখা হয়েছে। দারিদ্র্যের কারণ হিসেবে দেখা যায়, দুর্নীতি, দুর্বল শাসন, ঋণের বোঝা, বেকারত্ব, কম উৎপাদনশীলতা, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, বিশ্বায়ন, অকার্যকর সরকারি নীতি এবং দক্ষতা প্রশিক্ষণের অভাব। 

করব্যবস্থা দারিদ্র্য দূরীকরণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : ব্যক্তিগত ও সরকারি খাতের উন্নয়ন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং দারিদ্র্য হ্রাসের ভূমিকা অপরিসীম। দারিদ্র্য এমন একটি বিষয়, যা প্রতিটি রাষ্ট্রের সরকারের বিশেষ মনোযোগ দাবি করে। এ জন্য সরকারের নীতি দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে টেকসই জীবিকা অর্জনে সহায়তা করার দিকে মনোযোগী। এই দৃষ্টিভঙ্গি হলো সমাজ, পরিবার ও ব্যক্তিকে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষমতায়িত করা, একটি সুসংগঠিত ও সমন্বিত দারিদ্র্য দূরীকরণ কর্মসূচির মাধ্যমে।  ড্যানিয়েল (২০০৫) বলেছেন, একটি উপযুক্ত দারিদ্র্য কৌশল হওয়া উচিত ১. সবাইকে টেকসই জীবিকা অর্জনের সুযোগ দেওয়া। ২. পর্যাপ্ত অর্থায়ন ও মানব উন্নয়ন নীতি গ্রহণ করা। যার মধ্যে আয় বৃদ্ধি, স্থানীয় সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি, স্থানীয় প্রতিষ্ঠান শক্তিশালীকরণ, এনজিও ও স্থানীয় সরকারকে সম্পৃক্ত করা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ৩. দারিদ্র্যপীড়িত এলাকাগুলোকে পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন, সম্পদ সংগ্রহ, কর্মসংস্থান ও আয় বৃদ্ধির মাধ্যমে উন্নত করা। ৪. জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা ও বাজেটে মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে দারিদ্র্য দূরীকরণে গুরুত্ব দেওয়া, বিশেষত গ্রামীণ এলাকা, শহরের দরিদ্র, নারী ও শিশুদের জন্য বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করা এবং ৫. উপযুক্ত অবকাঠামো ও সহায়ক ব্যবস্থা গড়ে তোলা। যাতে প্রকল্প, কর্মসূচি ও উদ্যোগগুলো গ্রাসরুট পর্যায়ে টেকসইভাবে বাস্তবায়িত হয়।

কর ও স্থানান্তরের প্রভাব : দারিদ্র্য ও বৈষম্য

একটি জনপ্রিয় উক্তি হচ্ছে, ‘সরকার হলো অর্থ আর অর্থই হলো সরকার’। রাজস্ব নীতি বৈষম্য কমাতে ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে এখন পর্যন্ত মানুষ সচেতন নয় যে, এটি দারিদ্র্যও কমাতে সক্ষম। সাম্প্রতিক প্রমাণভিত্তিক গবেষণায় দেখা গেছে, কিছু নির্বাচিত নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশে (আর্মেনিয়া, ইথিওপিয়া, জর্জিয়া, ইন্দোনেশিয়া, জর্দান, রাশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা ও শ্রীলঙ্কা) সরকারের রাজস্ব ও ব্যয় ব্যবস্থা প্রায় সবসময় বৈষম্য কমালেও, অনেক সময় দারিদ্র্য বাড়িয়েছে। ফলাফল দেখায় যে, নগদ অংশের মাধ্যমে বৈষম্য হ্রাসের প্রভাব বিভিন্ন রকম হয়েছে,  প্রত্যক্ষ কর সবসময় সমতা এনেছে এবং পরোক্ষ কর ও ভর্তুকিও কিছুটা সমতা এনেছে। নীতিনির্ধারকরা যদি সত্যিই দারিদ্র্য দূর এবং দরিদ্র জনগণের জীবনমান উন্নত করতে চান, তবে কর ও স্থানান্তর ব্যবস্থাকে পুনর্গঠন করতে হবে। যাতে দরিদ্ররা, বিশেষত অতিদরিদ্ররা বেশি মাত্রায় করভার বহন না করে এবং যথাযথ সুবিধা পায়। সরকারকে কর ও স্থানান্তর ব্যবস্থা এমনভাবে নকশা করতে হবে, যাতে দরিদ্রদের আয় বা ভোগ কর-পরবর্তী সময়ে আগের চেয়ে কম না হয়। সংক্ষেপে, রাজস্ব নীতি দরিদ্রদের কল্যাণ করবে, তাদের দারিদ্র্যে ঠেলে দেবে না বা বঞ্চনা বাড়াবে না। একটি কঠিন বাস্তবতা হলো, জনসেবা (যেমন শিক্ষা ও স্বাস্থ্য) নিশ্চিত করতে, দরিদ্র দেশগুলোকে আরও বেশি কর সংগ্রহ করতে হবে এবং তা প্রগতিশীল ও ন্যায়সঙ্গত উপায়ে করতে হবে। উন্নয়নশীল দেশগুলোর করনীতি অনেক সময় ওগঋ ও জাতীয় অভিজাতদের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে, যা নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। এর ফলে ভ্যাটের মতো পশ্চাদগামী করের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে এবং কোম্পানিগুলোকে অতিরিক্ত কর ছাড় দেওয়া হয়েছে। তাই কর ব্যবস্থাপনা দারিদ্র্য দূরীকরণের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। কর ব্যবস্থাপনা উন্নত করতে হবে, যাতে কর আদায়ের পরিমাণ বাড়ে। কর ব্যবস্থাপনা অবশ্যই নীতিমালার নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ করবে, পক্ষপাতিত্ব বা ক্ষমতাবানদের সুবিধা দেওয়া যাবে না। সরকারকে বিদ্যমান আইনগুলো পর্যালোচনা করতে হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সংশোধন করতে হবে, বিশেষত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বর্তমান প্রবণতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে।

করব্যবস্থা : দারিদ্র্য হ্রাসের প্রধান হাতিয়ার

‘করব্যবস্থা’ সম্পদ পুনর্বণ্টনের একটি শক্তিশালী মাধ্যম। ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে ব্যবধান কমানো শুধু নৈতিক ও নীতিগত দায়িত্ব নয়, বরং বাজারভিত্তিক অর্থনীতিতে ভারসাম্য ফিরিয়ে আনার জন্যও অপরিহার্য। বাজার সঠিকভাবে উৎপাদনের সংকেত দিতে পারে না, যদি নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে পর্যাপ্ত সম্পদ না থাকে। যা তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্য প্রয়োজনীয় পণ্য ও সেবার কার্যকর চাহিদা তৈরি করে। যখন সম্পদ অল্প কয়েকজনের হাতে অতিরিক্তভাবে কেন্দ্রীভূত হয়, তখন ভোক্তা চাহিদা দুর্বল হয়ে পড়ে। ফলে কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। লিন্ডা ম্যাককোয়েগ এবং নীল ব্রুকস তাদের The Trouble with Billionaires  গ্রন্থে স্পষ্ট করেছেন যে, সম্পদ কেন্দ্রীভূত হওয়া গণতন্ত্রকেও দুর্বল করে, কারণ ধনী শ্রেণি নিজেদের স্বার্থে সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করতে পারে, যা সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের ক্ষতির কারণ হয়। করব্যবস্থা ইতিমধ্যেই ধনীদের কাছ থেকে অন্যায্য অংশ নিয়ে দরিদ্রদের দিকে তা প্রবাহিত করতে সাহায্য করে। করনীতি বৈষম্য ও দারিদ্র্য হ্রাসে বিশাল প্রভাব ফেলতে পারে, ইতিবাচক বা নেতিবাচক নির্ভর করে একটি দেশ কী ধরনের করনীতি গ্রহণ করে তার ওপর। করব্যবস্থা নাগরিক ও সরকারের মধ্যে সামাজিক চুক্তির কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে। প্রগতিশীল কর ব্যবস্থা শক্তিশালী, গণতান্ত্রিক ও কার্যকর রাষ্ট্র গঠনে অপরিহার্য এবং নিশ্চিত করে যে, ধনীতম শ্রেণি সবচেয়ে বড় বোঝা বহন করবে। ধনী দেশগুলো তাদের মোট দেশজ উৎপাদনের (GDP) তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি রাজস্ব (করসহ) সংগ্রহ করে, যা উন্নয়নশীল দেশগুলোর তুলনায় অনেক বেশি। সাব-সাহারান আফ্রিকায় গড় কর আদায় GDP-এর ১৮ শতাংশ, যেখানে পশ্চিম ইউরোপে তা ৩৮ শতাংশ। উন্নয়নশীল দেশগুলোর কর ও নিয়ন্ত্রণ নীতি অনেক সময় আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শর্তে আরোপিত বা সুপারিশকৃত হয়। এর ফলে এসব দেশ নিজেদের নীতিনির্ধারণে স্বাধীনতা হারায় এবং মূলধন পাচার ও কর ফাঁকি নিয়ন্ত্রণে দুর্বল হয়ে পড়ে।

ঐতিহাসিকভাবে IMF সবসময় অর্থনৈতিক দক্ষতা ও স্বল্পমেয়াদি রাজস্ব সংগ্রহকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। তারা এমন করকে উৎসাহিত করেছে, যা সহজে আদায়যোগ্য, রাজনৈতিকভাবে কম ব্যয়বহুল এবং কোম্পানি ও ধনী শ্রেণির স্বার্থে কম প্রভাব ফেলে। কিন্তু এসব কর নীতি উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য সবসময় উপযুক্ত নয়। সাম্প্রতিক IMF-এর গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, তারা এখন প্রগতিশীল করনীতির দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছে। গত তিন দশকে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে কর সংস্কারের একটি বড় বৈশিষ্ট্য হলো পরোক্ষ কর, বিশেষ করে ভ্যাট (মূল্য সংযোজন কর)-এর ওপর জোর দেওয়া। ভোগ কর (মূলত ভ্যাট) উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রধান রাজস্ব উৎসে পরিণত হয়েছে। ভ্যাটকে অর্থনৈতিক দক্ষতার কারণে পছন্দ করা হয়েছে। ধারণা ছিল, ভ্যাট করভিত্তি প্রসারিত করবে এবং উৎপাদন প্রক্রিয়ায় বিকৃতি আনবে না। কিন্তু বাস্তবে ভ্যাট অনেক সময় প্রতিকূল প্রভাব ফেলে, কারণ দরিদ্ররা তাদের আয়ের বড় অংশ ভোগে ব্যয় করে, যেখানে ধনীরা সঞ্চয় করে। ফলে ভ্যাট দরিদ্রদের ওপর বেশি চাপ সৃষ্টি করে। ওগঋ ভ্যাট ও অন্যান্য ভোগ করকে উৎসাহিত করেছে। কারণ তারা বিশ্বাস করেছিল সম্পদ পুনর্বণ্টন মূলত সরকারি ব্যয়ের মাধ্যমে হবে। যা কর রাজস্ব দিয়ে পরিচালিত হবে। কিন্তু উন্নত দেশগুলোতে কর সংগ্রহ সরাসরি বৈষম্য কমাতে ভূমিকা রাখে, যেখানে ধনীতম শ্রেণি দরিদ্রদের তুলনায় বেশি কর দেয়। অনেক দেশে দরিদ্রদের ব্যবহৃত কিছু মৌলিক পণ্য যেমন সাবান বা খাদ্যকে ভ্যাট থেকে অব্যাহতি দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। কৃষিপণ্যেও অনেক সময় ছাড় দেওয়া হয়েছে, কারণ গ্রামীণ খাত অনেক গুরুত্বপূর্ণ। তবুও ভোগ কর বাস্তবায়নের ফলে বৈষম্য ও সম্পদ পুনর্বণ্টনের ওপর সামগ্রিক প্রভাব সবসময় যথাযথভাবে বিশ্লেষণ করা হয়নি এবং দরিদ্রদের ওপর নেতিবাচক প্রভাবও অনেক ক্ষেত্রে পূর্বানুমান করা যায়নি।

অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতিকে করব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত করা

চ্যালেঞ্জ হলো নির্ধারণ করা যে, বৈধ উদ্দেশ্য যেমন উন্নয়নশীল দেশগুলোতে কর রাজস্ব বৃদ্ধি, কোনো কোনো ক্ষেত্রে এমন নীতি তৈরি করতে পারে, যা দারিদ্র্যকে আরও বাড়ায় এবং জনগণের কিছু অংশকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলে। কারণ অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরতরা অনেক সময় সবচেয়ে দরিদ্র, যেমন ছোট ব্যবসা চালানো নারী যারা সবজি বা অন্যান্য পণ্য বিক্রি করেন। তাই অনানুষ্ঠানিক খাতের বিভিন্ন ধরনের কর্মীদের আলাদা করে চিহ্নিত করা জরুরি, যাতে দারিদ্র্য ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে সংগ্রামে ন্যায়সংগত রাজনৈতিক সমাধান পাওয়া যায়। ধীরে ধীরে অর্থনীতিকে আনুষ্ঠানিক খাতে আনা দীর্ঘমেয়াদে ইতিবাচক। তবে দুর্বল জনগোষ্ঠীর ওপর কর আরোপ বা নিয়ম প্রয়োগ অনেক সময় স্বেচ্ছাচারী হয়ে যায় এবং দ্বন্দ্বপূর্ণ স্বার্থকে ন্যায়সংগতভাবে সমাধান করতে ব্যর্থ হয়। দেশীয় প্রতিষ্ঠানগত দুর্বলতা মূলত কর প্রশাসনের সক্ষমতার অভাব থেকে সৃষ্টি হয়। এই দুর্বলতা সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতে দুর্নীতি ও অপব্যবহারকে উৎসাহিত করে।

কর ও সামাজিক সুরক্ষার সংযোগ

দারিদ্র্য হ্রাস স্বাস্থ্য ব্যয়, অপরাধ দমন ব্যয় কমাবে এবং কর রাজস্ব বাড়াবে। শ্রমশক্তিতে অংশগ্রহণের হার বৃদ্ধি থেকে কর রাজস্বও বাড়বে, যা দারিদ্র্য হ্রাসে ব্যয়ের ভারসাম্য রক্ষা করবে। এ ছাড়া স্বাস্থ্য ও অপরাধ দমন খাতে সরকারি ব্যয়েও সাশ্রয় হবে। যদিও দারিদ্র্য হ্রাসে প্রাথমিক বিনিয়োগ প্রয়োজন, তবে এর ফলাফল হবে বহুমুখী একটি সুস্থ সমাজ, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং কর রাজস্ব বৃদ্ধি। তবে সব বিদ্যমান সামাজিক সহায়তা কর্মসূচি বাদ দিয়ে মৌলিক আয় (Basic Income) চালু করার মধ্যে ঝুঁকি রয়েছে, কারণ এতে কিছু দরিদ্র মানুষ আরও খারাপ অবস্থায় পড়তে পারে।

লেখক: সাবেক সচিব ও এনবিআর চেয়ারম্যান চেয়ারম্যান, সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন

[email protected] 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত