বিএনপির বিভক্তিতে সুবিধায় জামায়াত

আপডেট : ২৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:৩২ এএম

আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে যশোর-৫ (মনিরামপুর) আসনে প্রার্থীরা প্রতীক পাওয়ার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারকাজ শুরু করেছেন। গত বুধবার প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই ভোটের মাঠে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত প্রার্থীরা প্রচার-প্রচারণা ও ভোট প্রার্থনা করতে পারবেন।

এরই মধ্যে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী ও উপজেলা বিএনপি সভাপতি অ্যাডভোকেট শহীদ ইকবাল হোসেন। বিএনপি থেকে মনোনয়ন না পাওয়ায় তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কলস প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী মাঠে নামেন। তবে দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে গত বুধবার রাতে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

এদিকে, ইসলামি চিন্তাবিদ মুফতি ওয়াক্কাসের ইন্তেকালের পর তার বড় ছেলে রশীদ আহমদ জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পান। এবারের নির্বাচনে প্রথমে শহীদ ইকবাল হোসেনকে বিএনপি থেকে মনোনয়ন দিলেও পরে তা পরিবর্তন করে রশীদ আহমদকে বিএনপি থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। এতে করে উপজেলা বিএনপি কার্যত দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিন্টুসহ শীর্ষপর্যায়ের একাধিক নেতা বর্তমানে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী রশীদ আহমদের পক্ষে কাজ করছেন। অন্যদিকে, উপজেলা বিএনপি সভাপতি অ্যাডভোকেট শহীদ ইকবাল হোসেনের সঙ্গে রয়েছেন পৌর বিএনপি সভাপতি-সম্পাদকসহ দলের আরেক অংশের নেতাকর্মীরা।

বিএনপির এই বিভক্ত পরিস্থিতির সুযোগ কাজে লাগাতে মাঠে সক্রিয়ভাবে প্রচারণা চালাচ্ছেন জামায়াতে ইসলামের মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট গাজী এনামুল হক। তিনি ভোটারদের কাছে নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে নিজের অবস্থান শক্ত করার চেষ্টা করছেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত