প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন বিশেষ দূত, লুইজিয়ানার গভর্নর জেফ ল্যান্ড্রি মঙ্গলবার জোর দিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডকে 'দখল' করতে নয় বরং গ্রিনল্যান্ডের নাগরিকদের সঙ্গে সংলাপের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নির্ধারণ করতে চায়। ফক্স নিউজে তিনি বলেন, প্রশাসন ডেনমার্কের নিয়ন্ত্রনাধীন গ্রিনল্যান্ডের নাগরিকদের স্থানীয় চাহিদা, সুযোগ ও সুরক্ষার বিষয়গুলো বোঝার চেষ্টা করছে, এবং এরই সাথে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থও অগ্রাধিকার পাবে।
ল্যান্ড্রির এই মন্তব্যের প্রেক্ষাপটে ডেনমার্কের নেতারা তীব্র সমালোচনা করেছেন। তারা পুনরায় স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন যে, গ্রিনল্যান্ডের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় সীমানা আন্তর্জাতিক আইনে সুরক্ষিত, এবং কোনো দেশকে সুরক্ষার অজুহাতে ঔপনিবেশিক পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা যায়না। ডেনমার্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লার্স লোক্কে রাসমুসেন মার্কিন অবস্থানকে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য হিসেবে অভিহিত করেছেন।
ট্রাম্প পূর্বেও গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন, যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে যে যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডের নাগরিকদের প্রভাবিত করে তাদের স্বায়ত্তশাসন হরণ করতে চাইতে পারে। সমালোচকরা এটিকে নব্য-উপনিবেশবাদী প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছেন। বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন, কৌশলগত প্রভাব ব্যবহার করে গ্রিনল্যান্ডের শাসন কাঠামো পুনর্গঠন করা হলে তা দেশটির স্বায়ত্তশাসন ও আন্তর্জাতিক আইনকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে। বর্তমান বৈশ্বিক রাজনীতিতে সার্বভৌম দেশগুলোর মর্যাদা ও স্বাধীনতা রক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
