বিপিএলের এক ম্যাচেই দেখা গেল দুই সেঞ্চুরি। হাসান ইসাখিলের সেঞ্চুরি ম্লান করে দিলেন তাওহীদ হৃদয়। লিগ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে রংপুর রাইডার্সের কাছে ৮ উইকেটের বিশাল পরাজয়ে বিপিএল অভিযান শেষ করল নোয়াখালী এক্সপ্রেস। ১০ ম্যাচে তাদের জয় মাত্র দুটি। পয়েন্ট টেবিলে অবস্থান সবার নিচে।
মিরপুর শেরেবাংলায় রান তাড়ায় নেমে রংপুরকে উড়ন্ত সূচনা এনে দিয়েছিলেন তাওহীদ হৃদয় আর ডেভিড মালান। ইংলিশ ব্যাটার মালান ১৭ বলে ১৫ রানের ধীরগতির ইনিংস খেললেও হৃদয় ছিলেন আগ্রাসী। ২৭ বলে ফিফটি তুলে নেন এই তারকা ব্যাটার। মালানের বিদায়ে ভাঙে ৭৮ রানের ওপেনিং জুটি। এরপরই অধিনায়ক লিটন দাসের সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেটে ৬২ বলে ৮৭ রানের জুটি গড়েন হৃদয়।
দারুণ ফর্মে থাকা হৃদয় ৫৭ বলে চলতি আসরে নিজের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন। তার আগ্রাসী উদযাপন ছিল দেখার মতো। দল যখন জয় থেকে ১০ রান দূরে, তখন হাসান মাহমুদের একটা বলে বোল্ড হয়ে যান। তার ৬৩ বলে ১০৯ রানের ইনিংসে ছিল ১৫টি চার এবং ২টি ছক্কার মার। এর আগে রাজশাহীর বিপক্ষে হৃদয় ৯৭ রানে অপরাজিত ছিলেন। খুশদিল শাহকে (৩*) নিয়ে বাকি কাজটা সারেন লিটন। রংপুর অধিনায়ক এদিন ৩৫ বলে ২ চার ১ ছক্কায় ৩৯ রানে অপরাজিত থাকেন। ২ বল হাতে রেখে জিতে যায় রংপুর।
এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে হাসান ইসাখিলের সেঞ্চুরিতে ২ উইকেটে ১৭৩ রান তোলে নোয়াখালী এক্সপ্রেস। ইসাখিলের শুরুটাও হয়েছিল খুব ধীরে। ৫০ বলে ফিফটি পূরণ করেন। এরপর তিনি জ্বলে ওঠেন ব্যাট হাতে। পরের ফিফটি করেন মাত্র ২০ বলে! ৭০ বলে সেঞ্চুরির পূরণের পর তিনি অপরাজিত থাকেন ৭২ বলে ১০৭ রানে, হাঁকান ১১টি ছক্কা আর ৪টি বাউন্ডারি।
তিনে নেমে জাকের আলী ৭ বলে ৩ রান করে বোল্ড হয়ে যান। এরপরই দারুণ এক জুটি গড়েন ইসাখিল আর হায়দার আলী। নোয়াখালী অধিনায়ক হায়দার খেলেন ৩২ বলে ৩ চার ১ ছক্কায় ৩২ রানের অপরাজিত ইনিংস। তাদের অবিচ্ছিন্ন চতুর্থ উইকেট জুটিতে আসে ৭৪ বলে ১৩৭ রান। রংপুরের আকিফ জাভেদ (৪ ওভারে ৫৩) আর নাহিদ রানা (৪ ওভারে ৪০ রানে ১ উইকেট) সবচেয়ে বেশি খরুচে ছিলেন।
বিপিএলে ১১ ছক্কায় ইসাখিলের অপরাজিত সেঞ্চুরি
ব্যাটে-বলে যুক্তরাষ্ট্রকে গুঁড়িয়ে দিল বাংলাদেশের মেয়েরা