ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রে বিচার প্রক্রিয়ার মুখোমুখি করা হবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তিনি দাবি করেছেন, মাদুরো বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের হেফাজতে রয়েছেন এবং তার আটকের পর ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে আর কোনও সামরিক বা রাজনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা নেই।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি থেকে জানা যায়, শনিবার (৩ জানুয়ারি) রুবিওর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলার পর বিষয়টি নিশ্চিত করেন মার্কিন সিনেটর মাইক লি।
তিনি বলেন, মাদুরো মার্কিন হেফাজতে থাকায় ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে অতিরিক্ত পদক্ষেপের প্রয়োজন দেখছে না ওয়াশিংটন।
গত শনিবার স্থানীয় সময় রাত ভেনেজুয়েলার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। এতে রাজধানী কারাকাসসহ আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। নিরাপত্তার আশঙ্কায় অনেক মানুষ রাস্তায় নেমে আসে। ভেনেজুয়েলা সরকার জানায়, কারাকাসের পাশাপাশি মিরান্ডা, আরাগুয়া ও লা গুয়াইরা রাজ্যেও হামলা চালানো হয়েছে। এসব ঘটনার পর দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়।
সিবিএস নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, কারাকাসে বিস্ফোরণের বিষয়টি ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা আগেই জানতেন। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই ভেনেজুয়েলার সামরিক স্থাপনা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে হামলার নির্দেশ দেন।
এর কিছু সময় পরই ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেন, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করা হয়েছে। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র ‘লার্জ স্কেল স্ট্রাইক’ বা ব্যাপক হামলা চালিয়েছে এবং অভিযানের সময় মাদুরো ও তার স্ত্রীকে দেশটির বাইরে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
