কঠিনে গণমাধ্যমের জন্ম কঠিনে বিকাশ

আপডেট : ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:১৫ এএম

সংবাদপত্র, টেলিভিশন, রেডিও ইত্যাদি গণমাধ্যমের স্বাধীনতার কথা বেশি বেশি বলা হলেও, বাস্তবে এ স্বাধীনতা অত্যন্ত সীমিত ও শৃঙ্খলিত।  রাজা-বাদশাহ, সমাজের  প্রভাবশালীদের নিয়ন্ত্রণে, পৃষ্ঠপোষকতায় সাংবাদিকতার সূচনা এবং বিকাশ। নিয়ন্ত্রণের সেই ধারা আজও বিদ্যমান। নিয়ন্ত্রণের ধরন বদল হয়েছে মাত্র। তাই বলা হয়, গণমাধ্যম কোথাও কখনো স্বাধীন ছিল না, এখনো নেই। দেশে দেশে বাক স্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ইত্যাদি নামে নিশ্চিতকল্পে বিভিন্ন ঘোষণা দেওয়া হলেও বাস্তবে এ স্বাধীনতা সীমিত স্বাধীনতা। ঘোষণাগুলো দেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন শর্তাধীনে। শর্তগুলো এক অর্থে নিয়ন্ত্রণের এক একটি অস্ত্র। সংবিধানে সাংবাদিকের বাড়তি কোনো অধিকার বা স্বাধীনতা না থাকলেও দায়িত্ব প্রচুর। অধিকারবিহীন দায়িত্বকে হাত-পা বেঁধে সাঁতার কাটতে দেওয়ার মতো মনে করেন অনেকে। নানামুখী দায়দায়িত্বের পাশাপাশি প্রতিনিয়ত জবাবদিহিও করতে হয় সাংবাদিককে। তথ্য সংগ্রহ, সংবাদ প্রস্তুত, প্রকাশ এবং প্রচারের পর অডিয়েন্সের কাছে তিনি দায়বদ্ধ। সেই সঙ্গে প্রচলিত আইন ও সংবিধানের কাছে দায়বদ্ধতা। আর পেশার  প্রতি এবং নিয়োগকারী কর্র্তৃপক্ষের কাছে দায়বদ্ধতা তো রয়েছেই। মোট কথা, কর্মরত একজন সাংবাদিক তার অজান্তে জবাবদিহির শিকার। প্রকাশ বা প্রচারের পর সংবাদটির ওপর তার আর স্বত্বাধিকার থাকে না। সেটি হয়ে যায় জাতীয় সম্পদ। মানুষ ইচ্ছেমতো সেটি গ্রহণ-বর্জন করতে পারে। পারে স্বাধীনভাবে নিজের মতামত রাখতে। আপত্তি জানাতে পারে। প্রতিকার বা ক্ষতিপূরণে মামলাও করতে পারে। দায়িত্ব বিচারে সাংবাদিক অন্য যে কোনো পেশার চেয়ে দায়িত্বশীল। পেশাগত দায়িত্বের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক দায়িত্ব। সেই অনুপাতে তার দায় বেশি। ঝুঁকিও বেশি।

কথাচ্ছলে ভিন্নমতের স্বাধীনতা ব্যাপক আলোচিত হলেও সবকিছুতে ভিন্নমতের স্বাধীনতা খাটে না। ধর্মীয় বিধান, স্রষ্টা, দেবতা বা কোনো দেশের স্বাধীনতা-সংবিধান  নিয়ে ভিন্নমত বিশ্বের কোথাও কখনো স্বীকৃত নয়। স্বাধীনতা সবার জন্যই উপভোগের। কিন্তু নিজে স্বাধীনতা ভোগ করতে গিয়ে অন্যের স্বাধীনতা অক্ষুণœ রাখাও সবার দায়িত্ব। সমাজের বিবেকমান, মানবিক গুণসম্পন্ন ও দায়িত্বশীল বিবেচনায় সাংবাদিকদের জন্য আচরণবিধি ও  নীতিমালার প্রশ্ন এখানেই। সংবাদপত্রকে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ ‘ফোর্থ স্টেট’ এর মর্যাদা দেওয়া হয়। রাষ্ট্রের অন্য তিনটি স্তম্ভ নির্বাহী বিভাগ, বিচার বিভাগ ও সংসদের জন্যও কিছু নীতি ও বিধি রয়েছে। সেই দৃষ্টে চতুর্থ স্তম্ভ সংবাদমাধ্যমও নীতিমালামুক্ত নয়। বলার অপেক্ষা রাখে না, নীতিমালা বা আচরণবিধির উদ্দেশ্য কেবল নিয়ন্ত্রণমূলক নয়, এর সঙ্গে একটি প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি ও মর্যাদাও নিহিত। সময়ের ফেরে দেশে আবারও জোর আলোচনায় গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, দায়দায়িত্ব, অধিকার, মর্যাদা ইত্যাদি। রাজনীতিতে মতপ্রকাশ বা বাকস্বাধীনতা অনেকটাই আপেক্ষিক। কত কথা বলতে পারলে বাকস্বাধীনতা হয়, তার সীমানা মানা হয় না। সেখানে যে আরেকজনেরও বাকস্বাধীনতা থাকতে পারে, তা গ্রাহ্য হচ্ছে না। আর সংবাদপত্র, টেলিভিশন, রেডিও ইত্যাদি গণমাধ্যমে বাকস্বাধীনতার তাত্ত্বিক অর্থ প্রেস ফিডম অথবা ফ্রিডম অব প্রেস। প্রায়োগিকভাবে এ ব্যাখ্যায় প্রেস অর্থ ‘সংবাদক্ষেত্র’ (ছাপাখানা নয়)। আবার সংবাদক্ষেত্রেরও বহুমাত্রিক অর্থ। যেখানে সংবাদ, সাংবাদিক, সংবাদমাধ্যম, সংবাদমাধ্যম কর্র্তৃপক্ষ বা মালিকপক্ষ সবাই আছেন। তাদের সবার অর্থাৎ সংবাদের স্বাধীনতা, সাংবাদিকের স্বাধীনতা, সাংবাদিকতার স্বাধীনতা, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা, সংবাদমাধ্যম মালিকের স্বাধীনতা মিলিয়ে স্বাধীনতার চৌহদ্দি বেশ বড়। অথচ স্বাধীনতা বা অধিকারের সমান্তরালে দায়দায়িত্ব ও জবাবদিহির বিষয়টি সামনে আনলে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠার প্রবণতা রয়েছে। সাংবাদিকদের সব আইনের ঊর্ধ্বে রাখা এবং তাদের অবারিত মুক্ত ভাবার মানসিকতাও রয়েছে। এর বিপরীত বাস্তবতা সাংবাদিকতায়।  

জগতে কারও স্বাধীনতাই অ্যাবসলিউট, আনলিমিটেড বা নিরঙ্কুশ নয়। সব স্বাধীনতাই মাত্রাযুক্ত। জাতিসংঘের মানবাধিকার ঘোষণার বাক ও চিন্তার স্বাধীনতার কথা ভাবার্থ বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে ইংরেজি ভার্সনে বলা হয়েছে ‘প্রেস ফ্রিডম’। বাংলা ভার্সনে তা ‘সংবাদক্ষেত্রের স্বাধীনতা’। ৩৯ অনুচ্ছেদের ২ ধারায় এ স্বাধীনতার সঙ্গে সংবাদমাধ্যমের দায়দায়িত্ব তথা সীমানা উল্লেখ আছে। রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশি রাষ্ট্রসমূহের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা বা নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত অবমাননা, মানহানি বা আরোপিত যুক্তিসংগত বিধিনিষেধ সাপেক্ষে সংবাদক্ষেত্রের ওই স্বাধীনতা। এছাড়া ছাপখানা ও প্রকাশনা (ঘোষণা ও নিবন্ধীকরণ) আইন, প্রেস কাউন্সিল আইন, কপিরাইট অধ্যাদেশও তো রয়েছেই। বিশ্বের সভ্য-উন্নত দেশগুলোতেও এ ধরনের আইন কম-বেশি বিদ্যমান। গণতন্ত্র, বাকস্বাধীনতা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ইত্যাদি প্রশ্নে উদার ঐতিহ্য ও সভ্যতার আইডল ব্রিটেনেও সাংবাদিকদের জন্য কঠোর আচরণবিধি রয়েছে। বিশ্বের আরেক সভ্য দেশ যুক্তরাষ্ট্রে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার পাশাপাশি জুড়ে দেওয়া হয়েছে নিয়ন্ত্রণের বেশ কিছু ধারা-উপধারা। তাদের ‘ডকট্রিন অব পুলিশ পাওয়ার’ নামের খড়গে পড়া সাংবাদিকরা তা হাড়ে হাড়ে টের পান। প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার সঙ্গে তাদের সংবিধানের ১৯ (ক) অনুচ্ছেদের বিপরীতে ১৯ (২) অনুচ্ছেদে স্পষ্ট উল্লেখ আছে  ‘পরিপূরক দায়দায়িত্ব ছাড়া সংবাদপত্রসমূহ একতরফা স্বাধীনতা ভোগ করতে পারে না’। ইতিহাসে দেখা যায়, সাংবাদিকতার বিকাশ আর আচরণবিধি অনেকটাই সমান্তরাল। যত নীতিমালা এসেছে, তত বিকাশ ঘটেছে। ভারত উপমহাদেশে ওয়াকিয়া নবিশ, খুফিয়া নবিশ, আখবর নবিশ ইত্যাদি নামের সাংবাদিকদের মধ্যে অসত্য-অর্ধসত্য তথ্য পরিবেশনের বহু নজির রয়েছে। তা কখনো ইচ্ছাকৃত-উদ্দেশ্যমূলক, কখনো অনিচ্ছাকৃত বা অসাবধানতায়। ওই ইতিহাস ও উদাহরণ বেশ দীর্ঘ। ১৮৪৪ সালে প্রকাশিত স্যার উইলিয়াম সিøম্যানের বিখ্যাত একটি গ্রন্থে ওয়াকিয়া নবিশদের দুর্নীতির কথা উল্লেখ করে বলা হয়েছে : অযোধ্যার গোলাম হোসেন যুদ্ধে হেরে গিয়ে তার রাজ্যের ২০ মাইল সীমানার মধ্যে সব সাংবাদিককে ঘুষ দিয়েছিলেন তার যুদ্ধ পরাজয়ের কথা প্রচার না করতে। বিশ্বের কোথাও সাংবাদিক বা সাংবাদিকতা মুক্ত বিহঙ্গ নয়। যা ইচ্ছে ঢালাও প্রচার- প্রকাশের এনওসি নেই। মতপ্রকাশের ক্ষেত্রে আইনত সাংবাদিক আর জনসাধারণের একই অধিকার। কিন্তু, পেশার সুবাদে সাংবাদিকদের তথ্য ও মতপ্রকাশের ক্ষমতা অন্যদের চেয়ে বেশি। কিন্তু তিনি যথেচ্ছা মত বা তথ্য প্রকাশের অধিকারী নন। কোনো সাংবাদিকের অনিচ্ছাকৃত বা অসাবধানতাবশত ভুল তথ্য পরিবেশনও শাস্তিযোগ্য। এমনকি সংবাদপত্রে পাঠকের চিঠি বা মতামতের জন্যও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও সম্পাদক- প্রকাশক দায়মুক্ত নন। যদিও সংবাদপত্রগুলোতে পাঠকের চিঠিপত্র বা মতামত বিভাগে ‘মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন’ মর্মে একটি ঘোষণা দেওয়া হয়।

সংবাদ-সাংবাদিকতা বিষয়ে আইন ও বিচার বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো সংবাদমাধ্যমে যা কিছু (সংবাদ, ফিচার, মতামত এমনকি বিজ্ঞাপনও) প্রকাশ হবে সকল কিছুর জন্য ওই সংবাদমাধ্যম কর্র্তৃপক্ষের দায় রয়েছে। সেই বিবেচনায় সংবাদমাধ্যমে ‘অবাধ’ শব্দটি নিতান্তই তাত্ত্বিক, প্রায়োগিক নয়। অ্যাকাডেমিকভাবে সাংবাদিকদের দায়িত্ব ৩টি। টু ইনফরম, টু এডুকেট এবং টু এন্টারটেইন। তথ্য দেওয়া, শিক্ষা দেওয়া ও বিনোদিত করা। জনগণকে আকর্ষণ বা প্রভাবিত করে এমন বিষয়ে জনগণকে অবহিত রাখাকে সাংবাদিকের দায়িত্ব হিসেবে নির্দিষ্ট করা হয়েছে। এসব বুঝতে অ্যাকাডেমিক শিক্ষার সঙ্গে প্রশিক্ষণ জরুরি। নইলে তার পক্ষে পেশাগত সীমাবদ্ধতা, পেশাগত আইন ও নীতিমালা, সমাজ স্বীকৃত শালীনতাবোধ, ধর্মীয় ও সাম্প্রদায়িক বিষয়ে সতর্কতা, তথ্য প্রকাশে পরিমিতিবোধ, মিডিয়া ট্রায়াল পরিহার, সংবাদসূত্রের গোপনীয়তা রক্ষা, রাষ্ট্রদ্রোহী বক্তব্যে সতর্কতা, তথ্য আদায়ে চাপ না দেওয়া, মানহানি সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান বা ধারণা আসবে না। কিন্তু, বাংলাদেশে এদিকটায় ভীষণ খরা। এখানে তথ্য দেওয়া, শিক্ষা দেওয়া এবং বিনোদন দেওয়ার মতো গুরুদায়িত্ব থাকা সাংবাদিকতার যোগ্যতার মানদণ্ড এখনো ঠিক হয়নি। ক্ষেত্রবিশেষে এখানে সাংবাদিক হওয়া খুবই সোজা কাজ। অসংখ্য পত্রিকা, টিভি, এফএম রেডিও ছাড়াও হাজারে হাজার অনলাইন পোর্টাল গজিয়েছে। হাতেগোনা কিছু পোর্টাল বাদ দিলে বাকিদের বেশিরভাগই চলছে কপিপেস্টে। যার যা ইচ্ছা আইটেম-কন্টেন্ট করছে। তাদের দৌরাত্ম্যে কোনটা সংবাদ বা অপসংবাদ, কোনটা তথ্য বা গুজব ঠাওরের অবস্থা থাকছে না। তাদের কথিত সংবাদের শব্দ-বাক্যের ভাষা আর কনটেন্ট পেশাদারদের কী নিদারুণ আহত করছে তা ভাষায় প্রকাশও লজ্জার-কষ্টের। আমাদের গণমাধ্যম আইনের উৎপত্তি ও বিকাশ মূলত সংবাদপত্রের উৎপত্তি ও বিকাশের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।

স্বাধীনতা সবার জন্যই উপভোগের। কিন্তু নিজে স্বাধীনতা ভোগ করতে গিয়ে অন্যেও স্বাধীনতা ক্ষুণœ হলো কি-না, তা দেখা যে কোনো সচেতন মানুষের দায়িত্ব। সমাজের বিবেকমান, মানবিক গুণসম্পন্ন ও দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবে সাংবাদিকদের এ ব্যাপারে সতর্ক থাকা ও সতর্ক রাখার উদ্দেশ্যই আচরণবিধি বা নীতিমালার প্রশ্ন এসেছে। আসলে যেদিন থেকে সংবাদপত্রকে অসামান্য ক্ষমতার অধিকারী ও প্রভাবশালী মনে হতে থাকে, সেদিন থেকেই এ ক্ষমতা ও প্রভাবের সীমা টেনে ধরার চিন্তা আগে রাষ্ট্রপক্ষের। সংবাদপত্রকে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ ‘ফোর্থ স্টেট’ হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। রাষ্ট্রের অন্য তিনটি শক্তি নির্বাহী বিভাগ, বিচার বিভাগ ও সংসদকে নিয়ন্ত্রণের কিছু নীতি ও বিধি রয়েছে। তাহলে চতুর্থ শক্তি সংবাদপত্রের জন্য কেন নীতিমালা বা আচরণবিধি থাকবে না এ প্রশ্ন জোরালো হয়ে ওঠে। তিনটি শক্তির নিয়ন্ত্রণ বরাবরই থাকে রাষ্ট্রের কর্ণধারদের  হাতে। কিন্তু রাষ্ট্রের কর্ণধাররা অনুরূপভাবে চতুর্থ শক্তি সংবাদপত্রকে নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে সময়ে সময়ে আচরণবিধি, নীতিমালা প্রণয়নের তাগিদ বোধ করেন। এছাড়া সীমিত-শৃঙ্খলিত স্বাধীনতার মধ্যেও সাংবাদিকদের ক্ষমতাচর্চাও অপসাংবাদিকতা রোধের আচরণবিধি আরোপের একটি উদ্দেশ্য। সময়ের ব্যবধানে তা আরও কঠোর হয়েছে। এরপরও মনমতো নিয়ন্ত্রণ কয়েম না হওয়ায় নীতিমালা, আচরণবিধি কঠোর থেকে কঠোর করা হয়। এসব বিধিবিধান বর্তমানে একটি বিশেষ অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছে। সত্য বড় কঠিন সবার কাছেই। পজিশন-অপিজশন, এমন কি পজিশন-অপজিশনের ধারেকাছে না থাকা মহলও, কখনো কখনো সত্যকে ভয় পায়। সবাই চান তার মনমতো, সুবিধাজনক তথ্য। 

লেখক: সাংবাদিক-কলামিস্ট

ডেপুটি হেড অব নিউজ, বাংলাভিশন

[email protected]

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত