মাত্র এক মাস আগেই শেষ হয়েছে অ্যাশেজ সিরিজ। সেই উত্তাপ কাটতে না কাটতেই শুরু হতে যাচ্ছে আরেকটি বড় আসর ছেলেদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬। তবে এবারের বিশ্বকাপ শুরু হচ্ছে নানা বিতর্ক, রাজনৈতিক টানাপোড়েন ও ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্নের মধ্যে।
ভারত ও শ্রীলঙ্কার যৌথ আয়োজনে আজ শনিবার থেকে শুরু হচ্ছে এই টুর্নামেন্ট। ২০ দলের অংশগ্রহণে চার সপ্তাহব্যাপী এই প্রতিযোগিতা নিয়ে নানা অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যে বড় আলোচনার জন্ম দিয়েছে। পাশাপাশি পাকিস্তান সরকার নির্দেশ দেওয়ায় পাকিস্তান দলের ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলার সম্ভাবনাও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
ক্রিকেট বিশ্বে বাড়তে থাকা রাজনৈতিক প্রভাব ও প্রশাসনিক দুর্বলতার ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। সাম্প্রতিক সময়ে দক্ষিণ আফ্রিকার হাইনরিখ ক্লাসেন ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের নিকোলাস পুরান আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন। এটাকেও বিশ্বকাপের আকর্ষণ কমে যাওয়ার ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
অন্যদিকে মাঠের বাইরে নানা বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছে ইংল্যান্ড দল। তাদের নাইটক্লাব বিতর্ক, শাস্তি ও ক্ষমা প্রার্থনার বিষয় এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। যদিও মাঠের পারফরম্যান্সে ইংল্যান্ড ভালোই করছে। সম্প্রতি তারা শ্রীলঙ্কা সফরে সাফল্য পেয়েছে। ইংল্যান্ডের কোচ ব্রেন্ডন ম্যাককালাম ও অধিনায়ক হ্যারি ব্রুকের জন্য এবারের বিশ্বকাপ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সেমিফাইনালে পৌঁছানোই ম্যাককালাম-ব্রুকের ন্যূনতম লক্ষ্য হওয়া উচিত। তারা ব্যর্থ হলে বরখাস্ত হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। বিশ্বকাপের আগে ক্রিকেট বিশ্বে যে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে, তা শুধু একটি টুর্নামেন্ট নয়; খেলার ভবিষ্যৎকেই প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। রাজনীতি, অর্থ ও প্রশাসনিক দুর্বলতার চাপ সামলাতে না পারলে ক্রিকেটের স্থিতিশীলতা হুমকির মুখে পড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।
১২৬ মিলিয়ন রুপিতে পিএসএলের সবচেয়ে দামী ক্রিকেটার সাইম আইয়ুব
উদ্বোধনী ম্যাচে ডাচদের সামনে বিধ্বংসী ফর্মে থাকা পাকিস্তান